ইন্টারনেট-স্মার্টফোনের যুগেও আফ্রিকায় জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রেডিও

ইন্টারনেট-স্মার্টফোনের যুগেও আফ্রিকায় জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রেডিও
সিজেডএন ডেস্ক

ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জয়জয়কারের মধ্যেও কেনিয়ায় দেখা দিয়েছে এক অদ্ভুত সমস্যা। দেশটিতে রেডিও স্টেশনের সংখ্যা এত দ্রুত বাড়ছে যে, নতুন কোনো স্টেশনের জন্য সম্প্রচার তরঙ্গ বা ফ্রিকোয়েন্সি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে রাজধানী নাইরোবির মতো ব্যস্ত শহরগুলোতে নতুন রেডিও চালু করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। বর্তমানে কেনিয়ায় ২৫০টিরও বেশি এফএম স্টেশন চালু রয়েছে এবং অনুমতির অপেক্ষায় সারিবদ্ধভাবে জমা পড়ে আছে আরও অনেক আবেদন।
কেনিয়ার এ চিত্র বস্তুত পুরো আফ্রিকা মহাদেশেই রেডিওর এক অবিশ্বাস্য জনপ্রিয়তার বহিঃপ্রকাশ। আফ্রোব্যারোমিটারের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, শহর ও গ্রাম মিলিয়ে আফ্রিকার প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে একাধিকবার খবর শোনার জন্য রেডিওর ওপর নির্ভর করেন। এমনকি তরুণদের মধ্যেও এর আবেদন কমেনি। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ৫৫ শতাংশই নিয়মিত রেডিও থেকে সংবাদ পান, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রায় কাছাকাছি।
আফ্রিকায় রেডিওর পথচলা শুরু হয়েছিল ১৯২০-এর দশকে কলোনিয়াল শাসকদের প্রচারযন্ত্র হিসেবে। পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামে গোপন রেডিও স্টেশনগুলোই হয়ে ওঠে প্রতিরোধের প্রধান হাতিয়ার। ষাটের দশকে দেশগুলো স্বাধীন হলে ট্রানজিস্টর রেডিও সহজলভ্য করতে ভর্তুকি দেয় নতুন সরকারগুলো। তবে ইতিহাসের পাতায় রেডিওর অপব্যবহারের কালো দাগও রয়েছে। ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডা গণহত্যার সময় একটি বিশেষ রেডিও স্টেশন থেকে চরম ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছিল। তবে আধুনিক যুগে এসে এর ইতিবাচক প্রভাবই বেশি দেখা যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট জানিয়েছে, রেডিওর এই টিকে থাকা ও নতুন করে জনপ্রিয় হওয়ার মূল রহস্য হলো এর অত্যন্ত কম খরচ এবং সহজলভ্যতা। আফ্রিকায় বাজারের সস্তা মোবাইল ফোনেও এফএম রেডিওর সুবিধা থাকে, যা শুনতে বাড়তি কোনো মোবাইল ডেটা লাগে না। এমনকি শহরের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকা মানুষও সরাসরি ফোন করে পছন্দের রেডিও অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন। বিস্ময়করভাবে, ইন্টারনেট রেডিওর প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে বরং এর জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। রেডিওর তারকা উপস্থাপকেরা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক জনপ্রিয়।
বর্তমানে কেনিয়ার এ রেডিও তরঙ্গের তীব্র সংকট কাটাতে নতুন প্রযুক্তির পথ ধরছে দেশটি। ফ্রিকোয়েন্সি সমস্যা মেটাতে তারা পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল অডিও ব্রডকাস্টিং বা ডিএবি প্রযুক্তি চালু করছে। এর মাধ্যমে একই তরঙ্গপথ ব্যবহার করেই আগের চেয়ে অনেক বেশি স্টেশন সহজে সম্প্রচার চালাতে পারবে।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিস্ট

ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জয়জয়কারের মধ্যেও কেনিয়ায় দেখা দিয়েছে এক অদ্ভুত সমস্যা। দেশটিতে রেডিও স্টেশনের সংখ্যা এত দ্রুত বাড়ছে যে, নতুন কোনো স্টেশনের জন্য সম্প্রচার তরঙ্গ বা ফ্রিকোয়েন্সি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে রাজধানী নাইরোবির মতো ব্যস্ত শহরগুলোতে নতুন রেডিও চালু করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। বর্তমানে কেনিয়ায় ২৫০টিরও বেশি এফএম স্টেশন চালু রয়েছে এবং অনুমতির অপেক্ষায় সারিবদ্ধভাবে জমা পড়ে আছে আরও অনেক আবেদন।
কেনিয়ার এ চিত্র বস্তুত পুরো আফ্রিকা মহাদেশেই রেডিওর এক অবিশ্বাস্য জনপ্রিয়তার বহিঃপ্রকাশ। আফ্রোব্যারোমিটারের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, শহর ও গ্রাম মিলিয়ে আফ্রিকার প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে একাধিকবার খবর শোনার জন্য রেডিওর ওপর নির্ভর করেন। এমনকি তরুণদের মধ্যেও এর আবেদন কমেনি। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ৫৫ শতাংশই নিয়মিত রেডিও থেকে সংবাদ পান, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রায় কাছাকাছি।
আফ্রিকায় রেডিওর পথচলা শুরু হয়েছিল ১৯২০-এর দশকে কলোনিয়াল শাসকদের প্রচারযন্ত্র হিসেবে। পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামে গোপন রেডিও স্টেশনগুলোই হয়ে ওঠে প্রতিরোধের প্রধান হাতিয়ার। ষাটের দশকে দেশগুলো স্বাধীন হলে ট্রানজিস্টর রেডিও সহজলভ্য করতে ভর্তুকি দেয় নতুন সরকারগুলো। তবে ইতিহাসের পাতায় রেডিওর অপব্যবহারের কালো দাগও রয়েছে। ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডা গণহত্যার সময় একটি বিশেষ রেডিও স্টেশন থেকে চরম ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছিল। তবে আধুনিক যুগে এসে এর ইতিবাচক প্রভাবই বেশি দেখা যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট জানিয়েছে, রেডিওর এই টিকে থাকা ও নতুন করে জনপ্রিয় হওয়ার মূল রহস্য হলো এর অত্যন্ত কম খরচ এবং সহজলভ্যতা। আফ্রিকায় বাজারের সস্তা মোবাইল ফোনেও এফএম রেডিওর সুবিধা থাকে, যা শুনতে বাড়তি কোনো মোবাইল ডেটা লাগে না। এমনকি শহরের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকা মানুষও সরাসরি ফোন করে পছন্দের রেডিও অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন। বিস্ময়করভাবে, ইন্টারনেট রেডিওর প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে বরং এর জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। রেডিওর তারকা উপস্থাপকেরা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক জনপ্রিয়।
বর্তমানে কেনিয়ার এ রেডিও তরঙ্গের তীব্র সংকট কাটাতে নতুন প্রযুক্তির পথ ধরছে দেশটি। ফ্রিকোয়েন্সি সমস্যা মেটাতে তারা পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল অডিও ব্রডকাস্টিং বা ডিএবি প্রযুক্তি চালু করছে। এর মাধ্যমে একই তরঙ্গপথ ব্যবহার করেই আগের চেয়ে অনেক বেশি স্টেশন সহজে সম্প্রচার চালাতে পারবে।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিস্ট

ইন্টারনেট-স্মার্টফোনের যুগেও আফ্রিকায় জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রেডিও
সিজেডএন ডেস্ক

ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জয়জয়কারের মধ্যেও কেনিয়ায় দেখা দিয়েছে এক অদ্ভুত সমস্যা। দেশটিতে রেডিও স্টেশনের সংখ্যা এত দ্রুত বাড়ছে যে, নতুন কোনো স্টেশনের জন্য সম্প্রচার তরঙ্গ বা ফ্রিকোয়েন্সি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে রাজধানী নাইরোবির মতো ব্যস্ত শহরগুলোতে নতুন রেডিও চালু করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। বর্তমানে কেনিয়ায় ২৫০টিরও বেশি এফএম স্টেশন চালু রয়েছে এবং অনুমতির অপেক্ষায় সারিবদ্ধভাবে জমা পড়ে আছে আরও অনেক আবেদন।
কেনিয়ার এ চিত্র বস্তুত পুরো আফ্রিকা মহাদেশেই রেডিওর এক অবিশ্বাস্য জনপ্রিয়তার বহিঃপ্রকাশ। আফ্রোব্যারোমিটারের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, শহর ও গ্রাম মিলিয়ে আফ্রিকার প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে একাধিকবার খবর শোনার জন্য রেডিওর ওপর নির্ভর করেন। এমনকি তরুণদের মধ্যেও এর আবেদন কমেনি। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ৫৫ শতাংশই নিয়মিত রেডিও থেকে সংবাদ পান, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রায় কাছাকাছি।
আফ্রিকায় রেডিওর পথচলা শুরু হয়েছিল ১৯২০-এর দশকে কলোনিয়াল শাসকদের প্রচারযন্ত্র হিসেবে। পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামে গোপন রেডিও স্টেশনগুলোই হয়ে ওঠে প্রতিরোধের প্রধান হাতিয়ার। ষাটের দশকে দেশগুলো স্বাধীন হলে ট্রানজিস্টর রেডিও সহজলভ্য করতে ভর্তুকি দেয় নতুন সরকারগুলো। তবে ইতিহাসের পাতায় রেডিওর অপব্যবহারের কালো দাগও রয়েছে। ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডা গণহত্যার সময় একটি বিশেষ রেডিও স্টেশন থেকে চরম ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছিল। তবে আধুনিক যুগে এসে এর ইতিবাচক প্রভাবই বেশি দেখা যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট জানিয়েছে, রেডিওর এই টিকে থাকা ও নতুন করে জনপ্রিয় হওয়ার মূল রহস্য হলো এর অত্যন্ত কম খরচ এবং সহজলভ্যতা। আফ্রিকায় বাজারের সস্তা মোবাইল ফোনেও এফএম রেডিওর সুবিধা থাকে, যা শুনতে বাড়তি কোনো মোবাইল ডেটা লাগে না। এমনকি শহরের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকা মানুষও সরাসরি ফোন করে পছন্দের রেডিও অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন। বিস্ময়করভাবে, ইন্টারনেট রেডিওর প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে বরং এর জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। রেডিওর তারকা উপস্থাপকেরা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক জনপ্রিয়।
বর্তমানে কেনিয়ার এ রেডিও তরঙ্গের তীব্র সংকট কাটাতে নতুন প্রযুক্তির পথ ধরছে দেশটি। ফ্রিকোয়েন্সি সমস্যা মেটাতে তারা পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল অডিও ব্রডকাস্টিং বা ডিএবি প্রযুক্তি চালু করছে। এর মাধ্যমে একই তরঙ্গপথ ব্যবহার করেই আগের চেয়ে অনেক বেশি স্টেশন সহজে সম্প্রচার চালাতে পারবে।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিস্ট









