শিক্ষাখাতে রেকর্ড বাজেট: যেভাবে দেখছেন জবির ছাত্রনেতারা

শিক্ষাখাতে রেকর্ড বাজেট: যেভাবে দেখছেন জবির ছাত্রনেতারা
জবি প্রতিনিধি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষাখাতে রেকর্ড বরাদ্দ ঘোষণার পর এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শীর্ষ ছাত্রনেতারা। কেউ এই বাজেট শিক্ষা খাতের জন্য ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, আবার কেউ বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি বাস্তবায়ন ও জবাবদিহিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। শুধু বরাদ্দ বৃদ্ধি নয়, এর কার্যকর বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে অর্থের যথাযথ ব্যবহারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশের সমান। এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জবির বিভিন্ন ছাত্রনেতা।
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন জবি শাখার সভাপতি আশিকুর রহমান আকাশ বলেন, এই বাজেট বৃদ্ধিকে আমি সাধুবাদ দিতে পারি না। আবাসনের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জের শিকার হতে হয়েছে, তাই শুধু বড় অঙ্কের বরাদ্দ দেখে এটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলা কঠিন। প্রতিবছর বরাদ্দ বাড়লেও সংশোধিত বাজেটে তা কমে যায়। জিডিপির মাত্র ২ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় অনেক কম। তাই আমরা শুধু ঘোষণা নয়, জানতে চাই এই অর্থের কতটুকু শিক্ষার্থীদের আবাসন, গবেষণা ও শিক্ষা উন্নয়নে ব্যয় হবে। ছাত্রসমাজ এখন জবাবদিহিতা চায়।
জাতীয় ছাত্রশক্তি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, ‘শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাজেটের যে মানদণ্ড থাকা দরকার, আমরা তা থেকে এখনো অনেকটাই পিছিয়ে আছি। তবে দীর্ঘদিনের ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এই খাতের বরাদ্দ যেভাবে এক শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছিল, সেই তুলনায় বর্তমান সরকারের এই বৃদ্ধি অবশ্যই ইতিবাচক। এই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।’
জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি এ কে এম রাকিব বাজেট বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে শিক্ষা খাতের বাজেট অনেকটা ধরাবাঁধা নিয়মে করা হতো। বাস্তবতার চেয়ে আগের বছরের বরাদ্দের সঙ্গে সামান্য বৃদ্ধি যোগ করার প্রবণতাই বেশি দেখা গেছে। তবে এবার সেই চেনা ছকের বাইরে গিয়ে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, এই প্রক্রিয়া যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা খাতের এই বর্ধিত বাজেট যেন সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে দেশনায়ক তারেক রহমানের যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে, এই বাজেট তারই একটি অনন্য প্রতিফলন। দেশের প্রতিটি খাত, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প ও বাণিজ্যকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে এই বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রেও এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ এবং একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক বাজেট। এই দূরদর্শী বাজেটটি যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি সেক্টরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষাখাতে রেকর্ড বরাদ্দ ঘোষণার পর এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শীর্ষ ছাত্রনেতারা। কেউ এই বাজেট শিক্ষা খাতের জন্য ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, আবার কেউ বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি বাস্তবায়ন ও জবাবদিহিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। শুধু বরাদ্দ বৃদ্ধি নয়, এর কার্যকর বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে অর্থের যথাযথ ব্যবহারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশের সমান। এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জবির বিভিন্ন ছাত্রনেতা।
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন জবি শাখার সভাপতি আশিকুর রহমান আকাশ বলেন, এই বাজেট বৃদ্ধিকে আমি সাধুবাদ দিতে পারি না। আবাসনের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জের শিকার হতে হয়েছে, তাই শুধু বড় অঙ্কের বরাদ্দ দেখে এটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলা কঠিন। প্রতিবছর বরাদ্দ বাড়লেও সংশোধিত বাজেটে তা কমে যায়। জিডিপির মাত্র ২ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় অনেক কম। তাই আমরা শুধু ঘোষণা নয়, জানতে চাই এই অর্থের কতটুকু শিক্ষার্থীদের আবাসন, গবেষণা ও শিক্ষা উন্নয়নে ব্যয় হবে। ছাত্রসমাজ এখন জবাবদিহিতা চায়।
জাতীয় ছাত্রশক্তি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, ‘শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাজেটের যে মানদণ্ড থাকা দরকার, আমরা তা থেকে এখনো অনেকটাই পিছিয়ে আছি। তবে দীর্ঘদিনের ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এই খাতের বরাদ্দ যেভাবে এক শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছিল, সেই তুলনায় বর্তমান সরকারের এই বৃদ্ধি অবশ্যই ইতিবাচক। এই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।’
জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি এ কে এম রাকিব বাজেট বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে শিক্ষা খাতের বাজেট অনেকটা ধরাবাঁধা নিয়মে করা হতো। বাস্তবতার চেয়ে আগের বছরের বরাদ্দের সঙ্গে সামান্য বৃদ্ধি যোগ করার প্রবণতাই বেশি দেখা গেছে। তবে এবার সেই চেনা ছকের বাইরে গিয়ে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, এই প্রক্রিয়া যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা খাতের এই বর্ধিত বাজেট যেন সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে দেশনায়ক তারেক রহমানের যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে, এই বাজেট তারই একটি অনন্য প্রতিফলন। দেশের প্রতিটি খাত, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প ও বাণিজ্যকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে এই বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রেও এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ এবং একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক বাজেট। এই দূরদর্শী বাজেটটি যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি সেক্টরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে।

শিক্ষাখাতে রেকর্ড বাজেট: যেভাবে দেখছেন জবির ছাত্রনেতারা
জবি প্রতিনিধি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষাখাতে রেকর্ড বরাদ্দ ঘোষণার পর এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শীর্ষ ছাত্রনেতারা। কেউ এই বাজেট শিক্ষা খাতের জন্য ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, আবার কেউ বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি বাস্তবায়ন ও জবাবদিহিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। শুধু বরাদ্দ বৃদ্ধি নয়, এর কার্যকর বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে অর্থের যথাযথ ব্যবহারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশের সমান। এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জবির বিভিন্ন ছাত্রনেতা।
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন জবি শাখার সভাপতি আশিকুর রহমান আকাশ বলেন, এই বাজেট বৃদ্ধিকে আমি সাধুবাদ দিতে পারি না। আবাসনের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জের শিকার হতে হয়েছে, তাই শুধু বড় অঙ্কের বরাদ্দ দেখে এটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলা কঠিন। প্রতিবছর বরাদ্দ বাড়লেও সংশোধিত বাজেটে তা কমে যায়। জিডিপির মাত্র ২ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় অনেক কম। তাই আমরা শুধু ঘোষণা নয়, জানতে চাই এই অর্থের কতটুকু শিক্ষার্থীদের আবাসন, গবেষণা ও শিক্ষা উন্নয়নে ব্যয় হবে। ছাত্রসমাজ এখন জবাবদিহিতা চায়।
জাতীয় ছাত্রশক্তি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, ‘শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাজেটের যে মানদণ্ড থাকা দরকার, আমরা তা থেকে এখনো অনেকটাই পিছিয়ে আছি। তবে দীর্ঘদিনের ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এই খাতের বরাদ্দ যেভাবে এক শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছিল, সেই তুলনায় বর্তমান সরকারের এই বৃদ্ধি অবশ্যই ইতিবাচক। এই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।’
জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি এ কে এম রাকিব বাজেট বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে শিক্ষা খাতের বাজেট অনেকটা ধরাবাঁধা নিয়মে করা হতো। বাস্তবতার চেয়ে আগের বছরের বরাদ্দের সঙ্গে সামান্য বৃদ্ধি যোগ করার প্রবণতাই বেশি দেখা গেছে। তবে এবার সেই চেনা ছকের বাইরে গিয়ে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, এই প্রক্রিয়া যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা খাতের এই বর্ধিত বাজেট যেন সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে দেশনায়ক তারেক রহমানের যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে, এই বাজেট তারই একটি অনন্য প্রতিফলন। দেশের প্রতিটি খাত, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প ও বাণিজ্যকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে এই বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রেও এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ এবং একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক বাজেট। এই দূরদর্শী বাজেটটি যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি সেক্টরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে।




