থাইল্যান্ডে স্কুলের পর এবার সরকারি অফিসে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ১

থাইল্যান্ডে স্কুলের পর এবার সরকারি অফিসে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ১
সিজেডএন ডেস্ক

থাইল্যান্ডে স্কুলে এক কিশোরের ভয়াবহ বন্দুক হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও রক্তাক্ত হলো থাই রাজধানী ব্যাংকক। সোমবার (১০ আগস্ট) ননথাবুরি প্রদেশের একটি স্থানীয় সরকারি কার্যালয়ে ঢুকে এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছেন সাবেক এক আইনপ্রণেতা। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়েই এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পুলিশ জানায়, চালং রিউরাং নামে ওই সাবেক আইনপ্রণেতা পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ননথাবুরি প্রাদেশিক প্রশাসনিক সংগঠনের চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় ফরা নাং ক্লাও হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনায় ওই কর্মকর্তার গাড়িচালকও আহত হয়েছেন, তবে তিনি শংকামুক্ত। অভিযুক্ত চালং পুলিশের কাছে দাবি করেন, দেনা-পাওনার হিসাব মেটাতে কথা বলতে গেলে নিহত কর্মকর্তা গাড়ি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পিস্তল বের করেছিলেন, যার জবাবে তিনি গুলি চালান। তবে নিহত কর্মকর্তা আসলেই সশস্ত্র ছিলেন কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটিকে ব্যক্তিগত শত্রুতার জের বলেই মনে করছে।
এর আগে শুক্রবার (৭ আগস্ট) এ ননথাবুরি প্রদেশেই ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর নিজের বাড়ি ও একটি স্কুলে নির্বিচার হামলা চালিয়ে ৯ জনকে হত্যা ও ২০ জনেরও বেশি মানুষকে আহত করে। যা বিগত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী বন্দুক হামলা। সাপ্তাহিক ছুটির পর শিক্ষার্থীরা স্কুলে ফিরলে আতঙ্কের ছায়া দেখা যায় পুরো ব্যাংককজুড়ে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চালিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে প্রবেশ করানো হচ্ছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে থাইল্যান্ডের শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী তিন মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, জরুরি ড্রিল ও বুলিং প্রতিরোধের মতো নতুন নিরাপত্তা কৌশল তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
পরপর দুটি ভয়াবহ ঘটনার পর দেশজুড়ে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার কড়া ঘোষণা দিয়েছেন থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল। প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা বন্ধে পুলিশকে কঠোর তল্লাশির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, আত্মরক্ষার অজুহাতেও কেউ অস্ত্র বহনের সুযোগ পাবে না। থাইল্যান্ডে সাধারণ মানুষের হাতে আনুমানিক ১ কোটি ৩ লাখের বেশি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা না থাকা এবং ঢিলেঢালা লাইসেন্স ব্যবস্থার কারণেই থাইল্যান্ডে অস্ত্র সহিংসতা দিন দিন অনিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠছে।
সূত্র: এনবিসি নিউজ

থাইল্যান্ডে স্কুলে এক কিশোরের ভয়াবহ বন্দুক হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও রক্তাক্ত হলো থাই রাজধানী ব্যাংকক। সোমবার (১০ আগস্ট) ননথাবুরি প্রদেশের একটি স্থানীয় সরকারি কার্যালয়ে ঢুকে এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছেন সাবেক এক আইনপ্রণেতা। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়েই এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পুলিশ জানায়, চালং রিউরাং নামে ওই সাবেক আইনপ্রণেতা পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ননথাবুরি প্রাদেশিক প্রশাসনিক সংগঠনের চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় ফরা নাং ক্লাও হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনায় ওই কর্মকর্তার গাড়িচালকও আহত হয়েছেন, তবে তিনি শংকামুক্ত। অভিযুক্ত চালং পুলিশের কাছে দাবি করেন, দেনা-পাওনার হিসাব মেটাতে কথা বলতে গেলে নিহত কর্মকর্তা গাড়ি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পিস্তল বের করেছিলেন, যার জবাবে তিনি গুলি চালান। তবে নিহত কর্মকর্তা আসলেই সশস্ত্র ছিলেন কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটিকে ব্যক্তিগত শত্রুতার জের বলেই মনে করছে।
এর আগে শুক্রবার (৭ আগস্ট) এ ননথাবুরি প্রদেশেই ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর নিজের বাড়ি ও একটি স্কুলে নির্বিচার হামলা চালিয়ে ৯ জনকে হত্যা ও ২০ জনেরও বেশি মানুষকে আহত করে। যা বিগত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী বন্দুক হামলা। সাপ্তাহিক ছুটির পর শিক্ষার্থীরা স্কুলে ফিরলে আতঙ্কের ছায়া দেখা যায় পুরো ব্যাংককজুড়ে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চালিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে প্রবেশ করানো হচ্ছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে থাইল্যান্ডের শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী তিন মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, জরুরি ড্রিল ও বুলিং প্রতিরোধের মতো নতুন নিরাপত্তা কৌশল তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
পরপর দুটি ভয়াবহ ঘটনার পর দেশজুড়ে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার কড়া ঘোষণা দিয়েছেন থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল। প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা বন্ধে পুলিশকে কঠোর তল্লাশির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, আত্মরক্ষার অজুহাতেও কেউ অস্ত্র বহনের সুযোগ পাবে না। থাইল্যান্ডে সাধারণ মানুষের হাতে আনুমানিক ১ কোটি ৩ লাখের বেশি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা না থাকা এবং ঢিলেঢালা লাইসেন্স ব্যবস্থার কারণেই থাইল্যান্ডে অস্ত্র সহিংসতা দিন দিন অনিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠছে।
সূত্র: এনবিসি নিউজ

