আজমেরী হক বাঁধন, আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত: সারজিস আলম

আজমেরী হক বাঁধন, আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত: সারজিস আলম
সিজেডএন ডেস্ক

ইতালির ভেনিসে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে হেনস্তা ও শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখপাত্র সারজিস আলম। পুরো বাংলাদেশ তার সঙ্গে আছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পোস্টে অভিনেত্রীর জুলাই আন্দোলনের একটি ছবি শেয়ার করে সারজিস আলম বলেন, “আজমেরী হক বাঁধন, আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত। আপনি এই দেশের জন্য লড়াই করেছেন, দেশের মানুষকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করার জন্য লড়াই করেছেন। যারা আপনাকে আক্রমণ করেছে তাদেরকে আপনি ‘বাঙালি ভাই’ হিসেবে সম্বোধন করেছেন। তারা যতটা না বাঙালি ভাই, তার চেয়ে বেশি খুনিদের দালাল, বিবেকবোধ বিক্রি করে দেওয়া এক একটা নরপশু।”
তিনি বলেন, “খুনি হাসিনা যদি ওই চৌদ্দশ মানুষের মতো তাদের সন্তানদের ভাইদের খুন করতো, তারপরও তারা খুনি হাসিনার দালালি করত, পা চাটতো। এদের শুধু মানুষের মতো একটা দেহ আছে, মনুষ্যত্ব পঁচে গিয়েছে। এদের থেকে আপনি এরচেয়ে বেশি কিছু আশা করবেন না।’
এসবের জন্য বিন্দুমাত্র কষ্ট না পাওয়ার আহ্বান জানিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, “নরপশুদের থেকে এর চেয়ে ভালো আর কি প্রত্যাশা করা যায়? আমরা সবাই আপনার সাথে আছি। পুরো বাংলাদেশ আপনার সাথে।”
সবশেষ তিনি বলেন, “আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত আজমেরী হক বাঁধন।”
এর আগে ইতালির মেস্ট্রেতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে তাকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে আঘাত করার অভিযোগ করেন এই অভিনেত্রী।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় এ অভিযোগ করেন তিনি।
হেনস্তার পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা রয়েছেন বলে দাবি করেন বাঁধন। মারধরের একটি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। যারা এই হামলা করছিলেন, তাদের এক কর্মী বাঁধনকে দেখিয়ে ভিডিওতে বলছিলেন, সে একজন ‘জুলাই জঙ্গী’। সে এখন ভেনিসে, আমরা ভেনিস ছাত্রলীগ এই দেশদ্রোহী ‘জঙ্গি’কে ধরেছি।
‘দেশকে ধ্বংস করেছে’- এমন অপবাদ-আখ্যা দিয়ে তাকে হেনস্তা করেন তারা। এরপর বাঁধনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সঙ্গে থাকা তার ভাই।
ভিডিওতে বাঁধন বলেন, “আমি আমার ভাইয়ের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে অনেক বাঙালি ভাইয়েরা এসে আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে। আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে। আমি একদম ভিজে গেছি। সঙ্গে আমার ভাইয়ের ছোট বাচ্চাটাও ছিল। তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে। আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে। সো এগুলো তারা করেছে।”
তিনি বলেন, “তারা বলেছে যে আমি জুলাই যোদ্ধা। হ্যাঁ আমি জুলাই যোদ্ধা। আমি অবশ্যই জুলাইতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। তারা বলেছে যে তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। আমাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে এবং সেগুলো ভিডিও করেছে। তারা লাইভ করছিল।”
ভিডিওতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী বলেন, “আমি ভেনিস উৎসবে যে সিনেমাটি নিয়ে এসেছি, সেটির পরিচালক রুবাইয়াত হাসানের বাবা আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ছিলেন। আমি তার সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের পরেও কাজ করছি। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত ছিল। আপনারা এভাবে নিজেদের ফেরাতে পারবেন না।”
আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে। আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইতালির ভেনিসে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে হেনস্তা ও শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখপাত্র সারজিস আলম। পুরো বাংলাদেশ তার সঙ্গে আছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পোস্টে অভিনেত্রীর জুলাই আন্দোলনের একটি ছবি শেয়ার করে সারজিস আলম বলেন, “আজমেরী হক বাঁধন, আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত। আপনি এই দেশের জন্য লড়াই করেছেন, দেশের মানুষকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করার জন্য লড়াই করেছেন। যারা আপনাকে আক্রমণ করেছে তাদেরকে আপনি ‘বাঙালি ভাই’ হিসেবে সম্বোধন করেছেন। তারা যতটা না বাঙালি ভাই, তার চেয়ে বেশি খুনিদের দালাল, বিবেকবোধ বিক্রি করে দেওয়া এক একটা নরপশু।”
তিনি বলেন, “খুনি হাসিনা যদি ওই চৌদ্দশ মানুষের মতো তাদের সন্তানদের ভাইদের খুন করতো, তারপরও তারা খুনি হাসিনার দালালি করত, পা চাটতো। এদের শুধু মানুষের মতো একটা দেহ আছে, মনুষ্যত্ব পঁচে গিয়েছে। এদের থেকে আপনি এরচেয়ে বেশি কিছু আশা করবেন না।’
এসবের জন্য বিন্দুমাত্র কষ্ট না পাওয়ার আহ্বান জানিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, “নরপশুদের থেকে এর চেয়ে ভালো আর কি প্রত্যাশা করা যায়? আমরা সবাই আপনার সাথে আছি। পুরো বাংলাদেশ আপনার সাথে।”
সবশেষ তিনি বলেন, “আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত আজমেরী হক বাঁধন।”
এর আগে ইতালির মেস্ট্রেতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে তাকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে আঘাত করার অভিযোগ করেন এই অভিনেত্রী।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় এ অভিযোগ করেন তিনি।
হেনস্তার পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা রয়েছেন বলে দাবি করেন বাঁধন। মারধরের একটি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। যারা এই হামলা করছিলেন, তাদের এক কর্মী বাঁধনকে দেখিয়ে ভিডিওতে বলছিলেন, সে একজন ‘জুলাই জঙ্গী’। সে এখন ভেনিসে, আমরা ভেনিস ছাত্রলীগ এই দেশদ্রোহী ‘জঙ্গি’কে ধরেছি।
‘দেশকে ধ্বংস করেছে’- এমন অপবাদ-আখ্যা দিয়ে তাকে হেনস্তা করেন তারা। এরপর বাঁধনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সঙ্গে থাকা তার ভাই।
ভিডিওতে বাঁধন বলেন, “আমি আমার ভাইয়ের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে অনেক বাঙালি ভাইয়েরা এসে আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে। আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে। আমি একদম ভিজে গেছি। সঙ্গে আমার ভাইয়ের ছোট বাচ্চাটাও ছিল। তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে। আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে। সো এগুলো তারা করেছে।”
তিনি বলেন, “তারা বলেছে যে আমি জুলাই যোদ্ধা। হ্যাঁ আমি জুলাই যোদ্ধা। আমি অবশ্যই জুলাইতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। তারা বলেছে যে তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। আমাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে এবং সেগুলো ভিডিও করেছে। তারা লাইভ করছিল।”
ভিডিওতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী বলেন, “আমি ভেনিস উৎসবে যে সিনেমাটি নিয়ে এসেছি, সেটির পরিচালক রুবাইয়াত হাসানের বাবা আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ছিলেন। আমি তার সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের পরেও কাজ করছি। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত ছিল। আপনারা এভাবে নিজেদের ফেরাতে পারবেন না।”
আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে। আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আজমেরী হক বাঁধন, আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত: সারজিস আলম
সিজেডএন ডেস্ক

