ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে ডেমোক্রেটিক পার্টির ৯৫ শতাংশ ভোটার

ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে ডেমোক্রেটিক পার্টির ৯৫ শতাংশ ভোটার
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধের পর থেকে মার্কিনিদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন ক্রমাগত কমছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এক জরিপে দেখা গেছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভোটার ইসরায়েলকে মার্কিন সামরিক সহায়তার বিরোধিতা করেছে। তিন বছর আগে যা ছিল ৪৫ শতাংশ।
বুধবার (২০ মে) প্রকাশিত ওই সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক ডেমোক্রেটিক ভোটার বলেছেন তাদের দল ইসরায়েলকে অতিরিক্ত সমর্থন করছে। অন্যদিকে ৯৫ শতাংশ ভোটার ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন।
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আগ্রাসী সামরিক অভিযানের কারণে সৃষ্ট ক্ষোভের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিষয়ে যে পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, এই সমীক্ষাটি তারই সর্বশেষ উদাহরণ।
যদিও ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে শক্তিশালী সামরিক, অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক সমর্থন পেয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মার্কিন সমাজের বিভিন্ন স্তরে, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট এবং প্রগতিশীলদের মধ্যে ইসরায়েলের জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।
জরিপে দেখা গেছে, ৬০ শতাংশ ডেমোক্রেটিক ভোটার বলেছেন, তারা ইসরায়েলের চেয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল। অন্যদিকে মাত্র ১৫ শতাংশ বলেছেন তারা ইসরায়েলের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল।
মার্কিন ভোটারদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন এখন মূলত বয়স্ক ভোটারদের মধ্যেই কেন্দ্রীভূত।
এপ্রিলে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক জরিপে দেখা গেছে, ১৮-৪৯ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাটদের ৮৪ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের ৫৭ শতাংশ ইসরায়েল সম্পর্কে বিরূপ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন। ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এই হার ছিল যথাক্রমে ৭৬ শতাংশ এবং ২৪ শতাংশ।
কিন্তু জনমতের এই পরিবর্তন এখনও ডেমোক্রেটিক পার্টির উচ্চ স্তরের নীতিগত পরিবর্তনে প্রতিফলিত হয়নি। দলটির একাধিক শীর্ষ নেতা এখনও ইসরায়েলের প্রতি কট্টর সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন।
রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ফেব্রুয়ারির শেষদিকে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে একটি যৌথ যুদ্ধ শুরু করেছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের লক্ষ্য ছিল এটা।
মার্কিন ডানপন্থীদের একাংশ ইসরায়েলের প্রতি ট্রাম্পের সমর্থন এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক হস্তক্ষেপকে তার ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ (ম্যাগএ) দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন। তবে পিউ-এর জরিপে দেখা গেছে, ৭৩ শতাংশ রিপাবলিকান মার্কিন-ইসরায়েল সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওপর আস্থা রাখেন।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান যুদ্ধের পর থেকে মার্কিনিদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন ক্রমাগত কমছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এক জরিপে দেখা গেছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভোটার ইসরায়েলকে মার্কিন সামরিক সহায়তার বিরোধিতা করেছে। তিন বছর আগে যা ছিল ৪৫ শতাংশ।
বুধবার (২০ মে) প্রকাশিত ওই সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক ডেমোক্রেটিক ভোটার বলেছেন তাদের দল ইসরায়েলকে অতিরিক্ত সমর্থন করছে। অন্যদিকে ৯৫ শতাংশ ভোটার ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন।
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আগ্রাসী সামরিক অভিযানের কারণে সৃষ্ট ক্ষোভের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিষয়ে যে পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, এই সমীক্ষাটি তারই সর্বশেষ উদাহরণ।
যদিও ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে শক্তিশালী সামরিক, অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক সমর্থন পেয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মার্কিন সমাজের বিভিন্ন স্তরে, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট এবং প্রগতিশীলদের মধ্যে ইসরায়েলের জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।
জরিপে দেখা গেছে, ৬০ শতাংশ ডেমোক্রেটিক ভোটার বলেছেন, তারা ইসরায়েলের চেয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল। অন্যদিকে মাত্র ১৫ শতাংশ বলেছেন তারা ইসরায়েলের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল।
