সাতকানিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পানিতে থইথই, পানি ডিঙিয়ে আসছেন রোগীরা

সাতকানিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পানিতে থইথই, পানি ডিঙিয়ে আসছেন রোগীরা
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

প্রবল বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। হাসপাতালের সামনের সড়ক ও পাঁচটি ভবনের নিচতলায় এখন হাঁটুসমান পানি। জরুরি ও বহির্বিভাগের ৭টি ইউনিট তলিয়ে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। গুরুতর অসুস্থ রোগীরা পানি ডিঙিয়ে আসছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সড়কটিতে এখনো হাঁটুসমান পানি। হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের বাসভবনও ডুবে গেছে। এতে তারাও ভোগান্তিতে পড়েছেন। পুরো হাসপাতাল এলাকার চারদিকেই পানি থইথই করছে।
রোগীদের মধ্যে কয়েকজন জানান, তারা কেউ হাটুসমান, আবার কেউ কোমরসমান পানিতে ডুবে থাকা পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন।
সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘প্রতিদিন হাসপাতালে গড়ে ৬০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় এখন রোগী আসছেন ১০০ থেকে ১৫০ জন। যারা আসছেন তারা অতি প্রয়োজনে আসছেন। হাসপাতাল ডুবে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। এখনো হাসপাতালে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়নি। আমরা রোগীদের রান্না করা খাবার দিচ্ছি।’
গতকাল শুক্রবার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পানি কিছুটা কমেছে। তবে সাতকানিয়া পৌরসভা ও উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন এখনো প্লাবিত। পানিবন্দি আছেন অন্তত ৪ লাখ মানুষ। লোহাগাড়ার সদর ইউনিয়ন, আধুনগর, বড়হাতিয়া ও আমিরাবাদ ইউনিয়নের কিছু এলাকায় এখনো পানি আছে।

প্রবল বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। হাসপাতালের সামনের সড়ক ও পাঁচটি ভবনের নিচতলায় এখন হাঁটুসমান পানি। জরুরি ও বহির্বিভাগের ৭টি ইউনিট তলিয়ে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। গুরুতর অসুস্থ রোগীরা পানি ডিঙিয়ে আসছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সড়কটিতে এখনো হাঁটুসমান পানি। হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের বাসভবনও ডুবে গেছে। এতে তারাও ভোগান্তিতে পড়েছেন। পুরো হাসপাতাল এলাকার চারদিকেই পানি থইথই করছে।
রোগীদের মধ্যে কয়েকজন জানান, তারা কেউ হাটুসমান, আবার কেউ কোমরসমান পানিতে ডুবে থাকা পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন।
সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘প্রতিদিন হাসপাতালে গড়ে ৬০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় এখন রোগী আসছেন ১০০ থেকে ১৫০ জন। যারা আসছেন তারা অতি প্রয়োজনে আসছেন। হাসপাতাল ডুবে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। এখনো হাসপাতালে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়নি। আমরা রোগীদের রান্না করা খাবার দিচ্ছি।’
গতকাল শুক্রবার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পানি কিছুটা কমেছে। তবে সাতকানিয়া পৌরসভা ও উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন এখনো প্লাবিত। পানিবন্দি আছেন অন্তত ৪ লাখ মানুষ। লোহাগাড়ার সদর ইউনিয়ন, আধুনগর, বড়হাতিয়া ও আমিরাবাদ ইউনিয়নের কিছু এলাকায় এখনো পানি আছে।

সাতকানিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পানিতে থইথই, পানি ডিঙিয়ে আসছেন রোগীরা
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

প্রবল বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। হাসপাতালের সামনের সড়ক ও পাঁচটি ভবনের নিচতলায় এখন হাঁটুসমান পানি। জরুরি ও বহির্বিভাগের ৭টি ইউনিট তলিয়ে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। গুরুতর অসুস্থ রোগীরা পানি ডিঙিয়ে আসছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সড়কটিতে এখনো হাঁটুসমান পানি। হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের বাসভবনও ডুবে গেছে। এতে তারাও ভোগান্তিতে পড়েছেন। পুরো হাসপাতাল এলাকার চারদিকেই পানি থইথই করছে।
রোগীদের মধ্যে কয়েকজন জানান, তারা কেউ হাটুসমান, আবার কেউ কোমরসমান পানিতে ডুবে থাকা পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন।
সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘প্রতিদিন হাসপাতালে গড়ে ৬০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় এখন রোগী আসছেন ১০০ থেকে ১৫০ জন। যারা আসছেন তারা অতি প্রয়োজনে আসছেন। হাসপাতাল ডুবে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। এখনো হাসপাতালে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়নি। আমরা রোগীদের রান্না করা খাবার দিচ্ছি।’
গতকাল শুক্রবার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পানি কিছুটা কমেছে। তবে সাতকানিয়া পৌরসভা ও উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন এখনো প্লাবিত। পানিবন্দি আছেন অন্তত ৪ লাখ মানুষ। লোহাগাড়ার সদর ইউনিয়ন, আধুনগর, বড়হাতিয়া ও আমিরাবাদ ইউনিয়নের কিছু এলাকায় এখনো পানি আছে।




