ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত হবে কীভাবে, জানালেন ভ্যান্স

ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত হবে কীভাবে, জানালেন ভ্যান্স
সিজেডএন ডেস্ক

সুইজারল্যান্ডে উত্তেজনা ও টানা ১২ ঘণ্টার আলোচনা শেষে প্রথম দফার বৈঠক শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বৈঠকে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। এবার ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড়ের বিষয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, ইরানের সম্পদ ছাড় করা হলে তা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। এটি কেবল ইরানের জনগণের জন্য ব্যয় করতে হবে।
সোমবার (২২ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষ করার পর ভ্যান্স বলেন, ‘যদি কখনো ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড় করা হয়, তাহলে তা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে। এ অর্থ কেবল ইরানের জনগণের জন্য ব্যয় করতে হবে। কোনোভাবে এটি সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নে ব্যবহার করা যাবে না।’
এ নিয়ে একটি উপায় বের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ভ্যান্স বলেন, জ্যারেড কুশনার কাতারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলে একটি চমৎকার সমাধান বের করেছেন। কোনো অর্থ ছাড় করা হলে তার জন্য আমাদের এবং কাতারের অনুমোদন লাগবে। এরপর জব্দকৃত অর্থ দিয়ে ইরানের জনগণের কল্যাণে মার্কিন ভুট্টা ও গম কেনা হবে।
তিনি আরও বলেন, চুক্তির প্রাথমিক শর্তাবলি ইরান যথাযথ পালন করছে কি না তা তদারকি করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র একটি চূড়ান্ত ও স্থায়ী সমাধানের আশা করছে বলেও জানান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমরা অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছি। আলোচনায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এটি আমাদের উদযাপন করা উচিত।’
এর আগে সুইজারল্যান্ডে বৈঠকে বসার আগে ইরানি প্রতিনিধিদলকে হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজ সানডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি দখল করে নিতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি সম্পর্কে ইরানি কর্মকর্তাদের তিনি বলেন, ‘তোমরা এটা বন্ধ করে দিলে তোমাদের আর কোনো দেশ থাকবে না। তোমরা নিজেদের দেশেও ফিরতে পারবে না।’
লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে গত শনিবার হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করে দেওয়া ইরানি হুঁশিয়ারির পর এই হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তবে সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আর কখনও ইরানকে কোনো ধরনের হুমকি দেবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন এই শর্ত লঙ্ঘন করেছে অভিযোগ তুলে সুইজারল্যান্ডে মার্কিনিদের সঙ্গে আলোচনা করবে না বলে জানায় ইরানের প্রতিনিধিদল।
এ প্রসঙ্গ টেনে ভ্যান্স বলেন, আলোচনার সময় ইরানি প্রতিনিধিরা ওয়াকআউট করার হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু গতরাত একটা পর্যন্ত আলোচনা চলেছে। তারা বেরিয়ে যায়নি। মার্কিন কারিগরি দলের সদস্যরা এখনও বারগেনস্টকে কারিগরি দলের সঙ্গে কাজ করছে।
এদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও পাকিস্তানের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি ‘রোডম্যাপে’ সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে চলতি সপ্তাহব্যাপী কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, উভয় পক্ষ লেবাননে লড়াই বন্ধের জন্য সম্মত হয়েছে। এজন্য একটি আন্তর্জাতিক সেল গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর কথা জানিয়েছে তারা।
সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স

সুইজারল্যান্ডে উত্তেজনা ও টানা ১২ ঘণ্টার আলোচনা শেষে প্রথম দফার বৈঠক শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বৈঠকে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। এবার ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড়ের বিষয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, ইরানের সম্পদ ছাড় করা হলে তা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। এটি কেবল ইরানের জনগণের জন্য ব্যয় করতে হবে।
সোমবার (২২ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষ করার পর ভ্যান্স বলেন, ‘যদি কখনো ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড় করা হয়, তাহলে তা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে। এ অর্থ কেবল ইরানের জনগণের জন্য ব্যয় করতে হবে। কোনোভাবে এটি সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নে ব্যবহার করা যাবে না।’
এ নিয়ে একটি উপায় বের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ভ্যান্স বলেন, জ্যারেড কুশনার কাতারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলে একটি চমৎকার সমাধান বের করেছেন। কোনো অর্থ ছাড় করা হলে তার জন্য আমাদের এবং কাতারের অনুমোদন লাগবে। এরপর জব্দকৃত অর্থ দিয়ে ইরানের জনগণের কল্যাণে মার্কিন ভুট্টা ও গম কেনা হবে।
তিনি আরও বলেন, চুক্তির প্রাথমিক শর্তাবলি ইরান যথাযথ পালন করছে কি না তা তদারকি করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র একটি চূড়ান্ত ও স্থায়ী সমাধানের আশা করছে বলেও জানান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমরা অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছি। আলোচনায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এটি আমাদের উদযাপন করা উচিত।’
এর আগে সুইজারল্যান্ডে বৈঠকে বসার আগে ইরানি প্রতিনিধিদলকে হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজ সানডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি দখল করে নিতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি সম্পর্কে ইরানি কর্মকর্তাদের তিনি বলেন, ‘তোমরা এটা বন্ধ করে দিলে তোমাদের আর কোনো দেশ থাকবে না। তোমরা নিজেদের দেশেও ফিরতে পারবে না।’
লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে গত শনিবার হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করে দেওয়া ইরানি হুঁশিয়ারির পর এই হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তবে সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আর কখনও ইরানকে কোনো ধরনের হুমকি দেবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন এই শর্ত লঙ্ঘন করেছে অভিযোগ তুলে সুইজারল্যান্ডে মার্কিনিদের সঙ্গে আলোচনা করবে না বলে জানায় ইরানের প্রতিনিধিদল।
এ প্রসঙ্গ টেনে ভ্যান্স বলেন, আলোচনার সময় ইরানি প্রতিনিধিরা ওয়াকআউট করার হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু গতরাত একটা পর্যন্ত আলোচনা চলেছে। তারা বেরিয়ে যায়নি। মার্কিন কারিগরি দলের সদস্যরা এখনও বারগেনস্টকে কারিগরি দলের সঙ্গে কাজ করছে।
এদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও পাকিস্তানের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি ‘রোডম্যাপে’ সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে চলতি সপ্তাহব্যাপী কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, উভয় পক্ষ লেবাননে লড়াই বন্ধের জন্য সম্মত হয়েছে। এজন্য একটি আন্তর্জাতিক সেল গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর কথা জানিয়েছে তারা।
সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স

ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত হবে কীভাবে, জানালেন ভ্যান্স
সিজেডএন ডেস্ক

সুইজারল্যান্ডে উত্তেজনা ও টানা ১২ ঘণ্টার আলোচনা শেষে প্রথম দফার বৈঠক শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বৈঠকে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। এবার ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড়ের বিষয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, ইরানের সম্পদ ছাড় করা হলে তা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। এটি কেবল ইরানের জনগণের জন্য ব্যয় করতে হবে।
সোমবার (২২ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষ করার পর ভ্যান্স বলেন, ‘যদি কখনো ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড় করা হয়, তাহলে তা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে। এ অর্থ কেবল ইরানের জনগণের জন্য ব্যয় করতে হবে। কোনোভাবে এটি সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নে ব্যবহার করা যাবে না।’
এ নিয়ে একটি উপায় বের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ভ্যান্স বলেন, জ্যারেড কুশনার কাতারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলে একটি চমৎকার সমাধান বের করেছেন। কোনো অর্থ ছাড় করা হলে তার জন্য আমাদের এবং কাতারের অনুমোদন লাগবে। এরপর জব্দকৃত অর্থ দিয়ে ইরানের জনগণের কল্যাণে মার্কিন ভুট্টা ও গম কেনা হবে।
তিনি আরও বলেন, চুক্তির প্রাথমিক শর্তাবলি ইরান যথাযথ পালন করছে কি না তা তদারকি করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র একটি চূড়ান্ত ও স্থায়ী সমাধানের আশা করছে বলেও জানান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমরা অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছি। আলোচনায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এটি আমাদের উদযাপন করা উচিত।’
এর আগে সুইজারল্যান্ডে বৈঠকে বসার আগে ইরানি প্রতিনিধিদলকে হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজ সানডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি দখল করে নিতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি সম্পর্কে ইরানি কর্মকর্তাদের তিনি বলেন, ‘তোমরা এটা বন্ধ করে দিলে তোমাদের আর কোনো দেশ থাকবে না। তোমরা নিজেদের দেশেও ফিরতে পারবে না।’
লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে গত শনিবার হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করে দেওয়া ইরানি হুঁশিয়ারির পর এই হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তবে সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আর কখনও ইরানকে কোনো ধরনের হুমকি দেবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন এই শর্ত লঙ্ঘন করেছে অভিযোগ তুলে সুইজারল্যান্ডে মার্কিনিদের সঙ্গে আলোচনা করবে না বলে জানায় ইরানের প্রতিনিধিদল।
এ প্রসঙ্গ টেনে ভ্যান্স বলেন, আলোচনার সময় ইরানি প্রতিনিধিরা ওয়াকআউট করার হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু গতরাত একটা পর্যন্ত আলোচনা চলেছে। তারা বেরিয়ে যায়নি। মার্কিন কারিগরি দলের সদস্যরা এখনও বারগেনস্টকে কারিগরি দলের সঙ্গে কাজ করছে।
এদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও পাকিস্তানের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি ‘রোডম্যাপে’ সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে চলতি সপ্তাহব্যাপী কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, উভয় পক্ষ লেবাননে লড়াই বন্ধের জন্য সম্মত হয়েছে। এজন্য একটি আন্তর্জাতিক সেল গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর কথা জানিয়েছে তারা।
সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যেসব বিষয়ে সম্মত হয়েছে
ইরানের তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো যুক্তরাষ্ট্র
সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা নিয়ে যা জানা গেলো


