শিশু হাসপাতালের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ ৭০ কর্মচারীর

শিশু হাসপাতালের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ ৭০ কর্মচারীর
সিটিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের জুনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা (প্রশাসন) কাজী আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে নিয়োগ–সংক্রান্ত অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং কর্মচারীদের সঙ্গে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে হাসপাতালের ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী বর্তমান পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগকারী কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত ২৪ মে হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ নোটিশ বোর্ডে বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৭ জুন। তাঁদের অভিযোগ, অনুমোদিত জনবল কাঠামোর বাইরে কিছু পদে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগ্রহী সব কর্মচারীর কাছে আবেদনপত্র বিক্রি না করে বাছাই করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা কয়েকজন কর্মচারী বলেন, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কর্মরত কর্মচারীদের পদোন্নতি কিংবা উচ্চতর পদে আবেদন করার সুযোগ থাকা উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে অনেক যোগ্য কর্মচারী আবেদনপত্রই সংগ্রহ করতে পারেননি। তাঁদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির কাছেই আবেদনপত্র বিক্রি করা হয়েছে, ফলে অন্যরা প্রতিযোগিতার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
আরেক কর্মচারী অভিযোগ করেন, পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়ায় তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হকের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে হাসপাতালের ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বাক্ষরসংবলিত অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, কাজী আবুল কাশেম দীর্ঘদিন ধরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে আসছেন। একই সঙ্গে কর্মচারীদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি, অস্থিরতা তৈরি এবং কর্মপরিবেশ নষ্ট করার মতো কর্মকাণ্ডেও তিনি জড়িত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীরা তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাজী আবুল কাশেম। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অভিযোগ করা হচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) এলিজা শারমিন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি সত্য। বিষয়টি সম্পর্কে পরিচালক ও উপপরিচালক অবগত রয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।
হাসপাতালের বর্তমান পরিচালকও অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অন্যদিকে অভিযোগকারী কয়েকজন কর্মচারী দাবি করেছেন, অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া ধীরগতিতে এগোচ্ছে। তাঁদের ভাষ্য, অভিযোগ উত্থাপনের পর কিছু অভিযোগকারী মৌখিক চাপ ও হুমকির মুখেও পড়েছেন। এ কারণে কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া হাসপাতালের একাধিক কর্মচারী অভিযোগ করেছেন, কাজী আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও নিয়োগ–সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তাঁদের দাবি, এর আগে হাসপাতালের প্রধান সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার ভূমিকা নিয়ে নিয়োগপ্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। যদিও সে সময় এসব অভিযোগের বিষয়ে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের জুনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা (প্রশাসন) কাজী আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে নিয়োগ–সংক্রান্ত অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং কর্মচারীদের সঙ্গে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে হাসপাতালের ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী বর্তমান পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগকারী কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত ২৪ মে হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ নোটিশ বোর্ডে বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৭ জুন। তাঁদের অভিযোগ, অনুমোদিত জনবল কাঠামোর বাইরে কিছু পদে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগ্রহী সব কর্মচারীর কাছে আবেদনপত্র বিক্রি না করে বাছাই করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা কয়েকজন কর্মচারী বলেন, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কর্মরত কর্মচারীদের পদোন্নতি কিংবা উচ্চতর পদে আবেদন করার সুযোগ থাকা উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে অনেক যোগ্য কর্মচারী আবেদনপত্রই সংগ্রহ করতে পারেননি। তাঁদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির কাছেই আবেদনপত্র বিক্রি করা হয়েছে, ফলে অন্যরা প্রতিযোগিতার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
আরেক কর্মচারী অভিযোগ করেন, পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়ায় তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হকের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে হাসপাতালের ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বাক্ষরসংবলিত অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, কাজী আবুল কাশেম দীর্ঘদিন ধরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে আসছেন। একই সঙ্গে কর্মচারীদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি, অস্থিরতা তৈরি এবং কর্মপরিবেশ নষ্ট করার মতো কর্মকাণ্ডেও তিনি জড়িত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীরা তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাজী আবুল কাশেম। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অভিযোগ করা হচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) এলিজা শারমিন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি সত্য। বিষয়টি সম্পর্কে পরিচালক ও উপপরিচালক অবগত রয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।
হাসপাতালের বর্তমান পরিচালকও অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অন্যদিকে অভিযোগকারী কয়েকজন কর্মচারী দাবি করেছেন, অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া ধীরগতিতে এগোচ্ছে। তাঁদের ভাষ্য, অভিযোগ উত্থাপনের পর কিছু অভিযোগকারী মৌখিক চাপ ও হুমকির মুখেও পড়েছেন। এ কারণে কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া হাসপাতালের একাধিক কর্মচারী অভিযোগ করেছেন, কাজী আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও নিয়োগ–সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তাঁদের দাবি, এর আগে হাসপাতালের প্রধান সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার ভূমিকা নিয়ে নিয়োগপ্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। যদিও সে সময় এসব অভিযোগের বিষয়ে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

শিশু হাসপাতালের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ ৭০ কর্মচারীর
সিটিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের জুনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা (প্রশাসন) কাজী আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে নিয়োগ–সংক্রান্ত অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং কর্মচারীদের সঙ্গে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে হাসপাতালের ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী বর্তমান পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগকারী কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত ২৪ মে হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ নোটিশ বোর্ডে বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৭ জুন। তাঁদের অভিযোগ, অনুমোদিত জনবল কাঠামোর বাইরে কিছু পদে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগ্রহী সব কর্মচারীর কাছে আবেদনপত্র বিক্রি না করে বাছাই করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা কয়েকজন কর্মচারী বলেন, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কর্মরত কর্মচারীদের পদোন্নতি কিংবা উচ্চতর পদে আবেদন করার সুযোগ থাকা উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে অনেক যোগ্য কর্মচারী আবেদনপত্রই সংগ্রহ করতে পারেননি। তাঁদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির কাছেই আবেদনপত্র বিক্রি করা হয়েছে, ফলে অন্যরা প্রতিযোগিতার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
আরেক কর্মচারী অভিযোগ করেন, পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়ায় তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হকের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে হাসপাতালের ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বাক্ষরসংবলিত অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, কাজী আবুল কাশেম দীর্ঘদিন ধরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে আসছেন। একই সঙ্গে কর্মচারীদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি, অস্থিরতা তৈরি এবং কর্মপরিবেশ নষ্ট করার মতো কর্মকাণ্ডেও তিনি জড়িত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীরা তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাজী আবুল কাশেম। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অভিযোগ করা হচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) এলিজা শারমিন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি সত্য। বিষয়টি সম্পর্কে পরিচালক ও উপপরিচালক অবগত রয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।
হাসপাতালের বর্তমান পরিচালকও অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অন্যদিকে অভিযোগকারী কয়েকজন কর্মচারী দাবি করেছেন, অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া ধীরগতিতে এগোচ্ছে। তাঁদের ভাষ্য, অভিযোগ উত্থাপনের পর কিছু অভিযোগকারী মৌখিক চাপ ও হুমকির মুখেও পড়েছেন। এ কারণে কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া হাসপাতালের একাধিক কর্মচারী অভিযোগ করেছেন, কাজী আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও নিয়োগ–সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তাঁদের দাবি, এর আগে হাসপাতালের প্রধান সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার ভূমিকা নিয়ে নিয়োগপ্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। যদিও সে সময় এসব অভিযোগের বিষয়ে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।




