ইরান যুদ্ধ ২০২৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে: মার্কিন উপদেষ্টাদের সতর্কবার্তা

ইরান যুদ্ধ ২০২৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে: মার্কিন উপদেষ্টাদের সতর্কবার্তা
সিজেডএন ডেস্ক

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন পার হলেই ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে বলে আশা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ধারণা, ওয়াশিংটনের চাপে তেহরান এখন চরম কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। তবে প্রেসিডেন্টের এ হিসাবের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না হোয়াইট হাউসের শীর্ষ উপদেষ্টারা।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, জেডি ভ্যান্স ও মার্কো রুবিওর মতো উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক বার্তা দিয়েছেন- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ সামলে দীর্ঘমেয়াদে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা ইরানের রয়েছে। সে ক্ষেত্রে এ সংঘাত ২০২৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।
গত সাত মাস ধরে চলতে থাকা এ সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সহজ হচ্ছে না। ইতোমধ্যে ১৮ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধ শেষের কথা বললেও ইরানের পরমাণু অবকাঠামো সম্পূর্ণ অকেজো করতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলই বেছে নিয়েছেন। তিনি ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামের একটি কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ নীতিতে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্পের দাবি, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এবং অর্থনৈতিকভাবে ইরান পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
মাঠের বাস্তবতা বিবেচনা করে দীর্ঘ লড়াইয়ের আগাম প্রস্তুতি গুছিয়ে রাখছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। পরিস্থিতি সহজে শান্ত হবে না ধরে নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েনের মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাড়াচ্ছেন। বর্তমানে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০ হাজার সেনা, ১৯টি রণতরি এবং অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট সক্রিয় রয়েছে। সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সেনাসদস্যদের মোতায়েনের সময়সীমাও স্বাভাবিক ৯ মাস থেকে বাড়িয়ে ১২ মাসের বেশি করা হচ্ছে।
ইরানও নিজেদের অবস্থানে অনড়। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং রেভল্যুশনারি গার্ডের জেনারেল মোহাম্মদ রেজা নাকদি মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম পিবিএস-কে সরাসরি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কীভাবে লড়তে হয়, গত পাঁচ মাসে তারা সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি আরও বলেন, শত্রুভাবাপন্ন শক্তিকে তাদের আগ্রাসনের জন্য সর্বোচ্চ মূল্য চোকাতে হবে। তেহরান পরবর্তী মার্কিন নির্বাচন পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে পুরোপুরি প্রস্তুত।
সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন পার হলেই ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে বলে আশা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ধারণা, ওয়াশিংটনের চাপে তেহরান এখন চরম কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। তবে প্রেসিডেন্টের এ হিসাবের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না হোয়াইট হাউসের শীর্ষ উপদেষ্টারা।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, জেডি ভ্যান্স ও মার্কো রুবিওর মতো উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক বার্তা দিয়েছেন- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ সামলে দীর্ঘমেয়াদে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা ইরানের রয়েছে। সে ক্ষেত্রে এ সংঘাত ২০২৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।
গত সাত মাস ধরে চলতে থাকা এ সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সহজ হচ্ছে না। ইতোমধ্যে ১৮ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধ শেষের কথা বললেও ইরানের পরমাণু অবকাঠামো সম্পূর্ণ অকেজো করতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলই বেছে নিয়েছেন। তিনি ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামের একটি কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ নীতিতে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্পের দাবি, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এবং অর্থনৈতিকভাবে ইরান পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
মাঠের বাস্তবতা বিবেচনা করে দীর্ঘ লড়াইয়ের আগাম প্রস্তুতি গুছিয়ে রাখছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। পরিস্থিতি সহজে শান্ত হবে না ধরে নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েনের মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাড়াচ্ছেন। বর্তমানে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০ হাজার সেনা, ১৯টি রণতরি এবং অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট সক্রিয় রয়েছে। সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সেনাসদস্যদের মোতায়েনের সময়সীমাও স্বাভাবিক ৯ মাস থেকে বাড়িয়ে ১২ মাসের বেশি করা হচ্ছে।
ইরানও নিজেদের অবস্থানে অনড়। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং রেভল্যুশনারি গার্ডের জেনারেল মোহাম্মদ রেজা নাকদি মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম পিবিএস-কে সরাসরি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কীভাবে লড়তে হয়, গত পাঁচ মাসে তারা সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি আরও বলেন, শত্রুভাবাপন্ন শক্তিকে তাদের আগ্রাসনের জন্য সর্বোচ্চ মূল্য চোকাতে হবে। তেহরান পরবর্তী মার্কিন নির্বাচন পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে পুরোপুরি প্রস্তুত।
সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

ইরান যুদ্ধ ২০২৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে: মার্কিন উপদেষ্টাদের সতর্কবার্তা
সিজেডএন ডেস্ক

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন পার হলেই ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে বলে আশা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ধারণা, ওয়াশিংটনের চাপে তেহরান এখন চরম কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। তবে প্রেসিডেন্টের এ হিসাবের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না হোয়াইট হাউসের শীর্ষ উপদেষ্টারা।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, জেডি ভ্যান্স ও মার্কো রুবিওর মতো উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক বার্তা দিয়েছেন- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ সামলে দীর্ঘমেয়াদে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা ইরানের রয়েছে। সে ক্ষেত্রে এ সংঘাত ২০২৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।
গত সাত মাস ধরে চলতে থাকা এ সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সহজ হচ্ছে না। ইতোমধ্যে ১৮ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধ শেষের কথা বললেও ইরানের পরমাণু অবকাঠামো সম্পূর্ণ অকেজো করতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলই বেছে নিয়েছেন। তিনি ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামের একটি কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ নীতিতে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্পের দাবি, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এবং অর্থনৈতিকভাবে ইরান পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
মাঠের বাস্তবতা বিবেচনা করে দীর্ঘ লড়াইয়ের আগাম প্রস্তুতি গুছিয়ে রাখছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। পরিস্থিতি সহজে শান্ত হবে না ধরে নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েনের মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাড়াচ্ছেন। বর্তমানে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০ হাজার সেনা, ১৯টি রণতরি এবং অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট সক্রিয় রয়েছে। সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সেনাসদস্যদের মোতায়েনের সময়সীমাও স্বাভাবিক ৯ মাস থেকে বাড়িয়ে ১২ মাসের বেশি করা হচ্ছে।
ইরানও নিজেদের অবস্থানে অনড়। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং রেভল্যুশনারি গার্ডের জেনারেল মোহাম্মদ রেজা নাকদি মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম পিবিএস-কে সরাসরি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কীভাবে লড়তে হয়, গত পাঁচ মাসে তারা সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি আরও বলেন, শত্রুভাবাপন্ন শক্তিকে তাদের আগ্রাসনের জন্য সর্বোচ্চ মূল্য চোকাতে হবে। তেহরান পরবর্তী মার্কিন নির্বাচন পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে পুরোপুরি প্রস্তুত।
সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে কীভাবে শত কোটি ডলারের লেনদেন করছে চীন-ইরান







