হৃদয়ের মহাকাব্যিক ৩৫০, বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ

হৃদয়ের মহাকাব্যিক ৩৫০, বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে স্বাগতিক ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচে ব্যাট হাতে অবিশ্বাস্য ইতিহাস লিখেছেন তাওহীদ হৃদয়। ধৈর্য ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনীতে ৪৮২ বলে অপরাজিত ৩৫০ রানের এক মহাকাব্যিক ইনিংস উপহার দিয়েছেন এ ব্যাটার। হৃদয়ের এ অনবদ্য ট্রিপল সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই ৮ উইকেটে ৬৭৬ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ফলে স্বাগতিকদের টপকে প্রথম ইনিংসে ১৬৪ রানের লিড নিশ্চিত হয় সফরকারীদের।
এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১১৫.১ ওভারে ৫১২ রানের পাহাড় গড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’। ইনিংসে লেসেগো সেনোকওয়ান ১১১, সিনেথেম্বা কেশিল ১২৮ এবং গ্যাভিন কাপলান করেন ৯৭ রানের। বাংলাদেশের হয়ে লেগ স্পিনার নাঈম হাসান ৪টি এবং হাসান মুরাদ ৩টি করে উইকেট তুলে নেন। জবাবে বাংলাদেশ দলের সূচনাটা মোটেই সুবিধার ছিল না। মাহমুদুল হাসান জয় (৯), পারভেজ হোসেন ইমন (৫) ও মোহাম্মদ নাঈম (৩৪) দ্রুত সাজঘরে ফিরলে মাত্র ১৩৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।
সেই বিপর্যয় থেকেই দলকে টেনে তোলার মূল দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক হৃদয়। পঞ্চম উইকেটে জাকের আলীর সঙ্গে গড়ে তোলেন ১৫১ রানের জুটি। ৯৪ রান করে জাকের আউট হলে ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে সঙ্গী করেন তিনি। সেখানে যোগ হয় আরও ১৮৫ রান। সাইফউদ্দিন ৮৭ রানে বিদায় নিলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রাখেন হৃদয়। আগের দিন ২০৪ রানে অপরাজিত থাকার পর চতুর্থ দিনে এসে তিনি ছাড়িয়ে যান সব রেকর্ড।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এর আগে ২০২১-২২ মৌসুমে সাউথ জোনের হয়ে ২১৭ রান ছিল হৃদয়ের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। দেশের মাটিতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করার কীর্তি তামিম ইকবাল (৩৩৪) ও রকিবুল হাসানের (৩১৩) থাকলেও বিদেশের মাটিতে প্রথম কোনো বাংলাদেশী ব্যাটার হিসেবে ৩০০ পেরোনোর অনন্য রেকর্ড এখন হৃদয়ের দখলেই।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নিয়মিত রান করা হৃদয় এ অবিশ্বাস্য ইনিংসের মাধ্যমে লাল বলের ক্রিকেটেও নিজের কার্যকারিতা ও লম্বা সময় ব্যাটিং করার সামর্থ্য প্রমাণ করলেন। চার দিনের ম্যাচের বাধ্যবাধকতায় ফলের হিসাব যাই হোক না কেন, পচেফস্ট্রুমের ৪৮২ বলের এ মহাকাব্যিক লড়াই বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে আলাদা এক স্থান তৈরি করে নিল।

দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে স্বাগতিক ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচে ব্যাট হাতে অবিশ্বাস্য ইতিহাস লিখেছেন তাওহীদ হৃদয়। ধৈর্য ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনীতে ৪৮২ বলে অপরাজিত ৩৫০ রানের এক মহাকাব্যিক ইনিংস উপহার দিয়েছেন এ ব্যাটার। হৃদয়ের এ অনবদ্য ট্রিপল সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই ৮ উইকেটে ৬৭৬ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ফলে স্বাগতিকদের টপকে প্রথম ইনিংসে ১৬৪ রানের লিড নিশ্চিত হয় সফরকারীদের।
এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১১৫.১ ওভারে ৫১২ রানের পাহাড় গড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’। ইনিংসে লেসেগো সেনোকওয়ান ১১১, সিনেথেম্বা কেশিল ১২৮ এবং গ্যাভিন কাপলান করেন ৯৭ রানের। বাংলাদেশের হয়ে লেগ স্পিনার নাঈম হাসান ৪টি এবং হাসান মুরাদ ৩টি করে উইকেট তুলে নেন। জবাবে বাংলাদেশ দলের সূচনাটা মোটেই সুবিধার ছিল না। মাহমুদুল হাসান জয় (৯), পারভেজ হোসেন ইমন (৫) ও মোহাম্মদ নাঈম (৩৪) দ্রুত সাজঘরে ফিরলে মাত্র ১৩৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।
সেই বিপর্যয় থেকেই দলকে টেনে তোলার মূল দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক হৃদয়। পঞ্চম উইকেটে জাকের আলীর সঙ্গে গড়ে তোলেন ১৫১ রানের জুটি। ৯৪ রান করে জাকের আউট হলে ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে সঙ্গী করেন তিনি। সেখানে যোগ হয় আরও ১৮৫ রান। সাইফউদ্দিন ৮৭ রানে বিদায় নিলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রাখেন হৃদয়। আগের দিন ২০৪ রানে অপরাজিত থাকার পর চতুর্থ দিনে এসে তিনি ছাড়িয়ে যান সব রেকর্ড।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এর আগে ২০২১-২২ মৌসুমে সাউথ জোনের হয়ে ২১৭ রান ছিল হৃদয়ের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। দেশের মাটিতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করার কীর্তি তামিম ইকবাল (৩৩৪) ও রকিবুল হাসানের (৩১৩) থাকলেও বিদেশের মাটিতে প্রথম কোনো বাংলাদেশী ব্যাটার হিসেবে ৩০০ পেরোনোর অনন্য রেকর্ড এখন হৃদয়ের দখলেই।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নিয়মিত রান করা হৃদয় এ অবিশ্বাস্য ইনিংসের মাধ্যমে লাল বলের ক্রিকেটেও নিজের কার্যকারিতা ও লম্বা সময় ব্যাটিং করার সামর্থ্য প্রমাণ করলেন। চার দিনের ম্যাচের বাধ্যবাধকতায় ফলের হিসাব যাই হোক না কেন, পচেফস্ট্রুমের ৪৮২ বলের এ মহাকাব্যিক লড়াই বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে আলাদা এক স্থান তৈরি করে নিল।

হৃদয়ের মহাকাব্যিক ৩৫০, বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে স্বাগতিক ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচে ব্যাট হাতে অবিশ্বাস্য ইতিহাস লিখেছেন তাওহীদ হৃদয়। ধৈর্য ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনীতে ৪৮২ বলে অপরাজিত ৩৫০ রানের এক মহাকাব্যিক ইনিংস উপহার দিয়েছেন এ ব্যাটার। হৃদয়ের এ অনবদ্য ট্রিপল সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই ৮ উইকেটে ৬৭৬ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ফলে স্বাগতিকদের টপকে প্রথম ইনিংসে ১৬৪ রানের লিড নিশ্চিত হয় সফরকারীদের।
এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১১৫.১ ওভারে ৫১২ রানের পাহাড় গড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’। ইনিংসে লেসেগো সেনোকওয়ান ১১১, সিনেথেম্বা কেশিল ১২৮ এবং গ্যাভিন কাপলান করেন ৯৭ রানের। বাংলাদেশের হয়ে লেগ স্পিনার নাঈম হাসান ৪টি এবং হাসান মুরাদ ৩টি করে উইকেট তুলে নেন। জবাবে বাংলাদেশ দলের সূচনাটা মোটেই সুবিধার ছিল না। মাহমুদুল হাসান জয় (৯), পারভেজ হোসেন ইমন (৫) ও মোহাম্মদ নাঈম (৩৪) দ্রুত সাজঘরে ফিরলে মাত্র ১৩৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।
সেই বিপর্যয় থেকেই দলকে টেনে তোলার মূল দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক হৃদয়। পঞ্চম উইকেটে জাকের আলীর সঙ্গে গড়ে তোলেন ১৫১ রানের জুটি। ৯৪ রান করে জাকের আউট হলে ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে সঙ্গী করেন তিনি। সেখানে যোগ হয় আরও ১৮৫ রান। সাইফউদ্দিন ৮৭ রানে বিদায় নিলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রাখেন হৃদয়। আগের দিন ২০৪ রানে অপরাজিত থাকার পর চতুর্থ দিনে এসে তিনি ছাড়িয়ে যান সব রেকর্ড।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এর আগে ২০২১-২২ মৌসুমে সাউথ জোনের হয়ে ২১৭ রান ছিল হৃদয়ের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। দেশের মাটিতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করার কীর্তি তামিম ইকবাল (৩৩৪) ও রকিবুল হাসানের (৩১৩) থাকলেও বিদেশের মাটিতে প্রথম কোনো বাংলাদেশী ব্যাটার হিসেবে ৩০০ পেরোনোর অনন্য রেকর্ড এখন হৃদয়ের দখলেই।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নিয়মিত রান করা হৃদয় এ অবিশ্বাস্য ইনিংসের মাধ্যমে লাল বলের ক্রিকেটেও নিজের কার্যকারিতা ও লম্বা সময় ব্যাটিং করার সামর্থ্য প্রমাণ করলেন। চার দিনের ম্যাচের বাধ্যবাধকতায় ফলের হিসাব যাই হোক না কেন, পচেফস্ট্রুমের ৪৮২ বলের এ মহাকাব্যিক লড়াই বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে আলাদা এক স্থান তৈরি করে নিল।

ইতিহাস গড়ে হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি






