দক্ষিণ সুদানে বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত

দক্ষিণ সুদানে বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত
সিটিজেন ডেস্ক

আফ্রিকার দেশ দক্ষিণ সুদানে একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে এতে থাকা সব আরোহী নিহত হয়েছেন। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (এসএসসিএএ) এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে রাজধানী জুবা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ইয়েই থেকে উড্ডয়ন করার প্রায় ৩০ মিনিট পর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে একটি তদন্ত দল পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খারাপ আবহাওয়ায় কম দৃশ্যমানতার কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হতে পারে।
বিমানটিতে পাইলটসহ মোট ১৫ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ১৩ জন দক্ষিণ সুদানের এবং দুইজন কেনিয়ার নাগরিক। দুর্ঘটনায় সবাই নিহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার শিকার বিমানটি ছিল একটি সেসনা ২০৮ ক্যারাভান। এটি পরিচালনা করছিল সিটিলিংক এভিয়েশন লিমিটেড।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষে আগুন জ্বলছে।
বিশ্বের নবীনতম দেশ দক্ষিণ সুদানে পরিবহন অবকাঠামো এখনও দুর্বল এবং বিমান খাতের নিরাপত্তা রেকর্ড ভালো নয়। ২০১১ সালে স্বাধীনতার পরবর্তী এক দশকে দেশটিতে ৫৫টির বেশি বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
এসব দুর্ঘটনার পেছনে পুরোনো বিমান, দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, খারাপ আবহাওয়া ও পাইলটের ভুলকে দায়ী করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইউনিটি রাজ্যের তেলক্ষেত্র এলাকায় উড্ডয়নের তিন মিনিট পর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২০ জন তেল শ্রমিক নিহত হন। এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে জুবা বিমানবন্দরের কাছে একটি আন্তোনভ বিমান দুর্ঘটনায় ৪১ জন নিহত হয়েছিলেন।
সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

আফ্রিকার দেশ দক্ষিণ সুদানে একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে এতে থাকা সব আরোহী নিহত হয়েছেন। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (এসএসসিএএ) এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে রাজধানী জুবা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ইয়েই থেকে উড্ডয়ন করার প্রায় ৩০ মিনিট পর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে একটি তদন্ত দল পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খারাপ আবহাওয়ায় কম দৃশ্যমানতার কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হতে পারে।
বিমানটিতে পাইলটসহ মোট ১৫ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ১৩ জন দক্ষিণ সুদানের এবং দুইজন কেনিয়ার নাগরিক। দুর্ঘটনায় সবাই নিহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার শিকার বিমানটি ছিল একটি সেসনা ২০৮ ক্যারাভান। এটি পরিচালনা করছিল সিটিলিংক এভিয়েশন লিমিটেড।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষে আগুন জ্বলছে।
বিশ্বের নবীনতম দেশ দক্ষিণ সুদানে পরিবহন অবকাঠামো এখনও দুর্বল এবং বিমান খাতের নিরাপত্তা রেকর্ড ভালো নয়। ২০১১ সালে স্বাধীনতার পরবর্তী এক দশকে দেশটিতে ৫৫টির বেশি বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
এসব দুর্ঘটনার পেছনে পুরোনো বিমান, দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, খারাপ আবহাওয়া ও পাইলটের ভুলকে দায়ী করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইউনিটি রাজ্যের তেলক্ষেত্র এলাকায় উড্ডয়নের তিন মিনিট পর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২০ জন তেল শ্রমিক নিহত হন। এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে জুবা বিমানবন্দরের কাছে একটি আন্তোনভ বিমান দুর্ঘটনায় ৪১ জন নিহত হয়েছিলেন।
সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

দক্ষিণ সুদানে বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত
সিটিজেন ডেস্ক

আফ্রিকার দেশ দক্ষিণ সুদানে একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে এতে থাকা সব আরোহী নিহত হয়েছেন। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (এসএসসিএএ) এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে রাজধানী জুবা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ইয়েই থেকে উড্ডয়ন করার প্রায় ৩০ মিনিট পর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে একটি তদন্ত দল পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খারাপ আবহাওয়ায় কম দৃশ্যমানতার কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হতে পারে।
বিমানটিতে পাইলটসহ মোট ১৫ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ১৩ জন দক্ষিণ সুদানের এবং দুইজন কেনিয়ার নাগরিক। দুর্ঘটনায় সবাই নিহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার শিকার বিমানটি ছিল একটি সেসনা ২০৮ ক্যারাভান। এটি পরিচালনা করছিল সিটিলিংক এভিয়েশন লিমিটেড।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষে আগুন জ্বলছে।
বিশ্বের নবীনতম দেশ দক্ষিণ সুদানে পরিবহন অবকাঠামো এখনও দুর্বল এবং বিমান খাতের নিরাপত্তা রেকর্ড ভালো নয়। ২০১১ সালে স্বাধীনতার পরবর্তী এক দশকে দেশটিতে ৫৫টির বেশি বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
এসব দুর্ঘটনার পেছনে পুরোনো বিমান, দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, খারাপ আবহাওয়া ও পাইলটের ভুলকে দায়ী করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইউনিটি রাজ্যের তেলক্ষেত্র এলাকায় উড্ডয়নের তিন মিনিট পর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২০ জন তেল শ্রমিক নিহত হন। এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে জুবা বিমানবন্দরের কাছে একটি আন্তোনভ বিমান দুর্ঘটনায় ৪১ জন নিহত হয়েছিলেন।
সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

ক্রিমিয়ায় রুশ সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২৯


