পালিয়ে থাকায় চাকরি হারালেন পুলিশের আরও ৬ কর্মকর্তা

পালিয়ে থাকায় চাকরি হারালেন পুলিশের আরও ৬ কর্মকর্তা
বিশেষ প্রতিনিধি

অসদাচরণ, পলায়ন ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে এবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক যুগ্ম কমিশনারসহ ছয়জন চাকরি হারালেন। এছাড়া দুর্নীতির দায়ে একজন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) চাকরি হারিয়েছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডিবির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সঞ্চিত কুমার রায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ কারণে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি বিধিমালার উপবিধি ৩ (খ) ও ৩ (গ) অনুযায়ী অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া অন্যান্য কর্মকর্তারা হলেন—ডিএমপির সাবেক উপপুলিশ কমিশনার মানস কুমার পোদ্দার, যিনি ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। রংপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে সুপারনিউমারারি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) হাফিজ আল ফারুক ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে, পুলিশ স্টাফ কলেজের সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হাবিবুল্লাহ দালাল এবং বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার রাশেদুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ মার্চ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।
এ কারণে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি বিধিমালার উপবিধি ৩ (খ) ও ৩ (গ) অনুযায়ী তাদের স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে, রাজশাহী মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান উপপরিদর্শক (এসআই) পদে চাকরি দেওয়ার নামে মো. কামরুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির কাছে ১৭ লাখ টাকা দাবি করেন। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ৫ লাখ ৫২ হাজার ১৬৩ টাকা দেওয়া হয়। ওই ব্যক্তির চাকরি না হওয়ায় তিনি টাকা ফেরত চান। কিন্তু তার টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।
এ ঘটনায় কামরুজ্জামান পুলিশ সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর রুকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে দুর্নীতির দায়ে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অসদাচরণ, পলায়ন ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে এবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক যুগ্ম কমিশনারসহ ছয়জন চাকরি হারালেন। এছাড়া দুর্নীতির দায়ে একজন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) চাকরি হারিয়েছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডিবির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সঞ্চিত কুমার রায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ কারণে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি বিধিমালার উপবিধি ৩ (খ) ও ৩ (গ) অনুযায়ী অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া অন্যান্য কর্মকর্তারা হলেন—ডিএমপির সাবেক উপপুলিশ কমিশনার মানস কুমার পোদ্দার, যিনি ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। রংপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে সুপারনিউমারারি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) হাফিজ আল ফারুক ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে, পুলিশ স্টাফ কলেজের সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হাবিবুল্লাহ দালাল এবং বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার রাশেদুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ মার্চ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।
এ কারণে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি বিধিমালার উপবিধি ৩ (খ) ও ৩ (গ) অনুযায়ী তাদের স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে, রাজশাহী মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান উপপরিদর্শক (এসআই) পদে চাকরি দেওয়ার নামে মো. কামরুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির কাছে ১৭ লাখ টাকা দাবি করেন। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ৫ লাখ ৫২ হাজার ১৬৩ টাকা দেওয়া হয়। ওই ব্যক্তির চাকরি না হওয়ায় তিনি টাকা ফেরত চান। কিন্তু তার টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।
এ ঘটনায় কামরুজ্জামান পুলিশ সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর রুকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে দুর্নীতির দায়ে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

পালিয়ে থাকায় চাকরি হারালেন পুলিশের আরও ৬ কর্মকর্তা
বিশেষ প্রতিনিধি

অসদাচরণ, পলায়ন ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে এবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক যুগ্ম কমিশনারসহ ছয়জন চাকরি হারালেন। এছাড়া দুর্নীতির দায়ে একজন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) চাকরি হারিয়েছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডিবির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সঞ্চিত কুমার রায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ কারণে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি বিধিমালার উপবিধি ৩ (খ) ও ৩ (গ) অনুযায়ী অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া অন্যান্য কর্মকর্তারা হলেন—ডিএমপির সাবেক উপপুলিশ কমিশনার মানস কুমার পোদ্দার, যিনি ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। রংপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে সুপারনিউমারারি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) হাফিজ আল ফারুক ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে, পুলিশ স্টাফ কলেজের সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হাবিবুল্লাহ দালাল এবং বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার রাশেদুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ মার্চ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।
এ কারণে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি বিধিমালার উপবিধি ৩ (খ) ও ৩ (গ) অনুযায়ী তাদের স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে, রাজশাহী মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান উপপরিদর্শক (এসআই) পদে চাকরি দেওয়ার নামে মো. কামরুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির কাছে ১৭ লাখ টাকা দাবি করেন। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ৫ লাখ ৫২ হাজার ১৬৩ টাকা দেওয়া হয়। ওই ব্যক্তির চাকরি না হওয়ায় তিনি টাকা ফেরত চান। কিন্তু তার টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।
এ ঘটনায় কামরুজ্জামান পুলিশ সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর রুকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে দুর্নীতির দায়ে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।







