জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে নতুন উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে নতুন উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাসপোর্ট পাওয়ার দিন হয়তো শেষ হতে চলেছে। এখন থেকে শিশুর পাসপোর্টের আবেদনের সময় মা-বাবাকেও নিজেদের নাগরিকত্ব কিংবা সে দেশে থাকার বৈধতার প্রমাণ দিতে হতে পারে। জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব সীমিত করা এবং বার্থ ট্যুরিজম বা কেবল সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া থামাতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক খসড়া নির্দেশিকায় এ প্রস্তাব করা হয়েছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বর্তমান নিয়মে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া কোনো শিশুর জন্য পাসপোর্টের আবেদন করতে গেলে মা-বাবাকে কেবল সন্তানের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের প্রমাণপত্র ও একটি সাধারণ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র দেখাতে হতো। ফর্মে নাগরিকত্বের তথ্যের জায়গা থাকলেও তার সপক্ষে বাড়তি কোনো নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল না। তবে নতুন নিয়ম চালু হলে মা-বাবা বা আইনি অভিভাবকদের নিজেদের বৈধ মার্কিন পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধনপত্র জমা দিতে হবে। আর অভিবাসী অভিভাবকদের ক্ষেত্রে দেখাতে হবে স্থায়ী বসবাসের গ্রিন কার্ড কিংবা আই-৯৪ (I-94) ফর্ম।
নতুন নিয়মের প্রেক্ষাপট টেনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট রয়টার্সকে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার প্রশাসন মার্কিন নাগরিকত্বের অর্থ ও মর্যাদা পুরোপুরি রক্ষা করবে।
৬ আগস্ট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জারি করা নির্বাহী আদেশ ১৪৪১৮ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই পররাষ্ট্র দপ্তর নতুন এ খসড়া সাজিয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, আবেদনকারী শিশুটি নতুন বিধি অনুযায়ী মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উপযুক্ত কি না তা ভালোভাব যাচাই করা।
অবশ্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার ঐতিহাসিক সুবিধা সংকুচিত করার ট্রাম্পের চেষ্টা নতুন নয়। এর আগেও তিনি আদেশ দিয়েছিলেন, মা-বাবার অন্তত একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারী না হলে শিশু সরাসরি নাগরিকত্ব পাবে না। কিন্তু মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ৬-৩ ভোটের ব্যবধানে সে আদেশকে অসাংবিধানিক ও দেশের সংবিধানে থাকা ১৪তম সংশোধনীর পরিপন্থী বলে রায় দেন। আইনি ধাক্কা সত্ত্বেও পররাষ্ট্র দপ্তরের খসড়ার মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন মূলত ভিন্ন পথে তাদের সেই কঠোর নীতিই বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাসপোর্ট পাওয়ার দিন হয়তো শেষ হতে চলেছে। এখন থেকে শিশুর পাসপোর্টের আবেদনের সময় মা-বাবাকেও নিজেদের নাগরিকত্ব কিংবা সে দেশে থাকার বৈধতার প্রমাণ দিতে হতে পারে। জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব সীমিত করা এবং বার্থ ট্যুরিজম বা কেবল সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া থামাতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক খসড়া নির্দেশিকায় এ প্রস্তাব করা হয়েছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বর্তমান নিয়মে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া কোনো শিশুর জন্য পাসপোর্টের আবেদন করতে গেলে মা-বাবাকে কেবল সন্তানের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের প্রমাণপত্র ও একটি সাধারণ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র দেখাতে হতো। ফর্মে নাগরিকত্বের তথ্যের জায়গা থাকলেও তার সপক্ষে বাড়তি কোনো নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল না। তবে নতুন নিয়ম চালু হলে মা-বাবা বা আইনি অভিভাবকদের নিজেদের বৈধ মার্কিন পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধনপত্র জমা দিতে হবে। আর অভিবাসী অভিভাবকদের ক্ষেত্রে দেখাতে হবে স্থায়ী বসবাসের গ্রিন কার্ড কিংবা আই-৯৪ (I-94) ফর্ম।
