অযত্নে রাজধানীর ‘মালিটোলা পার্ক’, দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা এখন ময়লার ভাগাড়

অযত্নে রাজধানীর ‘মালিটোলা পার্ক’, দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা এখন ময়লার ভাগাড়
মো. ইমরান হোসেন

রাজধানীর পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়ের ‘মালিটোলা পার্ক’। একসময় যেটি ছিল এলাকার সৌন্দর্য ও বিনোদনের অন্যতম স্থান। নান্দনিক ফোয়ারা, আলোকসজ্জা ও বসার ব্যবস্থা নিয়ে গড়ে তোলা সেই পার্ক এখন অযত্ন-অবহেলায় জীর্ণ হয়ে পড়েছে। সিটি কর্পোরেশনের অসেচতনায় পার্কের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য স্থাপন করা দৃষ্টিনন্দন পানির ফোয়ারাটি বর্তমানে পরিণত হয়েছে ময়লার ভাগাড়ে।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পার্কের পাশে থাকা ফোয়ারার ভেতর ও চারপাশে পড়ে আছে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যের স্তূপ। নিয়মিত সেখানে ফেলা হচ্ছে বাজারের বর্জ্য, প্লাস্টিক ও গৃহস্থালির আবর্জনা। এতে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ। পাশাপাশি মশা-মাছির উপদ্রবও বেড়েছে।
শুধু তাই নয়, পুরান ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এই মোড়ে ময়লার স্তূপ জমে থাকার কারণে রাস্তা সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এতে প্রতিনিয়তই তাঁতীবাজার এবং এর আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় পুরান ঢাকার ইংলিশ রোডে ২৪ কাঠা আয়তনের একটি পরিত্যক্ত জায়গা ছিল আবর্জনার ভাগাড়। ওই ভাগাড়ের ওপর অবৈধভাবে গড়ে উঠেছিল ট্রাক-পিকআপ স্ট্যান্ড। দিন-রাত সেখানে চলতো মাদকসেবীদের আড্ডা। সেই নোংরা জায়গাটিকে নান্দনিক পার্কে রূপ দিয়েছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। পার্কটির নাম দেওয়া হয় ‘মালিটোলা পার্ক’।
তাদের অভিযোগ, পার্কটিতে জনসাধারণের জন্য সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য পানির ট্যাব বসানো হলেও, অবহেলা আর অযত্নে বর্তমানে সবগুলো ট্যাব অচল হয়ে পড়েছে। পার্কের ভিতরে ও দুই পাশে আলোকসজ্জার জন্য ব্যয়বহুল ও আলোকসজ্জায় করা লাইটগুলো আর রাতের বেলা জ্বলে না। আর পানির ফোয়ারা রূপান্তরিত হয়েছে ময়লার ডাম্পিংয়ে। তবে এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উদাসীন সিটি কর্পোরেশন।
পার্কের পাশের শরিয়তপুর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ম্যানেজার আবুল হোসেন বলেন, পার্কের পাশে থাকা ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধ পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। পার্কে মানুষ একটু স্বস্তি ও বিনোদনের জন্য আসে, তাই পার্কের পাশ থেকে ময়লার ডাম্পিং সরিয়ে নেওয়া জরুরি।

