শিরোনাম

অবৈধ হোটেল শেরাটনকে বৈধতা দিতে তোড়জোড়

অবৈধ হোটেল শেরাটনকে বৈধতা দিতে তোড়জোড়
গ্রাফিক্স: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

চুক্তি ছিল ১৪ তলা ভবন নির্মাণের। শেষ পর্যন্ত তা করা হয়েছে ২৮ তলা। অতিরিক্ত তলা নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংস্থার আপত্তি ছিল। ভবন নির্মাণ রীতি না মানার অভিযোগ রয়েছে, হাইকোর্ট থেকেও উপরের ৮টি তলার স্থিতাবস্থা জারি রয়েছে। এত আপত্তি ও আইনি জটিলতার পরও রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত হোটেল শেরাটনের বহুতল ভবনটির কারিগরি সক্ষমতা যাচাইয়ে নতুন করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মালিকানাধীন ৬০ কাঠা জমিতে এই ভবন নির্মাণ করে আবাসন প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট লিমিটেড।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই যাচাই কমিটির মাধ্যমে মূলত ভবনটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালুর বৈধতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যেই এই তৎপরতা টের পেয়ে কমিটির কেউ কেউ ‘নোট অব ডিসেন্ট’-এর মাধ্যমে আপত্তি জানিয়েছেন। এদিকে ইমারত নির্মাণ আইন অনুসরণ না করা, সেটব্যাক (জমির সীমানা থেকে ভবনের দেয়াল পর্যন্ত খালি রাখার সর্বনিম্ন দূরত্ব), ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এসএআর বা ফার) যথাযথ না থাকা এই ভবনটিকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টাকে ‘অন্যায়’ বলে মন্তব্য করেছেন নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ডিএনসিসির অফিস আদেশে গঠিত ৮ সদস্যের সাব-কমিটিতে ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসানকে (পিএসসি) আহ্বায়ক করা হয়েছে। সদস্যসচিব হিসেবে আছেন ডিএনসিসির ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের নির্বাহী প্রকৌশলী নাঈম রায়হান খান। পাশাপাশি ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী-২ মো. রফিকুল ইসলাম, ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলম, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহম্মদ আল-আমিন সিদ্দিক, গণপূর্ত অধিদপ্তরের মহাখালী বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাজিবুল ইসলাম, রাজউকের পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ-১) মো. মনিরুল হক ও বোরাক রিয়েল এস্টেটের প্রতিনিধিকেও কমিটির সদস্য করা হয়েছে।

এই সাব-কমিটির প্রথম বৈঠক গত ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ওই বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান কমিটির সদস্যরা। প্রথম বৈঠকে মূলত কমিটির সদস্যদের পরিচয়, কাজের পরিধি এবং কোন কোন নথি পর্যালোচনা করা হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এরপরই ভবনটির ফাউন্ডেশন, স্ট্রাকচার ও ২৮ তলা পর্যন্ত কাঠামোর সক্ষমতা যাচাই করা হবে। যদিও কমিটির কেউ কেউ সংশয় প্রকাশ করে বলেছেন ‘ভবনটির সক্ষমতা যাচাইয়ে ছাড় দেওয়ার জন্য শীর্ষ মহলের চাপ রয়েছে’।

তাদের ভাষ্যমতে, এই কারিগরি পরীক্ষার মাধ্যমে আদালতে স্থগিত থাকা ২১ থেকে ২৮ তলাসহ পুরো ভবনটিতে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালুর বিষয়ে একটি গ্রহণযোগ্য পথ তৈরি হতে পারে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পাঁচ তারকা হোটেল শেরাটনের ২৮ তলা ভবনটি প্রায় সড়ক ঘেঁষে নির্মিত। ভবনের সামনের ফুটপাতটিও নিজেদের ইচ্ছামতো তারা ব্যবহার করছে। ভবনসংলগ্ন ড্রেনের জায়গা ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ভবন নির্মাণে সেটব্যাক, ফার নির্দেশনাও মানতে দেখা যায়নি।

ভবনের ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, হোটেলের সব কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। তবে রেস্টুরেন্ট, করপোরেট ও সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য ৭৪১ বর্গমিটারের গ্র্যান্ড বলরুম, বিভিন্ন মিটিং স্পেস, লবিতে ক্যাফে ও লাউঞ্জ, জিম, স্পা এবং রুফটপ সুইমিং পুল চালু রয়েছে।

হোটেলটিতে প্রায় ২৪৮টি রুম ও স্যুট রয়েছে। তবে হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, আপাতত এসব রুমে কোনো বুকিং নেওয়া হচ্ছে না। যদিও অভিযোগ রয়েছে, একই গ্রুপের হওয়ায় গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলের অতিথিদের মাঝে মাঝে এই হোটেলে এনে রাখা হয়।

