শিরোনাম

এখনই কমিশনিং লাইসেন্স পাচ্ছে না রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প

পাবনা প্রতিনিধি
পাবনা প্রতিনিধি
এখনই কমিশনিং লাইসেন্স পাচ্ছে না রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ছবি: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকম

চলতি বছরের আগস্ট মাসে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সেই লক্ষ্য এখনই পূরণ হচ্ছে না বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এ বিষয়ে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে হলে বি-২ কমিশনিং লাইসেন্স প্রয়োজন। যা এখনো পাওয়া যায়নি। এছাড়াও বিভিন্ন ধাপে বেশ কিছু পরীক্ষা বাকি। সেই সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রস্তুতি শেষে উৎপাদন শুরু করা সম্ভব।

এর আগে চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়। আগস্টেই প্রথম ইউনিট থেকে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে-এমন আশা করেছিলেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। সেই হিসেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন আরও দেরি হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পারমাণবিক জ্বালানি লোড এবং প্রাথমিক কমিশনিং-সংক্রান্ত পরীক্ষা শেষ হলেও বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) বি-২ কমিশনিং লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা যাবে না।

কর্মকর্তাদের ভাষ্য, গত ১৬ এপ্রিল বায়েরা থেকে পাওয়া বি-১ কমিশনিং লাইসেন্সের আওতায় প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং এবং প্রয়োজনীয় কমিশনিং পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্রিটিকালিটি অর্জন এবং পরবর্তী ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে হলে বি-২ কমিশনিং লাইসেন্স প্রয়োজন।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) চেয়ারম্যান মো. মাহামুদুল হাসান বলেন, প্রকল্প বিলম্বিত হলেও নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ার কোনো সুযোগ নেই। এই পর্যায়ে লাইসেন্স দেওয়া অত্যন্ত জটিল একটি প্রক্রিয়া। প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং সন্তোষজনক ফলাফল নিশ্চিত হওয়ার পরই লাইসেন্স দেওয়া হবে।

এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান বলেন, প্রথম ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজ ৭০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় ইউনিটের কমিশনিংয়ের সময় সূচি প্রথম ইউনিটের তুলনায় প্রায় এক বছর পিছিয়ে থাকবে।

/এসআর/