বান্দরবানে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিজিবি

বান্দরবানে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিজিবি
বিশেষ প্রতিনিধি

কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবান জেলা শহরের আশপাশের এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে অনেক পরিবার। বিপর্যস্ত ও দুর্গত এসব মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শনিবার (১১ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি বান্দরবান সেক্টর সদর দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিকূল আবহাওয়া, জলাবদ্ধতা এবং বন্যার প্রবল স্রোত উপেক্ষা করে শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত থেকেই বিজিবি বান্দরবান সেক্টর দপ্তরের সদস্যরা ক্রাইক্ষ্যংপাড়া এলাকার বন্যাদুর্গত ১২২টি পরিবারকে উদ্ধার করে। তাদেরকে শহীদ মোশাররফ বিজিবি স্কুল এবং ক্রাইক্ষংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এই উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন বান্দরবান সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রুবায়াত জামিল।

উদ্ধার অভিযানের পাশাপাশি দুর্গত মানুষের জন্য খাবার, বিশুদ্ধ পানি, জরুরি ওষুধ এবং অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সার্বিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
বিজিবি বান্দরবান সেক্টর সদর দপ্তর জানায়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বিজিবি সর্বদা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির অন্যতম মানবিক অঙ্গীকার। সাম্প্রতিক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণে বিজিবির এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবান জেলা শহরের আশপাশের এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে অনেক পরিবার। বিপর্যস্ত ও দুর্গত এসব মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শনিবার (১১ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি বান্দরবান সেক্টর সদর দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিকূল আবহাওয়া, জলাবদ্ধতা এবং বন্যার প্রবল স্রোত উপেক্ষা করে শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত থেকেই বিজিবি বান্দরবান সেক্টর দপ্তরের সদস্যরা ক্রাইক্ষ্যংপাড়া এলাকার বন্যাদুর্গত ১২২টি পরিবারকে উদ্ধার করে। তাদেরকে শহীদ মোশাররফ বিজিবি স্কুল এবং ক্রাইক্ষংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এই উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন বান্দরবান সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রুবায়াত জামিল।

উদ্ধার অভিযানের পাশাপাশি দুর্গত মানুষের জন্য খাবার, বিশুদ্ধ পানি, জরুরি ওষুধ এবং অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সার্বিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
বিজিবি বান্দরবান সেক্টর সদর দপ্তর জানায়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বিজিবি সর্বদা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির অন্যতম মানবিক অঙ্গীকার। সাম্প্রতিক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণে বিজিবির এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বান্দরবানে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিজিবি
বিশেষ প্রতিনিধি

কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবান জেলা শহরের আশপাশের এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে অনেক পরিবার। বিপর্যস্ত ও দুর্গত এসব মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শনিবার (১১ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি বান্দরবান সেক্টর সদর দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিকূল আবহাওয়া, জলাবদ্ধতা এবং বন্যার প্রবল স্রোত উপেক্ষা করে শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত থেকেই বিজিবি বান্দরবান সেক্টর দপ্তরের সদস্যরা ক্রাইক্ষ্যংপাড়া এলাকার বন্যাদুর্গত ১২২টি পরিবারকে উদ্ধার করে। তাদেরকে শহীদ মোশাররফ বিজিবি স্কুল এবং ক্রাইক্ষংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এই উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন বান্দরবান সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রুবায়াত জামিল।

উদ্ধার অভিযানের পাশাপাশি দুর্গত মানুষের জন্য খাবার, বিশুদ্ধ পানি, জরুরি ওষুধ এবং অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সার্বিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
বিজিবি বান্দরবান সেক্টর সদর দপ্তর জানায়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বিজিবি সর্বদা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির অন্যতম মানবিক অঙ্গীকার। সাম্প্রতিক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণে বিজিবির এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়কে ধসে পড়েছে সেতু

