হামের থাবায় ঝরছে শিশুর প্রাণ, সতর্ক সরকার

হামের থাবায় ঝরছে শিশুর প্রাণ, সতর্ক সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্প্রতি সময়ে দেশজুড়ে ‘মহামারি’ আকার ধারণ করেছে হাম। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে দেশের ৫২৮ শিশু হাম ও উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে। করোনা মহামারির পর, যা নতুন করে দেশের মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে টিকা কার্যক্রম জোরদার করা হলেও হামের থাবা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না শিশুরা।
জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে হামের সংক্রমণ শুরু হয়। তবে মার্চে দেশজুড়ে রোগটির ব্যাপক বিস্তার ঘটে। আর ১৫ মার্চ থেকে হাম আক্রান্ত ও রোগের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা বা ভর্তি রোগী এবং মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করতে শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিল মাসের তুলনায় চলতি মে মাসে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যুর হার অনেকাংশেই বেড়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে রবিবার (২৪ মে) সকাল আটটা পর্যন্ত মোট ৬৩ হাজার ৮১৩ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। তাদের মধ্যে ৫০ হাজার ৫৫৮ শিশু দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়। এসব রোগীদের মধ্যে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৬ শিশু মারা যায়। আর হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪৪২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৬ হাজার ২১৪ শিশু।
এই দুই মাস নয় দিনের মধ্যে গত ৪ মে একদিনে হাম ও উপসর্গে রেকর্ড ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়। আর আজ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ শিশুর মৃত্যু হলো।
রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামের উপসর্গ নিয়ে গতকাল শনিবার সকাল ৮টা আজ (রবিবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত আরও ১৬ শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে ঢাকায় ১০, রাজশাহীতে এক, সিলেটে এক, বরিশালে এক, ময়মনসিংহে দুই ও রংপুরে একজনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৪ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সামগ্রিক চিত্র উদ্বেগজনক। ইতোমধ্যে আক্রান্ত শিশুদের শরীরে হাম-পরবর্তী নানা জটিলতা দেখা দেওয়ায় আগামী কয়েক সপ্তাহ মৃত্যু বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।
চিকিৎসক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল
পরিস্থিতির ভয়াবহতাও আঁচ করা গেছে। হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আসন্ন ঈদেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
গত ১৯ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী সই করা এক অফিস আদেশে বলা হয়, দেশের এই আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা, নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন সব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের অর্জিত ছুটি ও নৈমিত্তিক ছুটি স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে।
টিকাদান কর্মসূচির চিত্র
এর আগে, হামের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার পর গত ৫ এপ্রিল ১৮ জেলার ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে ১২ এপ্রিল ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকাদান শুরু করা হয়। এরপর ২০ এপ্রিল সারা দেশে টিকাদান কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়। এই সময়ে এক কোটি ৮৩ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি অর্থাৎ, ১০৪ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।

সম্প্রতি সময়ে দেশজুড়ে ‘মহামারি’ আকার ধারণ করেছে হাম। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে দেশের ৫২৮ শিশু হাম ও উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে। করোনা মহামারির পর, যা নতুন করে দেশের মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে টিকা কার্যক্রম জোরদার করা হলেও হামের থাবা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না শিশুরা।
জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে হামের সংক্রমণ শুরু হয়। তবে মার্চে দেশজুড়ে রোগটির ব্যাপক বিস্তার ঘটে। আর ১৫ মার্চ থেকে হাম আক্রান্ত ও রোগের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা বা ভর্তি রোগী এবং মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করতে শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিল মাসের তুলনায় চলতি মে মাসে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যুর হার অনেকাংশেই বেড়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে রবিবার (২৪ মে) সকাল আটটা পর্যন্ত মোট ৬৩ হাজার ৮১৩ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। তাদের মধ্যে ৫০ হাজার ৫৫৮ শিশু দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়। এসব রোগীদের মধ্যে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৬ শিশু মারা যায়। আর হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪৪২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৬ হাজার ২১৪ শিশু।
এই দুই মাস নয় দিনের মধ্যে গত ৪ মে একদিনে হাম ও উপসর্গে রেকর্ড ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়। আর আজ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ শিশুর মৃত্যু হলো।
রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামের উপসর্গ নিয়ে গতকাল শনিবার সকাল ৮টা আজ (রবিবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত আরও ১৬ শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে ঢাকায় ১০, রাজশাহীতে এক, সিলেটে এক, বরিশালে এক, ময়মনসিংহে দুই ও রংপুরে একজনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৪ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সামগ্রিক চিত্র উদ্বেগজনক। ইতোমধ্যে আক্রান্ত শিশুদের শরীরে হাম-পরবর্তী নানা জটিলতা দেখা দেওয়ায় আগামী কয়েক সপ্তাহ মৃত্যু বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।
চিকিৎসক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল
পরিস্থিতির ভয়াবহতাও আঁচ করা গেছে। হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আসন্ন ঈদেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
গত ১৯ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী সই করা এক অফিস আদেশে বলা হয়, দেশের এই আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা, নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন সব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের অর্জিত ছুটি ও নৈমিত্তিক ছুটি স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে।
টিকাদান কর্মসূচির চিত্র
এর আগে, হামের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার পর গত ৫ এপ্রিল ১৮ জেলার ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে ১২ এপ্রিল ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকাদান শুরু করা হয়। এরপর ২০ এপ্রিল সারা দেশে টিকাদান কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়। এই সময়ে এক কোটি ৮৩ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি অর্থাৎ, ১০৪ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।

