দেড় হাজার স্পট নিয়ে চূড়ান্ত হচ্ছে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা

দেড় হাজার স্পট নিয়ে চূড়ান্ত হচ্ছে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশের সম্ভাব্য প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্থান চিহ্নিত করে একটি যুগোপযোগী ও সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্তের কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে দ্বিতীয় দিনে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, দেশে পর্যটন খাতের সঠিক তথ্যের ঘাটতি দূর করা এবং সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ প্রণয়নের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সার্বিক বিকাশে স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় জনসাধারণকে সরাসরি যুক্ত করে ‘কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম’ মডেলে পর্যটন স্পটগুলোর পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নের কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ভ্রমণে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষায়িত ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল ও কাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক পর্যটনের সার্বিক প্রসারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে শীঘ্রই দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি দ্বি-পাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। স্মারক স্বাক্ষরের পর দ্রুত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপি প্রণয়ন করা হবে এবং পুরো কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে কার্যকরভাবে তুলে ধরতে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি নতুন অফিশিয়াল ওয়েব পোর্টাল তৈরির কাজ চলছে।

সারা দেশের সম্ভাব্য প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্থান চিহ্নিত করে একটি যুগোপযোগী ও সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্তের কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে দ্বিতীয় দিনে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, দেশে পর্যটন খাতের সঠিক তথ্যের ঘাটতি দূর করা এবং সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ প্রণয়নের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সার্বিক বিকাশে স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় জনসাধারণকে সরাসরি যুক্ত করে ‘কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম’ মডেলে পর্যটন স্পটগুলোর পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নের কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ভ্রমণে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষায়িত ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল ও কাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক পর্যটনের সার্বিক প্রসারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে শীঘ্রই দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি দ্বি-পাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। স্মারক স্বাক্ষরের পর দ্রুত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপি প্রণয়ন করা হবে এবং পুরো কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে কার্যকরভাবে তুলে ধরতে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি নতুন অফিশিয়াল ওয়েব পোর্টাল তৈরির কাজ চলছে।

দেড় হাজার স্পট নিয়ে চূড়ান্ত হচ্ছে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশের সম্ভাব্য প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্থান চিহ্নিত করে একটি যুগোপযোগী ও সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্তের কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে দ্বিতীয় দিনে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, দেশে পর্যটন খাতের সঠিক তথ্যের ঘাটতি দূর করা এবং সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ প্রণয়নের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সার্বিক বিকাশে স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় জনসাধারণকে সরাসরি যুক্ত করে ‘কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম’ মডেলে পর্যটন স্পটগুলোর পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নের কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ভ্রমণে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষায়িত ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল ও কাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক পর্যটনের সার্বিক প্রসারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে শীঘ্রই দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি দ্বি-পাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। স্মারক স্বাক্ষরের পর দ্রুত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপি প্রণয়ন করা হবে এবং পুরো কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে কার্যকরভাবে তুলে ধরতে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি নতুন অফিশিয়াল ওয়েব পোর্টাল তৈরির কাজ চলছে।

দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই, সংসদে কৃষিমন্ত্রী






