প্রাণভয়ে লোকচক্ষুর আড়ালে ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন

প্রাণভয়ে লোকচক্ষুর আড়ালে ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন ট্রাম্প এখন দিন কাটাচ্ছেন লোকচক্ষুর আড়ালে। এর কারণ তাকে হত্যার ছক। বয়স সবে ২০ বছর, নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষের পড়ালেখাও শেষ। কিন্তু জীবনের এ সময়ে মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়ানোর বদলে এ তরুণ কাটাচ্ছেন প্রায় বন্দি জীবন।
পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গ্রীষ্মের লম্বা সময়টা নিউজার্সির বেডমিনস্টারে নিজেদের গলফ ক্লাবে মা মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গেই কাটিয়েছেন ব্যারন। ঘরের ৪ দেয়াল থেকে তার বাইরে বের হওয়া একরকম বন্ধই বলা চলে। সম্প্রতি একটি ইরানি গোষ্ঠী ব্যারনকে নিয়ে এটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে। সেখানে ব্যারনের মাথার বিনিময়ে এক কোটি ডলার পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়। এ চরম হুমকির টার্গেটে মেলানিয়া নিজেও রয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ব্যারনের ব্যক্তিগত তথ্য বা তিনি কোথায় আছেন, তা যেন বাইরে না আসে- সে বিষয়ে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে মেলানিয়ার দপ্তর।
ট্রাম্প পরিবারের ওপর নিরাপত্তার সংকট কিন্তু নতুন নয়। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প অন্তত ৩ বার হত্যাচেষ্টা থেকে রেহাই পেয়েছেন। তার ওপর ২০২৫ সালে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ চার্লি কার্ক নিহত হওয়ার ঘটনাটি তরুণ ব্যারনের জন্য বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ধাক্কা। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চারপাশের এ অস্থিরতা ও নিশ্চিত প্রাণঝুঁকির মধ্যে জনসমক্ষ থেকে ব্যারন ট্রাম্পের দূরে থাকাটা খুবই স্বাভাবিক আত্মরক্ষা কৌশল।
ট্রাম্প পরিবারের অন্য সন্তানরা রাজনীতি ও পারিবারিক ব্যবসা নিয়ে প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলেও ব্যারন হেঁটেছেন উল্টো পথে। রাজনীতির মাঠে নামার কোনো ইচ্ছাই তার নেই। বন্ধুদের সঙ্গে ব্যবসায় যুক্ত হওয়া আর ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ করতেই তাকে বেশি আগ্রহী দেখা গেছে।
ব্যারনকে শেষবার প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল ১৯ জুলাই, নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। মা-বাবার সঙ্গে সেদিন ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করছিলেন তিনি। তবে সেই উপস্থিতি ছিল বুলেটপ্রুফ কাচের আড়ালে, কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে।
সূত্র: এনডিটিভি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন ট্রাম্প এখন দিন কাটাচ্ছেন লোকচক্ষুর আড়ালে। এর কারণ তাকে হত্যার ছক। বয়স সবে ২০ বছর, নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষের পড়ালেখাও শেষ। কিন্তু জীবনের এ সময়ে মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়ানোর বদলে এ তরুণ কাটাচ্ছেন প্রায় বন্দি জীবন।
পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গ্রীষ্মের লম্বা সময়টা নিউজার্সির বেডমিনস্টারে নিজেদের গলফ ক্লাবে মা মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গেই কাটিয়েছেন ব্যারন। ঘরের ৪ দেয়াল থেকে তার বাইরে বের হওয়া একরকম বন্ধই বলা চলে। সম্প্রতি একটি ইরানি গোষ্ঠী ব্যারনকে নিয়ে এটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে। সেখানে ব্যারনের মাথার বিনিময়ে এক কোটি ডলার পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়। এ চরম হুমকির টার্গেটে মেলানিয়া নিজেও রয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ব্যারনের ব্যক্তিগত তথ্য বা তিনি কোথায় আছেন, তা যেন বাইরে না আসে- সে বিষয়ে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে মেলানিয়ার দপ্তর।
ট্রাম্প পরিবারের ওপর নিরাপত্তার সংকট কিন্তু নতুন নয়। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প অন্তত ৩ বার হত্যাচেষ্টা থেকে রেহাই পেয়েছেন। তার ওপর ২০২৫ সালে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ চার্লি কার্ক নিহত হওয়ার ঘটনাটি তরুণ ব্যারনের জন্য বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ধাক্কা। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চারপাশের এ অস্থিরতা ও নিশ্চিত প্রাণঝুঁকির মধ্যে জনসমক্ষ থেকে ব্যারন ট্রাম্পের দূরে থাকাটা খুবই স্বাভাবিক আত্মরক্ষা কৌশল।
ট্রাম্প পরিবারের অন্য সন্তানরা রাজনীতি ও পারিবারিক ব্যবসা নিয়ে প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলেও ব্যারন হেঁটেছেন উল্টো পথে। রাজনীতির মাঠে নামার কোনো ইচ্ছাই তার নেই। বন্ধুদের সঙ্গে ব্যবসায় যুক্ত হওয়া আর ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ করতেই তাকে বেশি আগ্রহী দেখা গেছে।
ব্যারনকে শেষবার প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল ১৯ জুলাই, নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। মা-বাবার সঙ্গে সেদিন ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করছিলেন তিনি। তবে সেই উপস্থিতি ছিল বুলেটপ্রুফ কাচের আড়ালে, কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে।
সূত্র: এনডিটিভি

