কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পের পর দফায় দফায় আফটারশক, নিহত বেড়ে ১৩২

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পের পর দফায় দফায় আফটারশক, নিহত বেড়ে ১৩২
সিজেডএন ডেস্ক

কলম্বিয়ায় আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৫৭০ জন। এ ঘটনায় এখনও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
এতে বলা হয়েছে, কলম্বিয়ায় আঘাত হানা শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে হতাহতের তথ্য সামনে এনেছে কলম্বিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যাপিটাল সিটিজ। ভূমিকম্পের পর প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলাবিষয়ক বৈঠকেও অংশ নিয়েছিল সংগঠনটি। সংগঠনটি জানিয়েছে, শুধু পেরেইরা শহরেই ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির পাঁচটি শহরে সর্বোচ্চ রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ধসে পড়েছে ৮৬টি ভবন এবং সাতটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সোমবারের এই ভূমিকম্পে কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ক্যালি, পেরেইরা, কুইবদো ও মানিজালেস শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রতিবেশী ইকুয়েডর ও পানামাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার এলাকায়। রাজধানী বোগোতা থেকে জায়গাটি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয় ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যালিতে অন্তত ২০টি ভবন ধসে পড়েছে এবং ৩৮০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেক মানুষ আটকা পড়েছেন।
এদিকে, জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা।
তিনি বলেন, মানুষের জীবন রক্ষা, ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দিতে জাতীয় সরকার তার সব সক্ষমতা কাজে লাগিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার করাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। প্রাথমিক হিসাবে ১১১ জন নিহত ও ৮৭ জন আহত হয়েছেন। পরে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে পৌঁছায়। পাশাপাশি বহু ভবন ধসে পড়া এবং অনেক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

কলম্বিয়ায় আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৫৭০ জন। এ ঘটনায় এখনও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
এতে বলা হয়েছে, কলম্বিয়ায় আঘাত হানা শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে হতাহতের তথ্য সামনে এনেছে কলম্বিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যাপিটাল সিটিজ। ভূমিকম্পের পর প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলাবিষয়ক বৈঠকেও অংশ নিয়েছিল সংগঠনটি। সংগঠনটি জানিয়েছে, শুধু পেরেইরা শহরেই ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির পাঁচটি শহরে সর্বোচ্চ রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ধসে পড়েছে ৮৬টি ভবন এবং সাতটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সোমবারের এই ভূমিকম্পে কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ক্যালি, পেরেইরা, কুইবদো ও মানিজালেস শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রতিবেশী ইকুয়েডর ও পানামাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার এলাকায়। রাজধানী বোগোতা থেকে জায়গাটি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয় ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যালিতে অন্তত ২০টি ভবন ধসে পড়েছে এবং ৩৮০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেক মানুষ আটকা পড়েছেন।
এদিকে, জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা।
তিনি বলেন, মানুষের জীবন রক্ষা, ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দিতে জাতীয় সরকার তার সব সক্ষমতা কাজে লাগিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার করাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। প্রাথমিক হিসাবে ১১১ জন নিহত ও ৮৭ জন আহত হয়েছেন। পরে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে পৌঁছায়। পাশাপাশি বহু ভবন ধসে পড়া এবং অনেক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পের পর দফায় দফায় আফটারশক, নিহত বেড়ে ১৩২
সিজেডএন ডেস্ক

কলম্বিয়ায় আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৫৭০ জন। এ ঘটনায় এখনও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
এতে বলা হয়েছে, কলম্বিয়ায় আঘাত হানা শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে হতাহতের তথ্য সামনে এনেছে কলম্বিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যাপিটাল সিটিজ। ভূমিকম্পের পর প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলাবিষয়ক বৈঠকেও অংশ নিয়েছিল সংগঠনটি। সংগঠনটি জানিয়েছে, শুধু পেরেইরা শহরেই ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির পাঁচটি শহরে সর্বোচ্চ রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ধসে পড়েছে ৮৬টি ভবন এবং সাতটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সোমবারের এই ভূমিকম্পে কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ক্যালি, পেরেইরা, কুইবদো ও মানিজালেস শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রতিবেশী ইকুয়েডর ও পানামাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার এলাকায়। রাজধানী বোগোতা থেকে জায়গাটি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয় ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যালিতে অন্তত ২০টি ভবন ধসে পড়েছে এবং ৩৮০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেক মানুষ আটকা পড়েছেন।
এদিকে, জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা।
তিনি বলেন, মানুষের জীবন রক্ষা, ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দিতে জাতীয় সরকার তার সব সক্ষমতা কাজে লাগিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার করাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। প্রাথমিক হিসাবে ১১১ জন নিহত ও ৮৭ জন আহত হয়েছেন। পরে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে পৌঁছায়। পাশাপাশি বহু ভবন ধসে পড়া এবং অনেক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

কলম্বিয়ার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৮