সোহাগ ট্রান্সপোর্টের মালিক সেলিম হোসেন বলেন, পার্কটি যখন উদ্বোধন করা হয় তখন লাইটিং ছিল, পানির ফোয়ারা ছিল। এগুলোর একটাও এখন সচল নেই। আমাদের দাবি, সিটি কর্পোরেশন যেন এসব দিকে নজর দেয়।
প্রখর রোদে পার্কে বিশ্রাম নিতে আসা আনোয়ার হোসেন বলেন, পার্কটি আমাদের মতো বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য বিশ্রাম ও অবসাদের জায়গা। আমি প্রায়ই এখানে আসি। শহরের মধ্যে এমন ফাঁকা জায়গা কমই আছে। তবে পার্কটি অবহেলা আর অযত্নে ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পয়ঃনিষ্কাশনও সুপেয় পানির যে ট্যাবগুলো বসানো ছিল তার একটাও সচল নেই। এখানে যারা দায়িত্বে আছে, তারা শুধু বলে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবে। কিন্তু তাতে কোনো ফল আসে না।
পার্কের রক্ষণাবেক্ষণকারী আ. মালেক বলেন, পার্কটির ইজারা নিয়েছেন কামাল ভাই। আমরা তার কাছ থেকে ভাড়া নিয়েছি। ২০০৮ সালে তৎকালীন মেয়র বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকা ভাইয়ের উদ্যোগে পার্কের পশ্চিম প্রান্তে পানির ফোয়ারা ও সাদা বকের চমৎকার ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছিল। সেই স্থানটিতে চারপাশে ঘেরাও দিয়ে এখন ময়লা ফেলার স্থায়ী জায়গা তৈরি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পার্কের ভিতরের একটা লাইটও জ্বলে না। এর মূল কারণ হলো পার্কে প্রায়ই নেশাগ্রস্ত মানুষের আনাগোনা। তারা লাইনের তার চুরি করে নিয়ে যায়। লাইটগুলো দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।
এসব বিষয়ে ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রাসেল রহমান বলেন, এ ধরনের অভিযোগ কেউ এখনো দেয়নি। পার্ক ও এর আশেপাশের এলাকায় যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে আমরা কাজ করবো।

রাজধানীর পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়ের ‘মালিটোলা পার্ক’। একসময় যেটি ছিল এলাকার সৌন্দর্য ও বিনোদনের অন্যতম স্থান। নান্দনিক ফোয়ারা, আলোকসজ্জা ও বসার ব্যবস্থা নিয়ে গড়ে তোলা সেই পার্ক এখন অযত্ন-অবহেলায় জীর্ণ হয়ে পড়েছে। সিটি কর্পোরেশনের অসেচতনায় পার্কের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য স্থাপন করা দৃষ্টিনন্দন পানির ফোয়ারাটি বর্তমানে পরিণত হয়েছে ময়লার ভাগাড়ে।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পার্কের পাশে থাকা ফোয়ারার ভেতর ও চারপাশে পড়ে আছে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যের স্তূপ। নিয়মিত সেখানে ফেলা হচ্ছে বাজারের বর্জ্য, প্লাস্টিক ও গৃহস্থালির আবর্জনা। এতে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ। পাশাপাশি মশা-মাছির উপদ্রবও বেড়েছে।
শুধু তাই নয়, পুরান ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এই মোড়ে ময়লার স্তূপ জমে থাকার কারণে রাস্তা সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এতে প্রতিনিয়তই তাঁতীবাজার এবং এর আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় পুরান ঢাকার ইংলিশ রোডে ২৪ কাঠা আয়তনের একটি পরিত্যক্ত জায়গা ছিল আবর্জনার ভাগাড়। ওই ভাগাড়ের ওপর অবৈধভাবে গড়ে উঠেছিল ট্রাক-পিকআপ স্ট্যান্ড। দিন-রাত সেখানে চলতো মাদকসেবীদের আড্ডা। সেই নোংরা জায়গাটিকে নান্দনিক পার্কে রূপ দিয়েছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। পার্কটির নাম দেওয়া হয় ‘মালিটোলা পার্ক’।
তাদের অভিযোগ, পার্কটিতে জনসাধারণের জন্য সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য পানির ট্যাব বসানো হলেও, অবহেলা আর অযত্নে বর্তমানে সবগুলো ট্যাব অচল হয়ে পড়েছে। পার্কের ভিতরে ও দুই পাশে আলোকসজ্জার জন্য ব্যয়বহুল ও আলোকসজ্জায় করা লাইটগুলো আর রাতের বেলা জ্বলে না। আর পানির ফোয়ারা রূপান্তরিত হয়েছে ময়লার ডাম্পিংয়ে। তবে এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উদাসীন সিটি কর্পোরেশন।
পার্কের পাশের শরিয়তপুর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ম্যানেজার আবুল হোসেন বলেন, পার্কের পাশে থাকা ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধ পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। পার্কে মানুষ একটু স্বস্তি ও বিনোদনের জন্য আসে, তাই পার্কের পাশ থেকে ময়লার ডাম্পিং সরিয়ে নেওয়া জরুরি।