নতুন নিয়মের প্রেক্ষাপট টেনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট রয়টার্সকে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার প্রশাসন মার্কিন নাগরিকত্বের অর্থ ও মর্যাদা পুরোপুরি রক্ষা করবে।
৬ আগস্ট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জারি করা নির্বাহী আদেশ ১৪৪১৮ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই পররাষ্ট্র দপ্তর নতুন এ খসড়া সাজিয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, আবেদনকারী শিশুটি নতুন বিধি অনুযায়ী মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উপযুক্ত কি না তা ভালোভাব যাচাই করা।
অবশ্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার ঐতিহাসিক সুবিধা সংকুচিত করার ট্রাম্পের চেষ্টা নতুন নয়। এর আগেও তিনি আদেশ দিয়েছিলেন, মা-বাবার অন্তত একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারী না হলে শিশু সরাসরি নাগরিকত্ব পাবে না। কিন্তু মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ৬-৩ ভোটের ব্যবধানে সে আদেশকে অসাংবিধানিক ও দেশের সংবিধানে থাকা ১৪তম সংশোধনীর পরিপন্থী বলে রায় দেন। আইনি ধাক্কা সত্ত্বেও পররাষ্ট্র দপ্তরের খসড়ার মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন মূলত ভিন্ন পথে তাদের সেই কঠোর নীতিই বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে নতুন উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাসপোর্ট পাওয়ার দিন হয়তো শেষ হতে চলেছে। এখন থেকে শিশুর পাসপোর্টের আবেদনের সময় মা-বাবাকেও নিজেদের নাগরিকত্ব কিংবা সে দেশে থাকার বৈধতার প্রমাণ দিতে হতে পারে। জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব সীমিত করা এবং বার্থ ট্যুরিজম বা কেবল সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া থামাতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক খসড়া নির্দেশিকায় এ প্রস্তাব করা হয়েছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বর্তমান নিয়মে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া কোনো শিশুর জন্য পাসপোর্টের আবেদন করতে গেলে মা-বাবাকে কেবল সন্তানের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের প্রমাণপত্র ও একটি সাধারণ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র দেখাতে হতো। ফর্মে নাগরিকত্বের তথ্যের জায়গা থাকলেও তার সপক্ষে বাড়তি কোনো নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল না। তবে নতুন নিয়ম চালু হলে মা-বাবা বা আইনি অভিভাবকদের নিজেদের বৈধ মার্কিন পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধনপত্র জমা দিতে হবে। আর অভিবাসী অভিভাবকদের ক্ষেত্রে দেখাতে হবে স্থায়ী বসবাসের গ্রিন কার্ড কিংবা আই-৯৪ (I-94) ফর্ম।
নতুন নিয়মের প্রেক্ষাপট টেনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট রয়টার্সকে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার প্রশাসন মার্কিন নাগরিকত্বের অর্থ ও মর্যাদা পুরোপুরি রক্ষা করবে।
৬ আগস্ট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জারি করা নির্বাহী আদেশ ১৪৪১৮ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই পররাষ্ট্র দপ্তর নতুন এ খসড়া সাজিয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, আবেদনকারী শিশুটি নতুন বিধি অনুযায়ী মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উপযুক্ত কি না তা ভালোভাব যাচাই করা।
অবশ্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার ঐতিহাসিক সুবিধা সংকুচিত করার ট্রাম্পের চেষ্টা নতুন নয়। এর আগেও তিনি আদেশ দিয়েছিলেন, মা-বাবার অন্তত একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারী না হলে শিশু সরাসরি নাগরিকত্ব পাবে না। কিন্তু মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ৬-৩ ভোটের ব্যবধানে সে আদেশকে অসাংবিধানিক ও দেশের সংবিধানে থাকা ১৪তম সংশোধনীর পরিপন্থী বলে রায় দেন। আইনি ধাক্কা সত্ত্বেও পররাষ্ট্র দপ্তরের খসড়ার মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন মূলত ভিন্ন পথে তাদের সেই কঠোর নীতিই বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের


-CznNewsLab-32d440.jpg)



