চট্টগ্রামে এবার ৫০ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে গুলি

চট্টগ্রামে এবার ৫০ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে গুলি
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামে এবার ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে এক প্রবাসী ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) হাসান মোস্তফা স্বপন।
পুলিশ জানায়, গতকাল দিবাগত রাত ১১টার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় রুনা টাওয়ার নামের ওই ভবনের গেইটে দুই যুবক গিয়ে গুলি ছোড়ে।
ভবন মালিক হাজী ইউনুসের দুই ছেলে মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। সম্প্রতি তার বড় ছেলের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
ভুক্তভোগী ভবনমালিক ইউসুফ জানান, গতকাল দুপুর ১২টার দিকে এক ঘণ্টা সময় দিয়ে তার ছেলে শওকতের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একটি বিদেশি নম্বর থেকে ভয়েস বার্তা পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, ইউসুফের ছেলেমেয়েরা কোথায় কী করেন, তাদের জীবনবৃত্তান্ত এবং কোথায় কোথায় বাড়ি আছে, সবই তাদের জানা। এক ঘণ্টার মধ্যে বড় ভাইয়ের কথামতো ৫০ লাখ টাকা দিতে হবে। না হলে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।
পরে আরেকটি ভয়েস মেসেজে বলা হয়, যদি ওই ব্যক্তিকে তার অনুসারী ছেলেদের পাঠিয়ে কোনো ঘটনা ঘটাতে হয়, তবে ৫০ লাখ টাকার পরিবর্তে এক কোটি টাকা দিতে হবে। এ বিষয়ে শওকতকে ওই ব্যক্তির বড় ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলতেও বলা হয়। তা না হলে ‘খেলা শুরু’ হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তিনি (ভবনমালিক ইউসুফ) হৃদ্রোগী হওয়ায় তাকে বিষয়টি না জানিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য শওকতকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এসব বিষয়ে নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) হাসান মোস্তফা স্বপন বলেন, ‘সম্প্রতি ভবন মালিক হাজী ইউনুসের প্রবাসী বড় ছেলে দেশে এসেছে। তার মোবাইলে কয়েক দিন আগে একটি ইন্টারনেট নম্বর থেকে ভয়েস মেসেজ দিয়ে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। গত রাত সাড়ে ১০টার দিকে দুই যুবক গিয়ে ভবনের প্রহরীর সাথে কথা বলে এবং ফিরে আসার সময় গেইটে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে নিয়ে তদন্ত করছি। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সবকিছু খতিয়ে দেখছি।’
এদিকে, চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ইন্টারপোলের ওয়ান্টেড লিস্টের আসামি সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের সেকেন্ড ইন কমান্ড মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর নতুন করে এ ধরনের ঘটনায় আবারও আতঙ্ক ছড়িয়েছে চট্টগ্রাম নগরীতে।
এর আগে, গত ১৩ জুলাই দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক্সেস রোড এলাকায় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠান ডিডিএনে অফিসে হামলা ও লুটপাট করা হয়। পরে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৩০ জুলাই ভারতে পালানোর সময় ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানের তিনি ১০ দিনের রিমান্ডে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

চট্টগ্রামে এবার ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে এক প্রবাসী ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) হাসান মোস্তফা স্বপন।
পুলিশ জানায়, গতকাল দিবাগত রাত ১১টার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় রুনা টাওয়ার নামের ওই ভবনের গেইটে দুই যুবক গিয়ে গুলি ছোড়ে।
ভবন মালিক হাজী ইউনুসের দুই ছেলে মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। সম্প্রতি তার বড় ছেলের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
ভুক্তভোগী ভবনমালিক ইউসুফ জানান, গতকাল দুপুর ১২টার দিকে এক ঘণ্টা সময় দিয়ে তার ছেলে শওকতের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একটি বিদেশি নম্বর থেকে ভয়েস বার্তা পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, ইউসুফের ছেলেমেয়েরা কোথায় কী করেন, তাদের জীবনবৃত্তান্ত এবং কোথায় কোথায় বাড়ি আছে, সবই তাদের জানা। এক ঘণ্টার মধ্যে বড় ভাইয়ের কথামতো ৫০ লাখ টাকা দিতে হবে। না হলে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।
পরে আরেকটি ভয়েস মেসেজে বলা হয়, যদি ওই ব্যক্তিকে তার অনুসারী ছেলেদের পাঠিয়ে কোনো ঘটনা ঘটাতে হয়, তবে ৫০ লাখ টাকার পরিবর্তে এক কোটি টাকা দিতে হবে। এ বিষয়ে শওকতকে ওই ব্যক্তির বড় ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলতেও বলা হয়। তা না হলে ‘খেলা শুরু’ হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তিনি (ভবনমালিক ইউসুফ) হৃদ্রোগী হওয়ায় তাকে বিষয়টি না জানিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য শওকতকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এসব বিষয়ে নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) হাসান মোস্তফা স্বপন বলেন, ‘সম্প্রতি ভবন মালিক হাজী ইউনুসের প্রবাসী বড় ছেলে দেশে এসেছে। তার মোবাইলে কয়েক দিন আগে একটি ইন্টারনেট নম্বর থেকে ভয়েস মেসেজ দিয়ে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। গত রাত সাড়ে ১০টার দিকে দুই যুবক গিয়ে ভবনের প্রহরীর সাথে কথা বলে এবং ফিরে আসার সময় গেইটে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে নিয়ে তদন্ত করছি। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সবকিছু খতিয়ে দেখছি।’
এদিকে, চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ইন্টারপোলের ওয়ান্টেড লিস্টের আসামি সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের সেকেন্ড ইন কমান্ড মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর নতুন করে এ ধরনের ঘটনায় আবারও আতঙ্ক ছড়িয়েছে চট্টগ্রাম নগরীতে।
এর আগে, গত ১৩ জুলাই দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক্সেস রোড এলাকায় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠান ডিডিএনে অফিসে হামলা ও লুটপাট করা হয়। পরে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৩০ জুলাই ভারতে পালানোর সময় ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানের তিনি ১০ দিনের রিমান্ডে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

