১৭২ কোটি টাকায় নির্মাণ হবে র্যাবের ১১ তলা ভবন

১৭২ কোটি টাকায় নির্মাণ হবে র্যাবের ১১ তলা ভবন
বিশেষ প্রতিনিধি

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সদর দপ্তরের জন্য রাজধানীতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত প্রায় ১৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ তলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। চুক্তির পর ১৮ মাসব্যাপী এই কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর। তিনটি বেজমেন্ট ও উপরে আট তলাসহ ১৫ তলা ভবনের ভিত্তি নির্মাণ করা হবে। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রস্তাব পাঠায়। এতে ব্যয় ধরা হয় ১৭১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাচ্ছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম জামান অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড।
জানা গেছে, প্রকল্পটির আওতায় উল্লেখযোগ্য নির্মাণকাজের মধ্যে রয়েছে—১৫ তলা ফাউন্ডেশনসহ ১১ তলা র্যাব হেডকোয়ার্টার্স ভবন নির্মাণ, ডিজি অফিস, তিনটি বেজমেন্ট, গ্রাউন্ড ফ্লোরে কার পার্কিং, তিনতলা ম্যাগাজিন বা কোর্ট ভবন, তিনতলা সাব-স্টেশন ভবন, স্টোর, পাম্প হাউস উইথ রিজার্ভার, ডিপ টিউবওয়েল, পানি সরবরাহ ও বিতরণ লাইন, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, কার ওয়াশ, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং, স্যালুটিং ডায়াস, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ও এক্সটার্নাল ইলেকট্রিফিকেশন। ছয়টি লিফ্ট, এয়ার কুলার, ল্যান, ফোর্সড ভেন্টিলেশন সিস্টেম এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, র্যাবের এই আধুনিক অবকাঠামো নির্মিত হলে তাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে।
জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (মহাখালী বিভাগ) মো. রাজিবুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, প্রস্তাবিত মূল্য ছিল ১৯০ কোটি টাকার মতো। পরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১০ শতাংশের বেশি কম মূল্যে কাজটি পায়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনপত্র হাতে পাওয়ার পর ঠিকাদারের সঙ্গে লিখিত চুক্তি হবে। এরপর নির্মাণকাজ শুরু হবে।

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সদর দপ্তরের জন্য রাজধানীতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত প্রায় ১৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ তলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। চুক্তির পর ১৮ মাসব্যাপী এই কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর। তিনটি বেজমেন্ট ও উপরে আট তলাসহ ১৫ তলা ভবনের ভিত্তি নির্মাণ করা হবে। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রস্তাব পাঠায়। এতে ব্যয় ধরা হয় ১৭১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাচ্ছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম জামান অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড।
জানা গেছে, প্রকল্পটির আওতায় উল্লেখযোগ্য নির্মাণকাজের মধ্যে রয়েছে—১৫ তলা ফাউন্ডেশনসহ ১১ তলা র্যাব হেডকোয়ার্টার্স ভবন নির্মাণ, ডিজি অফিস, তিনটি বেজমেন্ট, গ্রাউন্ড ফ্লোরে কার পার্কিং, তিনতলা ম্যাগাজিন বা কোর্ট ভবন, তিনতলা সাব-স্টেশন ভবন, স্টোর, পাম্প হাউস উইথ রিজার্ভার, ডিপ টিউবওয়েল, পানি সরবরাহ ও বিতরণ লাইন, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, কার ওয়াশ, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং, স্যালুটিং ডায়াস, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ও এক্সটার্নাল ইলেকট্রিফিকেশন। ছয়টি লিফ্ট, এয়ার কুলার, ল্যান, ফোর্সড ভেন্টিলেশন সিস্টেম এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, র্যাবের এই আধুনিক অবকাঠামো নির্মিত হলে তাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে।
জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (মহাখালী বিভাগ) মো. রাজিবুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, প্রস্তাবিত মূল্য ছিল ১৯০ কোটি টাকার মতো। পরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১০ শতাংশের বেশি কম মূল্যে কাজটি পায়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনপত্র হাতে পাওয়ার পর ঠিকাদারের সঙ্গে লিখিত চুক্তি হবে। এরপর নির্মাণকাজ শুরু হবে।

১৭২ কোটি টাকায় নির্মাণ হবে র্যাবের ১১ তলা ভবন
বিশেষ প্রতিনিধি

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সদর দপ্তরের জন্য রাজধানীতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত প্রায় ১৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ তলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। চুক্তির পর ১৮ মাসব্যাপী এই কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর। তিনটি বেজমেন্ট ও উপরে আট তলাসহ ১৫ তলা ভবনের ভিত্তি নির্মাণ করা হবে। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রস্তাব পাঠায়। এতে ব্যয় ধরা হয় ১৭১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাচ্ছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম জামান অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড।
জানা গেছে, প্রকল্পটির আওতায় উল্লেখযোগ্য নির্মাণকাজের মধ্যে রয়েছে—১৫ তলা ফাউন্ডেশনসহ ১১ তলা র্যাব হেডকোয়ার্টার্স ভবন নির্মাণ, ডিজি অফিস, তিনটি বেজমেন্ট, গ্রাউন্ড ফ্লোরে কার পার্কিং, তিনতলা ম্যাগাজিন বা কোর্ট ভবন, তিনতলা সাব-স্টেশন ভবন, স্টোর, পাম্প হাউস উইথ রিজার্ভার, ডিপ টিউবওয়েল, পানি সরবরাহ ও বিতরণ লাইন, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, কার ওয়াশ, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং, স্যালুটিং ডায়াস, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ও এক্সটার্নাল ইলেকট্রিফিকেশন। ছয়টি লিফ্ট, এয়ার কুলার, ল্যান, ফোর্সড ভেন্টিলেশন সিস্টেম এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, র্যাবের এই আধুনিক অবকাঠামো নির্মিত হলে তাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে।
জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (মহাখালী বিভাগ) মো. রাজিবুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, প্রস্তাবিত মূল্য ছিল ১৯০ কোটি টাকার মতো। পরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১০ শতাংশের বেশি কম মূল্যে কাজটি পায়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনপত্র হাতে পাওয়ার পর ঠিকাদারের সঙ্গে লিখিত চুক্তি হবে। এরপর নির্মাণকাজ শুরু হবে।







