ফিলিপাইনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫

ফিলিপাইনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫
সিজেডএন ডেস্ক

দক্ষিণ ফিলিপাইনে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, মিন্দানাওয়ের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এখনো জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
ফিলিপাইন নিউজ এজেন্সির (পিএনএ) বরাত দিয়ে জানা গেছে, ধসে পড়া ভবন এবং ভূমিধস কবলিত এলাকা থেকে নতুন করে বেশ কিছু মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা হতাহতের এ নতুন তালিকা প্রকাশ করেন। ভয়াবহ এ কম্পনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়েছে, যার নিচে চাপা পড়ে এখনো বহু মানুষ আহত এবং বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে অনবরত আফটারশক, নড়বড়ে হয়ে পড়া অবকাঠামো এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে উদ্ধারকর্মীদের বেগ পেতে হচ্ছে।
মিন্দানাও উপকূলের কাছে আঘাত হানা ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পটি পুরো দক্ষিণ ফিলিপাইনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। এতে বিপুল সংখ্যক ঘরবাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল ও সরকারি স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে জেনারেল সান্তোস সিটি এবং সারাঙ্গানি প্রদেশের কিছু অংশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে জরুরি পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করতে দুর্যোগ অবস্থা ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে হাজার হাজার গৃহহীন বাসিন্দা বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসন তাদের মাঝে জরুরি খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর স্থায়িত্ব পরীক্ষা করছে। ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অফ ভলক্যানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজি জানিয়েছে, মূল ভূমিকম্পের পর অসংখ্য আফটারশক বা অনুকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে, যার ফলে বাসিন্দাদের ফাটল ধরা বা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, দেশটির রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়ে জাতীয় সংস্থাগুলোকে দ্রুত পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

দক্ষিণ ফিলিপাইনে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, মিন্দানাওয়ের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এখনো জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
ফিলিপাইন নিউজ এজেন্সির (পিএনএ) বরাত দিয়ে জানা গেছে, ধসে পড়া ভবন এবং ভূমিধস কবলিত এলাকা থেকে নতুন করে বেশ কিছু মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা হতাহতের এ নতুন তালিকা প্রকাশ করেন। ভয়াবহ এ কম্পনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়েছে, যার নিচে চাপা পড়ে এখনো বহু মানুষ আহত এবং বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে অনবরত আফটারশক, নড়বড়ে হয়ে পড়া অবকাঠামো এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে উদ্ধারকর্মীদের বেগ পেতে হচ্ছে।
মিন্দানাও উপকূলের কাছে আঘাত হানা ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পটি পুরো দক্ষিণ ফিলিপাইনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। এতে বিপুল সংখ্যক ঘরবাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল ও সরকারি স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে জেনারেল সান্তোস সিটি এবং সারাঙ্গানি প্রদেশের কিছু অংশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে জরুরি পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করতে দুর্যোগ অবস্থা ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে হাজার হাজার গৃহহীন বাসিন্দা বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসন তাদের মাঝে জরুরি খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর স্থায়িত্ব পরীক্ষা করছে। ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অফ ভলক্যানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজি জানিয়েছে, মূল ভূমিকম্পের পর অসংখ্য আফটারশক বা অনুকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে, যার ফলে বাসিন্দাদের ফাটল ধরা বা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, দেশটির রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়ে জাতীয় সংস্থাগুলোকে দ্রুত পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ফিলিপাইনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫
সিজেডএন ডেস্ক

দক্ষিণ ফিলিপাইনে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, মিন্দানাওয়ের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এখনো জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
ফিলিপাইন নিউজ এজেন্সির (পিএনএ) বরাত দিয়ে জানা গেছে, ধসে পড়া ভবন এবং ভূমিধস কবলিত এলাকা থেকে নতুন করে বেশ কিছু মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা হতাহতের এ নতুন তালিকা প্রকাশ করেন। ভয়াবহ এ কম্পনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়েছে, যার নিচে চাপা পড়ে এখনো বহু মানুষ আহত এবং বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে অনবরত আফটারশক, নড়বড়ে হয়ে পড়া অবকাঠামো এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে উদ্ধারকর্মীদের বেগ পেতে হচ্ছে।
মিন্দানাও উপকূলের কাছে আঘাত হানা ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পটি পুরো দক্ষিণ ফিলিপাইনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। এতে বিপুল সংখ্যক ঘরবাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল ও সরকারি স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে জেনারেল সান্তোস সিটি এবং সারাঙ্গানি প্রদেশের কিছু অংশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে জরুরি পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করতে দুর্যোগ অবস্থা ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে হাজার হাজার গৃহহীন বাসিন্দা বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসন তাদের মাঝে জরুরি খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর স্থায়িত্ব পরীক্ষা করছে। ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অফ ভলক্যানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজি জানিয়েছে, মূল ভূমিকম্পের পর অসংখ্য আফটারশক বা অনুকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে, যার ফলে বাসিন্দাদের ফাটল ধরা বা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, দেশটির রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়ে জাতীয় সংস্থাগুলোকে দ্রুত পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৪৬, নিখোঁজ ১৭ 