তবে যাচাই কমিটির সদস্যদের বক্তব্য, তারা কোনো অংশ বৈধ বা অবৈধ ঘোষণা করবেন না। ভবনটি কারিগরি দিক থেকে নিরাপদ কি না এবং অনুমোদিত কারিগরি নীতিমালা অনুযায়ী নির্মাণ করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করে সুপারিশ করবেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে উচ্চপর্যায়ে।

এ বিষয়ে কমিটির সদস্য বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহম্মদ আল-আমিন সিদ্দিক সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘বনানীর হোটেল শেরাটন ভবনের বিষয়ে যাচাই কমিটিতে আমাকে রাখা হয়েছে। এর বাইরে আমি কিছু বলবো না। কিছু জানার থাকলে সিটি করপোরেশন থেকে জেনে নিন।’

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই ভবনের কারিগরি সক্ষমতা যাচাইয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রথম বৈঠক মূলত আনুষ্ঠানিক ছিল। আমরা ভিজিটে যাবো, তারপর দেখবো ভবনটি বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুযায়ী করা হয়েছে কি না। নাঈম রায়হান খান নির্বাহী প্রকৌশলী, ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেল, ডিএনসিসি

ডিএনসিসির ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের নির্বাহী প্রকৌশলী ও কমিটির সদস্যসচিব নাঈম রায়হান খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই ভবনের কারিগরি সক্ষমতা যাচাইয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রথম বৈঠক মূলত আনুষ্ঠানিক ছিল। আমরা ভিজিটে যাবো, তারপর দেখবো ভবনটি বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুযায়ী করা হয়েছে কি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যাচাই হবে ভবনের ফাউন্ডেশন ও স্ট্রাকচারের বিষয়ে। পুরোনো ভবনের ওপর নতুন করে নির্মিত ১৩ তলা মার্কেট ও হোটেলের ২৮ তলা ভবনটির লোড বিদ্যমান ফাউন্ডেশন কতটা নিতে সক্ষম, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।’

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে নাঈম রায়হান খান বলেন, ‘কমিটি মূলত কারিগরি প্রতিবেদন দেবে। এরপর বিষয়টি উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের জন্য যাবে। প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে আলাপ হবে।‘

যেহেতু ভবনটি নিয়ে আদালত থেকে ভাগ-বন্টনের বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়েছে। তাই সিটি করপোরেশন হয়তো তাদের অংশ এখন ব্যবহার করতে প্রক্রিয়া অনুযায়ী এই কমিটি গঠন করেছে। আমরাও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মোতাবেক সেই কমিটির অংশ হয়েছি। গাজী মোহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বোরাক রিয়েল এস্টেট

বোরাক রিয়েল এস্টেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী মোহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসেন সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘যেহেতু ভবনটি নিয়ে আদালত থেকে ভাগ-বন্টনের বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়েছে। তাই সিটি করপোরেশন হয়তো তাদের অংশ এখন ব্যবহার করতে প্রক্রিয়া অনুযায়ী এই কমিটি গঠন করেছে। আমরাও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মোতাবেক সেই কমিটির অংশ হয়েছি।’

২১ থেকে ২৮ তলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টে এ বিষয়ে আমরা আমাদের বক্তব্য পেশ করেছি। কেন এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ছাড় দিচ্ছে না, তা আমাদের বোধগম্য নয়।‘

ওয়েস্টিন হোটেলের অতিথিদের হোটেল শেরাটন ভবনে এনে রাখার বিষয়ে গাজী মোহাম্মাদ সাখাওয়াত বলেন, ‘কতজন কত অভিযোগ করে, সব অভিযোগ আমলে নেওয়া যায় না। আমরাও চাচ্ছি দ্রুত ভবনটিতে কার্যক্রম চালু হোক। এতে রাষ্ট্রও রাজস্ব পাওয়ার মাধ্যমে লাভবান হবে।’

হোটেল নির্মাণের বিষয়ে যা বলছে রাজউক

রাজউকের একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, গুলশান এলাকায়, কাঁচাবাজার পার্ক, খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার, স্কুল, শপিংসেন্টারসহ ইউটিলিটির জন্য রাজউক থেকে সিটি করপোরেশনকে এই প্লটটি হস্তান্তর করা হয়। বনানী ৪৪ নম্বরের এই প্লটটিতে মোট জমির পরিমাণ ২ বিঘা ৪ কাঠা ১২ ছটাক ২৮ বর্গফুট।

রাজউক প্লট হস্তান্তর করলেও তা সিটি করপোরেশনের অনুকূলে রেজিস্ট্রি বা লিজ ডিড করে দেয়নি। কারণ সিটি করপোরেশন নিয়ম অনুযায়ী এই প্লটের জন্য রাজউকের কোষাগারে কোনো মূল্য পরিশোধ করেনি।