ইতালির ভেনিসে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে হেনস্তা ও শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখপাত্র সারজিস আলম। পুরো বাংলাদেশ তার সঙ্গে আছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পোস্টে অভিনেত্রীর জুলাই আন্দোলনের একটি ছবি শেয়ার করে সারজিস আলম বলেন, “আজমেরী হক বাঁধন, আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত। আপনি এই দেশের জন্য লড়াই করেছেন, দেশের মানুষকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করার জন্য লড়াই করেছেন। যারা আপনাকে আক্রমণ করেছে তাদেরকে আপনি ‘বাঙালি ভাই’ হিসেবে সম্বোধন করেছেন। তারা যতটা না বাঙালি ভাই, তার চেয়ে বেশি খুনিদের দালাল, বিবেকবোধ বিক্রি করে দেওয়া এক একটা নরপশু।”
তিনি বলেন, “খুনি হাসিনা যদি ওই চৌদ্দশ মানুষের মতো তাদের সন্তানদের ভাইদের খুন করতো, তারপরও তারা খুনি হাসিনার দালালি করত, পা চাটতো। এদের শুধু মানুষের মতো একটা দেহ আছে, মনুষ্যত্ব পঁচে গিয়েছে। এদের থেকে আপনি এরচেয়ে বেশি কিছু আশা করবেন না।’
এসবের জন্য বিন্দুমাত্র কষ্ট না পাওয়ার আহ্বান জানিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, “নরপশুদের থেকে এর চেয়ে ভালো আর কি প্রত্যাশা করা যায়? আমরা সবাই আপনার সাথে আছি। পুরো বাংলাদেশ আপনার সাথে।”
সবশেষ তিনি বলেন, “আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত আজমেরী হক বাঁধন।”
এর আগে ইতালির মেস্ট্রেতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে তাকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে আঘাত করার অভিযোগ করেন এই অভিনেত্রী।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় এ অভিযোগ করেন তিনি।
হেনস্তার পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা রয়েছেন বলে দাবি করেন বাঁধন। মারধরের একটি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। যারা এই হামলা করছিলেন, তাদের এক কর্মী বাঁধনকে দেখিয়ে ভিডিওতে বলছিলেন, সে একজন ‘জুলাই জঙ্গী’। সে এখন ভেনিসে, আমরা ভেনিস ছাত্রলীগ এই দেশদ্রোহী ‘জঙ্গি’কে ধরেছি।
‘দেশকে ধ্বংস করেছে’- এমন অপবাদ-আখ্যা দিয়ে তাকে হেনস্তা করেন তারা। এরপর বাঁধনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সঙ্গে থাকা তার ভাই।
ভিডিওতে বাঁধন বলেন, “আমি আমার ভাইয়ের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে অনেক বাঙালি ভাইয়েরা এসে আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে। আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে। আমি একদম ভিজে গেছি। সঙ্গে আমার ভাইয়ের ছোট বাচ্চাটাও ছিল। তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে। আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে। সো এগুলো তারা করেছে।”
তিনি বলেন, “তারা বলেছে যে আমি জুলাই যোদ্ধা। হ্যাঁ আমি জুলাই যোদ্ধা। আমি অবশ্যই জুলাইতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। তারা বলেছে যে তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। আমাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে এবং সেগুলো ভিডিও করেছে। তারা লাইভ করছিল।”
ভিডিওতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী বলেন, “আমি ভেনিস উৎসবে যে সিনেমাটি নিয়ে এসেছি, সেটির পরিচালক রুবাইয়াত হাসানের বাবা আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ছিলেন। আমি তার সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের পরেও কাজ করছি। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত ছিল। আপনারা এভাবে নিজেদের ফেরাতে পারবেন না।”
আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে। আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে: ইতালিতে হেনস্তার শিকার বাঁধন



-CznNewsLab-37ecd8-256x144.webp)