সোহাগ ট্রান্সপোর্টের মালিক সেলিম হোসেন বলেন, পার্কটি যখন উদ্বোধন করা হয় তখন লাইটিং ছিল, পানির ফোয়ারা ছিল। এগুলোর একটাও এখন সচল নেই। আমাদের দাবি, সিটি কর্পোরেশন যেন এসব দিকে নজর দেয়।
প্রখর রোদে পার্কে বিশ্রাম নিতে আসা আনোয়ার হোসেন বলেন, পার্কটি আমাদের মতো বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য বিশ্রাম ও অবসাদের জায়গা। আমি প্রায়ই এখানে আসি। শহরের মধ্যে এমন ফাঁকা জায়গা কমই আছে। তবে পার্কটি অবহেলা আর অযত্নে ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পয়ঃনিষ্কাশনও সুপেয় পানির যে ট্যাবগুলো বসানো ছিল তার একটাও সচল নেই। এখানে যারা দায়িত্বে আছে, তারা শুধু বলে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবে। কিন্তু তাতে কোনো ফল আসে না।
পার্কের রক্ষণাবেক্ষণকারী আ. মালেক বলেন, পার্কটির ইজারা নিয়েছেন কামাল ভাই। আমরা তার কাছ থেকে ভাড়া নিয়েছি। ২০০৮ সালে তৎকালীন মেয়র বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকা ভাইয়ের উদ্যোগে পার্কের পশ্চিম প্রান্তে পানির ফোয়ারা ও সাদা বকের চমৎকার ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছিল। সেই স্থানটিতে চারপাশে ঘেরাও দিয়ে এখন ময়লা ফেলার স্থায়ী জায়গা তৈরি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পার্কের ভিতরের একটা লাইটও জ্বলে না। এর মূল কারণ হলো পার্কে প্রায়ই নেশাগ্রস্ত মানুষের আনাগোনা। তারা লাইনের তার চুরি করে নিয়ে যায়। লাইটগুলো দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।
এসব বিষয়ে ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রাসেল রহমান বলেন, এ ধরনের অভিযোগ কেউ এখনো দেয়নি। পার্ক ও এর আশেপাশের এলাকায় যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে আমরা কাজ করবো।

অযত্নে রাজধানীর ‘মালিটোলা পার্ক’, দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা এখন ময়লার ভাগাড়
মো. ইমরান হোসেন

