ইরানের জ্বালানি তেল ও খার্গ দ্বীপ দখলে নিতে চান ট্রাম্প

ইরানের জ্বালানি তেল ও খার্গ দ্বীপ দখলে নিতে চান ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার পর এবার ইরানের তেলসম্পদ দখলে নিতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে দেশটির ‘অর্থনীতির মেরুদণ্ড’ নামে পরিচিত খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (২৯ মার্চ) ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপাারে কথা বলেছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সত্যি বলতে কি, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হলো ইরান থেকে তেল নেওয়া, কিন্তু (যদি আমি তা শুরু করি তাহলে) যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নির্বোধ লোক বলবে, আপনি এটা কেন করছেন? তবে তারা নির্বোধ।’
খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা খার্গ দ্বীপের দখল নিতে পারি, না ও নিতে পারি। এমনও হতে পারে যে খার্গ দ্বীপের দখল নিয়ে আমরা সেখানে কিছু সময়ের জন্য অবস্থানও নিতে পারি। আমাদের হাতে অনেক বিকল্প আছে।’
খার্গ দ্বীপে ইরানের প্রহরা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় না খার্গ দ্বীপে ইরানের আর কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর আছে। আমরা খুব সহজেই সেটির দখল নিতে পারি।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়ের যৌথভাবে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ ইরানে হামলা চালায়। পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ইরান। সেইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি। এর ফলে বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে।
বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানর খনিগুলোতে মজুত তেলের পরিমাণ কমপক্ষে ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বের মোট মজুদের প্রায় ১১.৮২%। ভেনেজুয়েলা ও সৌদি আরবের পর এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের মজুদ। ইরানের অর্থনীতি অনেকাংশে তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল এবং এর সিংহভাগ (প্রায় ৯০%) তেল চীনে রপ্তানি করা হয়।
অন্যদিকে ইরান উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার এবং হরমুজ প্রণালি থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে অবস্থিত ৫ বর্গমাইল আয়তনের খার্গ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যের ‘প্রাণ’ হিসেবে পরিচিত। দেশটির ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং তরল গ্যাসের চালান এই দ্বীপ থেকেই বহির্বিশ্বে যায়। কৌশলগতভাবেও এ দ্বীপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির তেল সম্পদ দখল করে সেগুলো বিক্রিও শুরু করেছেন।
সূত্র: বিবিসি

ভেনেজুয়েলার পর এবার ইরানের তেলসম্পদ দখলে নিতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে দেশটির ‘অর্থনীতির মেরুদণ্ড’ নামে পরিচিত খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (২৯ মার্চ) ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপাারে কথা বলেছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সত্যি বলতে কি, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হলো ইরান থেকে তেল নেওয়া, কিন্তু (যদি আমি তা শুরু করি তাহলে) যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নির্বোধ লোক বলবে, আপনি এটা কেন করছেন? তবে তারা নির্বোধ।’
খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা খার্গ দ্বীপের দখল নিতে পারি, না ও নিতে পারি। এমনও হতে পারে যে খার্গ দ্বীপের দখল নিয়ে আমরা সেখানে কিছু সময়ের জন্য অবস্থানও নিতে পারি। আমাদের হাতে অনেক বিকল্প আছে।’
খার্গ দ্বীপে ইরানের প্রহরা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় না খার্গ দ্বীপে ইরানের আর কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর আছে। আমরা খুব সহজেই সেটির দখল নিতে পারি।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়ের যৌথভাবে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ ইরানে হামলা চালায়। পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ইরান। সেইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি। এর ফলে বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে।
বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানর খনিগুলোতে মজুত তেলের পরিমাণ কমপক্ষে ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বের মোট মজুদের প্রায় ১১.৮২%। ভেনেজুয়েলা ও সৌদি আরবের পর এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের মজুদ। ইরানের অর্থনীতি অনেকাংশে তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল এবং এর সিংহভাগ (প্রায় ৯০%) তেল চীনে রপ্তানি করা হয়।
অন্যদিকে ইরান উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার এবং হরমুজ প্রণালি থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে অবস্থিত ৫ বর্গমাইল আয়তনের খার্গ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যের ‘প্রাণ’ হিসেবে পরিচিত। দেশটির ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং তরল গ্যাসের চালান এই দ্বীপ থেকেই বহির্বিশ্বে যায়। কৌশলগতভাবেও এ দ্বীপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির তেল সম্পদ দখল করে সেগুলো বিক্রিও শুরু করেছেন।
সূত্র: বিবিসি

ইরানের জ্বালানি তেল ও খার্গ দ্বীপ দখলে নিতে চান ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার পর এবার ইরানের তেলসম্পদ দখলে নিতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে দেশটির ‘অর্থনীতির মেরুদণ্ড’ নামে পরিচিত খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (২৯ মার্চ) ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপাারে কথা বলেছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সত্যি বলতে কি, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হলো ইরান থেকে তেল নেওয়া, কিন্তু (যদি আমি তা শুরু করি তাহলে) যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নির্বোধ লোক বলবে, আপনি এটা কেন করছেন? তবে তারা নির্বোধ।’
খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা খার্গ দ্বীপের দখল নিতে পারি, না ও নিতে পারি। এমনও হতে পারে যে খার্গ দ্বীপের দখল নিয়ে আমরা সেখানে কিছু সময়ের জন্য অবস্থানও নিতে পারি। আমাদের হাতে অনেক বিকল্প আছে।’
খার্গ দ্বীপে ইরানের প্রহরা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় না খার্গ দ্বীপে ইরানের আর কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর আছে। আমরা খুব সহজেই সেটির দখল নিতে পারি।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়ের যৌথভাবে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ ইরানে হামলা চালায়। পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ইরান। সেইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি। এর ফলে বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে।
বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানর খনিগুলোতে মজুত তেলের পরিমাণ কমপক্ষে ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বের মোট মজুদের প্রায় ১১.৮২%। ভেনেজুয়েলা ও সৌদি আরবের পর এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের মজুদ। ইরানের অর্থনীতি অনেকাংশে তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল এবং এর সিংহভাগ (প্রায় ৯০%) তেল চীনে রপ্তানি করা হয়।
অন্যদিকে ইরান উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার এবং হরমুজ প্রণালি থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে অবস্থিত ৫ বর্গমাইল আয়তনের খার্গ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যের ‘প্রাণ’ হিসেবে পরিচিত। দেশটির ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং তরল গ্যাসের চালান এই দ্বীপ থেকেই বহির্বিশ্বে যায়। কৌশলগতভাবেও এ দ্বীপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির তেল সম্পদ দখল করে সেগুলো বিক্রিও শুরু করেছেন।
সূত্র: বিবিসি




