যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল চুক্তির পরও সার্বভৌমত্ব বজায় থাকবে: ভেনেজুয়েলা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল চুক্তির পরও সার্বভৌমত্ব বজায় থাকবে: ভেনেজুয়েলা
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি তেল চুক্তির ঘোষণা দিলেও দেশের সার্বভৌমত্ব সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ন থাকবে বলে জানিয়েছেন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। শনিবার (২৯ আগস্ট) এক ভাষণে তিনি জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া ঐতিহাসিক সমঝোতার মাধ্যমে ভেনেজুয়েলা তাদের বিপর্যস্ত তেলশিল্প নতুন করে দাঁড় করানোর সুযোগ পাবে। তবে প্রাকৃতিক সম্পদের মূল মালিকানা দেশের জনগণের হাতেই থাকবে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ বছর মেয়াদি এ চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রকে ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের অধিকার দেওয়া হবে। রদ্রিগেজ জানান, এ প্রকল্পের অধীনে দেশের ১৭টি কৌশলগত তেলক্ষেত্রের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। প্রাথমিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে দিনে অন্তত ১৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করা। পাশাপাশি দেশের জ্বালানি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে আরও ৮টি নতুন তেল ব্লকে অনুসন্ধানের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
চুক্তির আর্থিক হিসেব তুলে ধরে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট জানান, উৎপাদিত এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া প্রতি ব্যারেল তেল থেকে কারাকাস সরাসরি ১৯ ডলার করে পাবে। বিশ্ববাজারে তেলের দর ওঠানামার ওপর ভিত্তি করে এ খাত থেকে ভেনেজুয়েলা বছরে সর্বোচ্চ ২০৯ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে। দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় চরম ক্ষতিগ্রস্ত এ শিল্পকে পুনরুদ্ধার করতে মূলত বিদেশি মূলধন, উন্নত প্রযুক্তি ও পরিচালনগত দক্ষতাকে কাজে লাগাতে চাইছে প্রশাসন।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন ভেনেজুয়েলার তেল মজুদের ওপর আংশিক নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। জরাজীর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো পুনর্গঠনে মার্কিনসহ বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানি কাজ করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একই ধারাবাহিকতায়, আগামী সপ্তাহেই মার্কিন জ্বালানি জায়ান্ট ‘শেভরন’সহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তেল অনুসন্ধান ও উৎপাদনের নতুন চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভেনেজুয়েলা সরকার।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি তেল চুক্তির ঘোষণা দিলেও দেশের সার্বভৌমত্ব সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ন থাকবে বলে জানিয়েছেন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। শনিবার (২৯ আগস্ট) এক ভাষণে তিনি জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া ঐতিহাসিক সমঝোতার মাধ্যমে ভেনেজুয়েলা তাদের বিপর্যস্ত তেলশিল্প নতুন করে দাঁড় করানোর সুযোগ পাবে। তবে প্রাকৃতিক সম্পদের মূল মালিকানা দেশের জনগণের হাতেই থাকবে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ বছর মেয়াদি এ চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রকে ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের অধিকার দেওয়া হবে। রদ্রিগেজ জানান, এ প্রকল্পের অধীনে দেশের ১৭টি কৌশলগত তেলক্ষেত্রের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। প্রাথমিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে দিনে অন্তত ১৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করা। পাশাপাশি দেশের জ্বালানি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে আরও ৮টি নতুন তেল ব্লকে অনুসন্ধানের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
চুক্তির আর্থিক হিসেব তুলে ধরে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট জানান, উৎপাদিত এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া প্রতি ব্যারেল তেল থেকে কারাকাস সরাসরি ১৯ ডলার করে পাবে। বিশ্ববাজারে তেলের দর ওঠানামার ওপর ভিত্তি করে এ খাত থেকে ভেনেজুয়েলা বছরে সর্বোচ্চ ২০৯ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে। দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় চরম ক্ষতিগ্রস্ত এ শিল্পকে পুনরুদ্ধার করতে মূলত বিদেশি মূলধন, উন্নত প্রযুক্তি ও পরিচালনগত দক্ষতাকে কাজে লাগাতে চাইছে প্রশাসন।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন ভেনেজুয়েলার তেল মজুদের ওপর আংশিক নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। জরাজীর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো পুনর্গঠনে মার্কিনসহ বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানি কাজ করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একই ধারাবাহিকতায়, আগামী সপ্তাহেই মার্কিন জ্বালানি জায়ান্ট ‘শেভরন’সহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তেল অনুসন্ধান ও উৎপাদনের নতুন চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভেনেজুয়েলা সরকার।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল চুক্তির পরও সার্বভৌমত্ব বজায় থাকবে: ভেনেজুয়েলা
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি তেল চুক্তির ঘোষণা দিলেও দেশের সার্বভৌমত্ব সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ন থাকবে বলে জানিয়েছেন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। শনিবার (২৯ আগস্ট) এক ভাষণে তিনি জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া ঐতিহাসিক সমঝোতার মাধ্যমে ভেনেজুয়েলা তাদের বিপর্যস্ত তেলশিল্প নতুন করে দাঁড় করানোর সুযোগ পাবে। তবে প্রাকৃতিক সম্পদের মূল মালিকানা দেশের জনগণের হাতেই থাকবে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ বছর মেয়াদি এ চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রকে ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের অধিকার দেওয়া হবে। রদ্রিগেজ জানান, এ প্রকল্পের অধীনে দেশের ১৭টি কৌশলগত তেলক্ষেত্রের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। প্রাথমিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে দিনে অন্তত ১৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করা। পাশাপাশি দেশের জ্বালানি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে আরও ৮টি নতুন তেল ব্লকে অনুসন্ধানের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
চুক্তির আর্থিক হিসেব তুলে ধরে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট জানান, উৎপাদিত এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া প্রতি ব্যারেল তেল থেকে কারাকাস সরাসরি ১৯ ডলার করে পাবে। বিশ্ববাজারে তেলের দর ওঠানামার ওপর ভিত্তি করে এ খাত থেকে ভেনেজুয়েলা বছরে সর্বোচ্চ ২০৯ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে। দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় চরম ক্ষতিগ্রস্ত এ শিল্পকে পুনরুদ্ধার করতে মূলত বিদেশি মূলধন, উন্নত প্রযুক্তি ও পরিচালনগত দক্ষতাকে কাজে লাগাতে চাইছে প্রশাসন।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন ভেনেজুয়েলার তেল মজুদের ওপর আংশিক নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। জরাজীর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো পুনর্গঠনে মার্কিনসহ বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানি কাজ করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একই ধারাবাহিকতায়, আগামী সপ্তাহেই মার্কিন জ্বালানি জায়ান্ট ‘শেভরন’সহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তেল অনুসন্ধান ও উৎপাদনের নতুন চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভেনেজুয়েলা সরকার।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল মুসলিম বিশ্বের ‘চিরশত্রু’: মোজতবা খামেনি