হামের থাবায় ঝরছে শিশুর প্রাণ, সতর্ক সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্প্রতি সময়ে দেশজুড়ে ‘মহামারি’ আকার ধারণ করেছে হাম। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে দেশের ৫২৮ শিশু হাম ও উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে। করোনা মহামারির পর, যা নতুন করে দেশের মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে টিকা কার্যক্রম জোরদার করা হলেও হামের থাবা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না শিশুরা।
জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে হামের সংক্রমণ শুরু হয়। তবে মার্চে দেশজুড়ে রোগটির ব্যাপক বিস্তার ঘটে। আর ১৫ মার্চ থেকে হাম আক্রান্ত ও রোগের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা বা ভর্তি রোগী এবং মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করতে শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিল মাসের তুলনায় চলতি মে মাসে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যুর হার অনেকাংশেই বেড়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে রবিবার (২৪ মে) সকাল আটটা পর্যন্ত মোট ৬৩ হাজার ৮১৩ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। তাদের মধ্যে ৫০ হাজার ৫৫৮ শিশু দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়। এসব রোগীদের মধ্যে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৬ শিশু মারা যায়। আর হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪৪২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৬ হাজার ২১৪ শিশু।
এই দুই মাস নয় দিনের মধ্যে গত ৪ মে একদিনে হাম ও উপসর্গে রেকর্ড ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়। আর আজ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ শিশুর মৃত্যু হলো।
রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামের উপসর্গ নিয়ে গতকাল শনিবার সকাল ৮টা আজ (রবিবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত আরও ১৬ শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে ঢাকায় ১০, রাজশাহীতে এক, সিলেটে এক, বরিশালে এক, ময়মনসিংহে দুই ও রংপুরে একজনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৪ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সামগ্রিক চিত্র উদ্বেগজনক। ইতোমধ্যে আক্রান্ত শিশুদের শরীরে হাম-পরবর্তী নানা জটিলতা দেখা দেওয়ায় আগামী কয়েক সপ্তাহ মৃত্যু বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।
চিকিৎসক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল
পরিস্থিতির ভয়াবহতাও আঁচ করা গেছে। হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আসন্ন ঈদেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
গত ১৯ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী সই করা এক অফিস আদেশে বলা হয়, দেশের এই আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা, নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন সব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের অর্জিত ছুটি ও নৈমিত্তিক ছুটি স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে।
টিকাদান কর্মসূচির চিত্র
এর আগে, হামের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার পর গত ৫ এপ্রিল ১৮ জেলার ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে ১২ এপ্রিল ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকাদান শুরু করা হয়। এরপর ২০ এপ্রিল সারা দেশে টিকাদান কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়। এই সময়ে এক কোটি ৮৩ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি অর্থাৎ, ১০৪ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।

হামে প্রাণহানি ছাড়াল ৫০০, দিনে গড় মৃত্যু ৭