এরপর বোরাক রিয়েল এস্টেট ওই প্লটে বহুতল ভবন নির্মাণ করলে

রাজউকের পক্ষ থেকে অবৈধ ইমারতের অংশ অপসারণের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং বোরাককে বারবার তাগাদাপত্র দেওয়া হয়।

শেরাটন হোটেলের ভবন নির্মাণের অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না-সে বিষয়ে জানতে রাজউকের অথরাইজড অফিসার (গুলশান) মো. হাসানুর রেজার মুঠোফোনে গতকাল সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এ বিষয়ে খুদেবার্তা পাঠালে তিনি কোনো সাড়া দেননি।

যেভাবে ১৪ তলার জায়গায় ২৮ তলা

বনানীর ৪৪ কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউয়ে ডিএনসিসির ৬০ কাঠা জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং কমপ্লেক্স’ নির্মাণের জন্য বোরাক রিয়েল এস্টেটের সঙ্গে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের চুক্তি হয় ২০০৭ সালের ২৫ জুন। চুক্তিতে প্রথমে ১৩ তলা এবং পরে সংশোধিত চুক্তিতে ১৪ তলা ভবন নির্মাণের কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নির্মাণ করা হয় ২৮ তলা ভবন। সেখানে বর্তমানে পাঁচ তারকা হোটেল শেরাটন পরিচালিত হচ্ছে।

ভবনের অতিরিক্ত তলা নির্মাণ নিয়ে সিটি করপোরেশনের আপত্তি ছিল। ২০১১ সালে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে পরিদর্শনে গিয়ে কাজ বন্ধ রাখতে বলা হলেও নির্মাণ থামেনি। ভবনের উচ্চতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জানায়, ওই প্লটে ২০১ ফুটের বেশি উচ্চতার ভবন নির্মাণের সুযোগ নেই। ২০২৩ সালে মন্ত্রণালয় ২০১ ফুটের অতিরিক্ত অংশ অপসারণে রাজউককে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেয়।

এরই মধ্যে হোটেল শেরাটনের ভবনটির নিয়ে হাইকোর্টে রিট হয়। ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবর আদালত ২১ থেকে ২৮ তলা অংশে স্থিতাবস্থা জারি করেন। একই বছর ২০ তলা পর্যন্ত অংশের শেয়ার বন্টন নিয়ে ডিএনসিসি ও বোরাকের মধ্যে একটি অসম সমঝোতা হয়। ২০২৫ সালের ৯ এপ্রিল ডিএনসিসি শেরাটন হোটেলে ভবনে তাদের অংশ বুঝে নেয়। চুক্তি অনুসারে ১৫ তলা থেকে ২০ তলা পর্যন্ত ভবনের ৪০ শতাংশ পাবে ডিএনসিসি, আর বোরাক রিয়েল এস্টেট পাবে ৬০ শতাংশ। অন্যদিকে মূল নকশা অনুসারে ১৪ তলা পর্যন্ত অংশে ডিএনসিসি পাবে ৩০ শতাংশ, আর বোরাক পাবে ৭০ শতাংশ। কিন্তু ২০ তলার ওপরের অংশের ভবিষ্যৎ এখনো নির্ধারণ হয়নি, পুরোপুরি বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায়ও রয়েছে বাধা।

বৈধতা দেওয়া হবে অন্যায়

বোরাক রিয়েল এস্টেটের নির্মিত হোটেল শেরাটন তথা ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং কমপ্লেক্স’টিকে বৈধতা দেওয়া হলে ভবন নির্মাণে অনিয়মকারীদের আরও উৎসাহ দেওয়া হবে বলে মনে করেন নগর পরিকল্পনাবিদরা। তাদের মতে, পূর্ব থেকে যেই ভবন নির্মাণ নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে, নতুন করে সেটির কারিগরি সক্ষমতা যাচাইয়ে কমিটি গঠন সন্দেহজনক।

এ বিষয়ে নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘উক্ত ভবনটি চারপাশের ফুটপাত দখল করেছে। হোটেলের পেছনের ১৩ তলা মার্কেটটি দাঁড় করানো হয়েছে পুরোনো ভবনের কাঠামোর ওপর। অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থাপনাও যথাযথ মনে হয় না। এগুলো আগেই আলোচনায় এসেছে, তারপরও নতুন করে কমিটি গঠনের মাধ্যমে যদি এটিকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তা হবে ঘোর অন্যায়। বরং সরকারের উচিত এই ভবনটির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে এমন বার্তা দেওয়া যে, নিয়ম না মেনে ভবন করলে ৫০ বছর পর হলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কোনোভাবে বৈধতা দেওয়া হয়, সেটি নিয়ম ভঙ্গকারীদের আরও উৎসাহ দেবে এবং একটি বাজে দৃষ্টান্ত হবে। বিষয়টি একটি নিরাপদ ও পরিকল্পিত নগর বিনির্মাণের পথে বড় বাধা।’

/বিবি/