মধ্যপ্রাচ্যে ১ হাজার প্যারাট্রুপার পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে ১ হাজার প্যারাট্রুপার পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেই ওই অঞ্চলে আরও এক হাজার প্যারাট্রুপার মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দুটি বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের বিশাল সৈন্যদল আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে।
এর ফলে ওই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের সামরিক উপস্থিতি ও শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, তারা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে তেহরানের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রেখেছে, তবে বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, মোতায়েন হতে যাওয়া এই সেনাদলে ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল ব্র্যান্ডন টেগটমায়ার এবং ডিভিশন স্টাফরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এর পাশাপাশি ১ম ব্রিগেড কমব্যাট টিমের একটি ব্যাটালিয়নও যাচ্ছে, যারা বর্তমানে ডিভিশনের 'ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্স' (আইআরএফ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
আশা করা হচ্ছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ডিভিশন স্টাফ ও ব্যাটালিয়নের প্রাথমিক অংশ মোতায়েন শুরু হবে। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে ব্রিগেডের অন্যান্য অংশকেও সেখানে পাঠানো হতে পারে। মূলত ব্রিগেডটি মধ্যপ্রাচ্যে এমন একটি ইউনিট হিসেবে কাজ করবে, যাদেরকে যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক তলব করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানি হত্যার পরও ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের আজ ২৬তম দিন অতিবাহিত হচ্ছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি এ হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
বর্তমানে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ 'হরমুজ প্রণালি'। তেহরান কার্যত প্রণালিটি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা ও সংকট দেখা দিয়েছে। এ সংকটময় মুহূর্তে মার্কিন প্যারাট্রুপার মোতায়েন অঞ্চলটিতে যুদ্ধের দাবানল আরও উসকে দেয় কি না, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: সিএনএন

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেই ওই অঞ্চলে আরও এক হাজার প্যারাট্রুপার মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দুটি বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের বিশাল সৈন্যদল আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে।
এর ফলে ওই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের সামরিক উপস্থিতি ও শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, তারা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে তেহরানের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রেখেছে, তবে বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, মোতায়েন হতে যাওয়া এই সেনাদলে ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল ব্র্যান্ডন টেগটমায়ার এবং ডিভিশন স্টাফরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এর পাশাপাশি ১ম ব্রিগেড কমব্যাট টিমের একটি ব্যাটালিয়নও যাচ্ছে, যারা বর্তমানে ডিভিশনের 'ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্স' (আইআরএফ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
আশা করা হচ্ছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ডিভিশন স্টাফ ও ব্যাটালিয়নের প্রাথমিক অংশ মোতায়েন শুরু হবে। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে ব্রিগেডের অন্যান্য অংশকেও সেখানে পাঠানো হতে পারে। মূলত ব্রিগেডটি মধ্যপ্রাচ্যে এমন একটি ইউনিট হিসেবে কাজ করবে, যাদেরকে যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক তলব করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানি হত্যার পরও ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের আজ ২৬তম দিন অতিবাহিত হচ্ছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি এ হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
বর্তমানে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ 'হরমুজ প্রণালি'। তেহরান কার্যত প্রণালিটি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা ও সংকট দেখা দিয়েছে। এ সংকটময় মুহূর্তে মার্কিন প্যারাট্রুপার মোতায়েন অঞ্চলটিতে যুদ্ধের দাবানল আরও উসকে দেয় কি না, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: সিএনএন

মধ্যপ্রাচ্যে ১ হাজার প্যারাট্রুপার পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেই ওই অঞ্চলে আরও এক হাজার প্যারাট্রুপার মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দুটি বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের বিশাল সৈন্যদল আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে।
এর ফলে ওই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের সামরিক উপস্থিতি ও শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, তারা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে তেহরানের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রেখেছে, তবে বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, মোতায়েন হতে যাওয়া এই সেনাদলে ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল ব্র্যান্ডন টেগটমায়ার এবং ডিভিশন স্টাফরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এর পাশাপাশি ১ম ব্রিগেড কমব্যাট টিমের একটি ব্যাটালিয়নও যাচ্ছে, যারা বর্তমানে ডিভিশনের 'ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্স' (আইআরএফ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
আশা করা হচ্ছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ডিভিশন স্টাফ ও ব্যাটালিয়নের প্রাথমিক অংশ মোতায়েন শুরু হবে। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে ব্রিগেডের অন্যান্য অংশকেও সেখানে পাঠানো হতে পারে। মূলত ব্রিগেডটি মধ্যপ্রাচ্যে এমন একটি ইউনিট হিসেবে কাজ করবে, যাদেরকে যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক তলব করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানি হত্যার পরও ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের আজ ২৬তম দিন অতিবাহিত হচ্ছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি এ হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
বর্তমানে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ 'হরমুজ প্রণালি'। তেহরান কার্যত প্রণালিটি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা ও সংকট দেখা দিয়েছে। এ সংকটময় মুহূর্তে মার্কিন প্যারাট্রুপার মোতায়েন অঞ্চলটিতে যুদ্ধের দাবানল আরও উসকে দেয় কি না, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: সিএনএন