চট্টগ্রামে এবার ৫০ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে গুলি
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামে এবার ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে এক প্রবাসী ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) হাসান মোস্তফা স্বপন।
পুলিশ জানায়, গতকাল দিবাগত রাত ১১টার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় রুনা টাওয়ার নামের ওই ভবনের গেইটে দুই যুবক গিয়ে গুলি ছোড়ে।
ভবন মালিক হাজী ইউনুসের দুই ছেলে মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। সম্প্রতি তার বড় ছেলের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
ভুক্তভোগী ভবনমালিক ইউসুফ জানান, গতকাল দুপুর ১২টার দিকে এক ঘণ্টা সময় দিয়ে তার ছেলে শওকতের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একটি বিদেশি নম্বর থেকে ভয়েস বার্তা পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, ইউসুফের ছেলেমেয়েরা কোথায় কী করেন, তাদের জীবনবৃত্তান্ত এবং কোথায় কোথায় বাড়ি আছে, সবই তাদের জানা। এক ঘণ্টার মধ্যে বড় ভাইয়ের কথামতো ৫০ লাখ টাকা দিতে হবে। না হলে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।
পরে আরেকটি ভয়েস মেসেজে বলা হয়, যদি ওই ব্যক্তিকে তার অনুসারী ছেলেদের পাঠিয়ে কোনো ঘটনা ঘটাতে হয়, তবে ৫০ লাখ টাকার পরিবর্তে এক কোটি টাকা দিতে হবে। এ বিষয়ে শওকতকে ওই ব্যক্তির বড় ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলতেও বলা হয়। তা না হলে ‘খেলা শুরু’ হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তিনি (ভবনমালিক ইউসুফ) হৃদ্রোগী হওয়ায় তাকে বিষয়টি না জানিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য শওকতকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এসব বিষয়ে নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) হাসান মোস্তফা স্বপন বলেন, ‘সম্প্রতি ভবন মালিক হাজী ইউনুসের প্রবাসী বড় ছেলে দেশে এসেছে। তার মোবাইলে কয়েক দিন আগে একটি ইন্টারনেট নম্বর থেকে ভয়েস মেসেজ দিয়ে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। গত রাত সাড়ে ১০টার দিকে দুই যুবক গিয়ে ভবনের প্রহরীর সাথে কথা বলে এবং ফিরে আসার সময় গেইটে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে নিয়ে তদন্ত করছি। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সবকিছু খতিয়ে দেখছি।’
এদিকে, চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ইন্টারপোলের ওয়ান্টেড লিস্টের আসামি সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের সেকেন্ড ইন কমান্ড মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর নতুন করে এ ধরনের ঘটনায় আবারও আতঙ্ক ছড়িয়েছে চট্টগ্রাম নগরীতে।
এর আগে, গত ১৩ জুলাই দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক্সেস রোড এলাকায় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠান ডিডিএনে অফিসে হামলা ও লুটপাট করা হয়। পরে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৩০ জুলাই ভারতে পালানোর সময় ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানের তিনি ১০ দিনের রিমান্ডে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন দিবি ২ কোটি টাকা, মাসে ১০ লাখ’