রাজধানীর পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়ের ‘মালিটোলা পার্ক’। একসময় যেটি ছিল এলাকার সৌন্দর্য ও বিনোদনের অন্যতম স্থান। নান্দনিক ফোয়ারা, আলোকসজ্জা ও বসার ব্যবস্থা নিয়ে গড়ে তোলা সেই পার্ক এখন অযত্ন-অবহেলায় জীর্ণ হয়ে পড়েছে। সিটি কর্পোরেশনের অসেচতনায় পার্কের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য স্থাপন করা দৃষ্টিনন্দন পানির ফোয়ারাটি বর্তমানে পরিণত হয়েছে ময়লার ভাগাড়ে।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পার্কের পাশে থাকা ফোয়ারার ভেতর ও চারপাশে পড়ে আছে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যের স্তূপ। নিয়মিত সেখানে ফেলা হচ্ছে বাজারের বর্জ্য, প্লাস্টিক ও গৃহস্থালির আবর্জনা। এতে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ। পাশাপাশি মশা-মাছির উপদ্রবও বেড়েছে।
শুধু তাই নয়, পুরান ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এই মোড়ে ময়লার স্তূপ জমে থাকার কারণে রাস্তা সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এতে প্রতিনিয়তই তাঁতীবাজার এবং এর আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় পুরান ঢাকার ইংলিশ রোডে ২৪ কাঠা আয়তনের একটি পরিত্যক্ত জায়গা ছিল আবর্জনার ভাগাড়। ওই ভাগাড়ের ওপর অবৈধভাবে গড়ে উঠেছিল ট্রাক-পিকআপ স্ট্যান্ড। দিন-রাত সেখানে চলতো মাদকসেবীদের আড্ডা। সেই নোংরা জায়গাটিকে নান্দনিক পার্কে রূপ দিয়েছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। পার্কটির নাম দেওয়া হয় ‘মালিটোলা পার্ক’।
তাদের অভিযোগ, পার্কটিতে জনসাধারণের জন্য সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য পানির ট্যাব বসানো হলেও, অবহেলা আর অযত্নে বর্তমানে সবগুলো ট্যাব অচল হয়ে পড়েছে। পার্কের ভিতরে ও দুই পাশে আলোকসজ্জার জন্য ব্যয়বহুল ও আলোকসজ্জায় করা লাইটগুলো আর রাতের বেলা জ্বলে না। আর পানির ফোয়ারা রূপান্তরিত হয়েছে ময়লার ডাম্পিংয়ে। তবে এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উদাসীন সিটি কর্পোরেশন।
পার্কের পাশের শরিয়তপুর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ম্যানেজার আবুল হোসেন বলেন, পার্কের পাশে থাকা ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধ পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। পার্কে মানুষ একটু স্বস্তি ও বিনোদনের জন্য আসে, তাই পার্কের পাশ থেকে ময়লার ডাম্পিং সরিয়ে নেওয়া জরুরি।

সোহাগ ট্রান্সপোর্টের মালিক সেলিম হোসেন বলেন, পার্কটি যখন উদ্বোধন করা হয় তখন লাইটিং ছিল, পানির ফোয়ারা ছিল। এগুলোর একটাও এখন সচল নেই। আমাদের দাবি, সিটি কর্পোরেশন যেন এসব দিকে নজর দেয়।
প্রখর রোদে পার্কে বিশ্রাম নিতে আসা আনোয়ার হোসেন বলেন, পার্কটি আমাদের মতো বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য বিশ্রাম ও অবসাদের জায়গা। আমি প্রায়ই এখানে আসি। শহরের মধ্যে এমন ফাঁকা জায়গা কমই আছে। তবে পার্কটি অবহেলা আর অযত্নে ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পয়ঃনিষ্কাশনও সুপেয় পানির যে ট্যাবগুলো বসানো ছিল তার একটাও সচল নেই। এখানে যারা দায়িত্বে আছে, তারা শুধু বলে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবে। কিন্তু তাতে কোনো ফল আসে না।
পার্কের রক্ষণাবেক্ষণকারী আ. মালেক বলেন, পার্কটির ইজারা নিয়েছেন কামাল ভাই। আমরা তার কাছ থেকে ভাড়া নিয়েছি। ২০০৮ সালে তৎকালীন মেয়র বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকা ভাইয়ের উদ্যোগে পার্কের পশ্চিম প্রান্তে পানির ফোয়ারা ও সাদা বকের চমৎকার ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছিল। সেই স্থানটিতে চারপাশে ঘেরাও দিয়ে এখন ময়লা ফেলার স্থায়ী জায়গা তৈরি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পার্কের ভিতরের একটা লাইটও জ্বলে না। এর মূল কারণ হলো পার্কে প্রায়ই নেশাগ্রস্ত মানুষের আনাগোনা। তারা লাইনের তার চুরি করে নিয়ে যায়। লাইটগুলো দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।
এসব বিষয়ে ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রাসেল রহমান বলেন, এ ধরনের অভিযোগ কেউ এখনো দেয়নি। পার্ক ও এর আশেপাশের এলাকায় যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে আমরা কাজ করবো।








