বাংলাদেশের গণমাধ্যম ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের গণমাধ্যম ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় কিছুটা এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ফেনী-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম, ভারতের ১৫৭তম এবং পাকিস্তানের ১৫৩তম। অর্থাৎ ওই সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় কিছুটা অগ্রবর্তী। তবে কোনো দেশের সঙ্গে তুলনার ভিত্তিতে নয়, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত মতপ্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সমুন্নত রেখে একটি স্বাধীন, দায়িত্বশীল, বস্তুনিষ্ঠ ও পেশাদার গণমাধ্যম ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে স্বাধীন ও শক্তিশালী জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে আরো সুসংহত করার লক্ষ্যে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪ যুগোপযোগী করার পাশাপাশি সম্প্রচার আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
ইয়াসির খান বলেন, অপতথ্য, গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে তথ্য যাচাই এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সাংবাদিকতার পেশাগত মান, নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির জন্যও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়; বরং গণমাধ্যমের স্বাধীন, নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও পেশাদার বিকাশের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা।

২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় কিছুটা এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ফেনী-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম, ভারতের ১৫৭তম এবং পাকিস্তানের ১৫৩তম। অর্থাৎ ওই সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় কিছুটা অগ্রবর্তী। তবে কোনো দেশের সঙ্গে তুলনার ভিত্তিতে নয়, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত মতপ্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সমুন্নত রেখে একটি স্বাধীন, দায়িত্বশীল, বস্তুনিষ্ঠ ও পেশাদার গণমাধ্যম ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে স্বাধীন ও শক্তিশালী জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে আরো সুসংহত করার লক্ষ্যে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪ যুগোপযোগী করার পাশাপাশি সম্প্রচার আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
ইয়াসির খান বলেন, অপতথ্য, গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে তথ্য যাচাই এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সাংবাদিকতার পেশাগত মান, নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির জন্যও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়; বরং গণমাধ্যমের স্বাধীন, নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও পেশাদার বিকাশের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের গণমাধ্যম ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় কিছুটা এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ফেনী-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম, ভারতের ১৫৭তম এবং পাকিস্তানের ১৫৩তম। অর্থাৎ ওই সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় কিছুটা অগ্রবর্তী। তবে কোনো দেশের সঙ্গে তুলনার ভিত্তিতে নয়, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত মতপ্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সমুন্নত রেখে একটি স্বাধীন, দায়িত্বশীল, বস্তুনিষ্ঠ ও পেশাদার গণমাধ্যম ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে স্বাধীন ও শক্তিশালী জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে আরো সুসংহত করার লক্ষ্যে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪ যুগোপযোগী করার পাশাপাশি সম্প্রচার আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
ইয়াসির খান বলেন, অপতথ্য, গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে তথ্য যাচাই এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সাংবাদিকতার পেশাগত মান, নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির জন্যও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়; বরং গণমাধ্যমের স্বাধীন, নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও পেশাদার বিকাশের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা।

বিএনপি কোনো বট-বাহিনী চালায় না, সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী





