লারিজানি হত্যা: প্রতিশোধের হুমকি ইরানি সেনাপ্রধানের

লারিজানি হত্যা: প্রতিশোধের হুমকি ইরানি সেনাপ্রধানের
সিটিজেন ডেস্ক

তেহরানে বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান আলী লারিজানির নিহত হওয়ার ঘটনায় চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। বুধবার (১৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি এ হুঁশিয়ারি দেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, আলী লারিজানি এবং অন্যান্য শহীদদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। উপযুক্ত সময় ও স্থানে অপরাধী আমেরিকা এবং রক্তপিপাসু জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীকে একটি চূড়ান্ত, প্রতিরোধমূলক এবং বেদনাদায়ক জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে, ইরানের অভিজাত সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) পৃথক এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, লারিজানির হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইতোমধ্যে ইসরায়েলের কেন্দ্রস্থলে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুরে ইরানের রাজধানী তেহরানে বিমান অভিযান চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। ওই হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা হয় আলী লারিজানিকে। হামলার পরপরই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, লারিজানি নিহত বা আহত হয়েছেন। পরে বুধবার বিকেলে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।
আলী লারিজানি ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তাদের একজন ছিলেন। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন এবং তাকে খামেনির ‘ডানহাত’ বলেও উল্লেখ করা হতো।
চলমান সংঘাতে নিহত ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে লারিজানিই সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ। সর্বশেষ গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জনসম্মুখে তাকে দেখা যায়। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র তার মাথার দাম ১০ লাখ ডলার ঘোষণা করেছিল।

তেহরানে বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান আলী লারিজানির নিহত হওয়ার ঘটনায় চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। বুধবার (১৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি এ হুঁশিয়ারি দেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, আলী লারিজানি এবং অন্যান্য শহীদদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। উপযুক্ত সময় ও স্থানে অপরাধী আমেরিকা এবং রক্তপিপাসু জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীকে একটি চূড়ান্ত, প্রতিরোধমূলক এবং বেদনাদায়ক জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে, ইরানের অভিজাত সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) পৃথক এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, লারিজানির হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইতোমধ্যে ইসরায়েলের কেন্দ্রস্থলে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুরে ইরানের রাজধানী তেহরানে বিমান অভিযান চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। ওই হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা হয় আলী লারিজানিকে। হামলার পরপরই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, লারিজানি নিহত বা আহত হয়েছেন। পরে বুধবার বিকেলে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।
আলী লারিজানি ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তাদের একজন ছিলেন। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন এবং তাকে খামেনির ‘ডানহাত’ বলেও উল্লেখ করা হতো।
চলমান সংঘাতে নিহত ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে লারিজানিই সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ। সর্বশেষ গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জনসম্মুখে তাকে দেখা যায়। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র তার মাথার দাম ১০ লাখ ডলার ঘোষণা করেছিল।

লারিজানি হত্যা: প্রতিশোধের হুমকি ইরানি সেনাপ্রধানের
সিটিজেন ডেস্ক

তেহরানে বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান আলী লারিজানির নিহত হওয়ার ঘটনায় চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। বুধবার (১৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি এ হুঁশিয়ারি দেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, আলী লারিজানি এবং অন্যান্য শহীদদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। উপযুক্ত সময় ও স্থানে অপরাধী আমেরিকা এবং রক্তপিপাসু জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীকে একটি চূড়ান্ত, প্রতিরোধমূলক এবং বেদনাদায়ক জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে, ইরানের অভিজাত সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) পৃথক এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, লারিজানির হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইতোমধ্যে ইসরায়েলের কেন্দ্রস্থলে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুরে ইরানের রাজধানী তেহরানে বিমান অভিযান চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। ওই হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা হয় আলী লারিজানিকে। হামলার পরপরই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, লারিজানি নিহত বা আহত হয়েছেন। পরে বুধবার বিকেলে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।
আলী লারিজানি ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তাদের একজন ছিলেন। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন এবং তাকে খামেনির ‘ডানহাত’ বলেও উল্লেখ করা হতো।
চলমান সংঘাতে নিহত ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে লারিজানিই সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ। সর্বশেষ গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জনসম্মুখে তাকে দেখা যায়। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র তার মাথার দাম ১০ লাখ ডলার ঘোষণা করেছিল।