থাইল্যান্ডে স্কুলের পর এবার সরকারি অফিসে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ১
সিজেডএন ডেস্ক

থাইল্যান্ডে স্কুলে এক কিশোরের ভয়াবহ বন্দুক হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও রক্তাক্ত হলো থাই রাজধানী ব্যাংকক। সোমবার (১০ আগস্ট) ননথাবুরি প্রদেশের একটি স্থানীয় সরকারি কার্যালয়ে ঢুকে এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছেন সাবেক এক আইনপ্রণেতা। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়েই এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পুলিশ জানায়, চালং রিউরাং নামে ওই সাবেক আইনপ্রণেতা পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ননথাবুরি প্রাদেশিক প্রশাসনিক সংগঠনের চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় ফরা নাং ক্লাও হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনায় ওই কর্মকর্তার গাড়িচালকও আহত হয়েছেন, তবে তিনি শংকামুক্ত। অভিযুক্ত চালং পুলিশের কাছে দাবি করেন, দেনা-পাওনার হিসাব মেটাতে কথা বলতে গেলে নিহত কর্মকর্তা গাড়ি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পিস্তল বের করেছিলেন, যার জবাবে তিনি গুলি চালান। তবে নিহত কর্মকর্তা আসলেই সশস্ত্র ছিলেন কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটিকে ব্যক্তিগত শত্রুতার জের বলেই মনে করছে।
এর আগে শুক্রবার (৭ আগস্ট) এ ননথাবুরি প্রদেশেই ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর নিজের বাড়ি ও একটি স্কুলে নির্বিচার হামলা চালিয়ে ৯ জনকে হত্যা ও ২০ জনেরও বেশি মানুষকে আহত করে। যা বিগত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী বন্দুক হামলা। সাপ্তাহিক ছুটির পর শিক্ষার্থীরা স্কুলে ফিরলে আতঙ্কের ছায়া দেখা যায় পুরো ব্যাংককজুড়ে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চালিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে প্রবেশ করানো হচ্ছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে থাইল্যান্ডের শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী তিন মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, জরুরি ড্রিল ও বুলিং প্রতিরোধের মতো নতুন নিরাপত্তা কৌশল তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
পরপর দুটি ভয়াবহ ঘটনার পর দেশজুড়ে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার কড়া ঘোষণা দিয়েছেন থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল। প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা বন্ধে পুলিশকে কঠোর তল্লাশির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, আত্মরক্ষার অজুহাতেও কেউ অস্ত্র বহনের সুযোগ পাবে না। থাইল্যান্ডে সাধারণ মানুষের হাতে আনুমানিক ১ কোটি ৩ লাখের বেশি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা না থাকা এবং ঢিলেঢালা লাইসেন্স ব্যবস্থার কারণেই থাইল্যান্ডে অস্ত্র সহিংসতা দিন দিন অনিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠছে।
সূত্র: এনবিসি নিউজ

থাইল্যান্ডে দাদা-দাদিকে হত্যার পর স্কুলে ছাত্রের এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ৭