প্রাণভয়ে লোকচক্ষুর আড়ালে ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন ট্রাম্প এখন দিন কাটাচ্ছেন লোকচক্ষুর আড়ালে। এর কারণ তাকে হত্যার ছক। বয়স সবে ২০ বছর, নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষের পড়ালেখাও শেষ। কিন্তু জীবনের এ সময়ে মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়ানোর বদলে এ তরুণ কাটাচ্ছেন প্রায় বন্দি জীবন।
পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গ্রীষ্মের লম্বা সময়টা নিউজার্সির বেডমিনস্টারে নিজেদের গলফ ক্লাবে মা মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গেই কাটিয়েছেন ব্যারন। ঘরের ৪ দেয়াল থেকে তার বাইরে বের হওয়া একরকম বন্ধই বলা চলে। সম্প্রতি একটি ইরানি গোষ্ঠী ব্যারনকে নিয়ে এটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে। সেখানে ব্যারনের মাথার বিনিময়ে এক কোটি ডলার পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়। এ চরম হুমকির টার্গেটে মেলানিয়া নিজেও রয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ব্যারনের ব্যক্তিগত তথ্য বা তিনি কোথায় আছেন, তা যেন বাইরে না আসে- সে বিষয়ে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে মেলানিয়ার দপ্তর।
ট্রাম্প পরিবারের ওপর নিরাপত্তার সংকট কিন্তু নতুন নয়। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প অন্তত ৩ বার হত্যাচেষ্টা থেকে রেহাই পেয়েছেন। তার ওপর ২০২৫ সালে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ চার্লি কার্ক নিহত হওয়ার ঘটনাটি তরুণ ব্যারনের জন্য বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ধাক্কা। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চারপাশের এ অস্থিরতা ও নিশ্চিত প্রাণঝুঁকির মধ্যে জনসমক্ষ থেকে ব্যারন ট্রাম্পের দূরে থাকাটা খুবই স্বাভাবিক আত্মরক্ষা কৌশল।
ট্রাম্প পরিবারের অন্য সন্তানরা রাজনীতি ও পারিবারিক ব্যবসা নিয়ে প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলেও ব্যারন হেঁটেছেন উল্টো পথে। রাজনীতির মাঠে নামার কোনো ইচ্ছাই তার নেই। বন্ধুদের সঙ্গে ব্যবসায় যুক্ত হওয়া আর ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ করতেই তাকে বেশি আগ্রহী দেখা গেছে।
ব্যারনকে শেষবার প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল ১৯ জুলাই, নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। মা-বাবার সঙ্গে সেদিন ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করছিলেন তিনি। তবে সেই উপস্থিতি ছিল বুলেটপ্রুফ কাচের আড়ালে, কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে।
সূত্র: এনডিটিভি

ট্রাম্পের ছেলেকে হত্যায় ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা, তদন্তে সিক্রেট সার্ভিস