মার্কিন ভোটারদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন এখন মূলত বয়স্ক ভোটারদের মধ্যেই কেন্দ্রীভূত।
এপ্রিলে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক জরিপে দেখা গেছে, ১৮-৪৯ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাটদের ৮৪ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের ৫৭ শতাংশ ইসরায়েল সম্পর্কে বিরূপ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন। ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এই হার ছিল যথাক্রমে ৭৬ শতাংশ এবং ২৪ শতাংশ।
কিন্তু জনমতের এই পরিবর্তন এখনও ডেমোক্রেটিক পার্টির উচ্চ স্তরের নীতিগত পরিবর্তনে প্রতিফলিত হয়নি। দলটির একাধিক শীর্ষ নেতা এখনও ইসরায়েলের প্রতি কট্টর সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন।
রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ফেব্রুয়ারির শেষদিকে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে একটি যৌথ যুদ্ধ শুরু করেছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের লক্ষ্য ছিল এটা।
মার্কিন ডানপন্থীদের একাংশ ইসরায়েলের প্রতি ট্রাম্পের সমর্থন এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক হস্তক্ষেপকে তার ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ (ম্যাগএ) দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন। তবে পিউ-এর জরিপে দেখা গেছে, ৭৩ শতাংশ রিপাবলিকান মার্কিন-ইসরায়েল সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওপর আস্থা রাখেন।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে ডেমোক্রেটিক পার্টির ৯৫ শতাংশ ভোটার
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধের পর থেকে মার্কিনিদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন ক্রমাগত কমছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এক জরিপে দেখা গেছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভোটার ইসরায়েলকে মার্কিন সামরিক সহায়তার বিরোধিতা করেছে। তিন বছর আগে যা ছিল ৪৫ শতাংশ।
বুধবার (২০ মে) প্রকাশিত ওই সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক ডেমোক্রেটিক ভোটার বলেছেন তাদের দল ইসরায়েলকে অতিরিক্ত সমর্থন করছে। অন্যদিকে ৯৫ শতাংশ ভোটার ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন।
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আগ্রাসী সামরিক অভিযানের কারণে সৃষ্ট ক্ষোভের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিষয়ে যে পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, এই সমীক্ষাটি তারই সর্বশেষ উদাহরণ।
যদিও ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে শক্তিশালী সামরিক, অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক সমর্থন পেয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মার্কিন সমাজের বিভিন্ন স্তরে, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট এবং প্রগতিশীলদের মধ্যে ইসরায়েলের জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।
জরিপে দেখা গেছে, ৬০ শতাংশ ডেমোক্রেটিক ভোটার বলেছেন, তারা ইসরায়েলের চেয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল। অন্যদিকে মাত্র ১৫ শতাংশ বলেছেন তারা ইসরায়েলের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল।
মার্কিন ভোটারদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন এখন মূলত বয়স্ক ভোটারদের মধ্যেই কেন্দ্রীভূত।
এপ্রিলে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক জরিপে দেখা গেছে, ১৮-৪৯ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাটদের ৮৪ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের ৫৭ শতাংশ ইসরায়েল সম্পর্কে বিরূপ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন। ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এই হার ছিল যথাক্রমে ৭৬ শতাংশ এবং ২৪ শতাংশ।
কিন্তু জনমতের এই পরিবর্তন এখনও ডেমোক্রেটিক পার্টির উচ্চ স্তরের নীতিগত পরিবর্তনে প্রতিফলিত হয়নি। দলটির একাধিক শীর্ষ নেতা এখনও ইসরায়েলের প্রতি কট্টর সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন।
রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ফেব্রুয়ারির শেষদিকে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে একটি যৌথ যুদ্ধ শুরু করেছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের লক্ষ্য ছিল এটা।
মার্কিন ডানপন্থীদের একাংশ ইসরায়েলের প্রতি ট্রাম্পের সমর্থন এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক হস্তক্ষেপকে তার ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ (ম্যাগএ) দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন। তবে পিউ-এর জরিপে দেখা গেছে, ৭৩ শতাংশ রিপাবলিকান মার্কিন-ইসরায়েল সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওপর আস্থা রাখেন।
সূত্র: আল জাজিরা

ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টা ‘সাজানো নাটক’, বলছে জরিপ
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ২০ শতাংশ রিপার ড্রোন ধ্বংস

