আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে: ইতালিতে হেনস্তার শিকার বাঁধন

আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে: ইতালিতে হেনস্তার শিকার বাঁধন
বিনোদন ডেস্ক

ঢাকাই সিনেমা ও টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন তিনি। সম্প্রতি ইতালির মেস্ট্রেতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে তাকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে আঘাত করার অভিযোগ করেছেন এই অভিনেত্রী।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় এ অভিযোগ করেন তিনি।
তার অভিযোগ হেনস্তার পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা রয়েছেন। মারধরের একটি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। যারা এই হামলা করছিলেন, তাদের এক কর্মী বাঁধনকে দেখিয়ে ভিডিওতে বলছিলেন, সে একজন ‘জুলাই জঙ্গী’। সে এখন ভেনিসে, আমরা ভেনিস ছাত্রলীগ এই দেশদ্রোহী ‘জঙ্গি’কে ধরেছি।
‘দেশকে ধ্বংস করেছে’- এমন অপবাদ-আখ্যা দিয়ে তাকে হেনস্তা করেন তারা। এরপর বাঁধনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সঙ্গে থাকা তার ভাই।
এ ঘটনার পর বাঁধনের চোখে মুখে ব্যাপক আতঙ্ক; আঘাতে মুখ ফুলে লাল।
বাঁধন বলেন, ‘আমি আমার ভাইয়ের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে অনেক বাঙালি ভাইয়েরা এসে আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে। আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে। আমি একদম ভিজে গেছি। সঙ্গে আমার ভাইয়ের ছোট বাচ্চাটাও ছিল। তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে। আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে। সো এগুলো তারা করেছে।’
বাঁধন বলেন, তারা বলেছে যে আমি জুলাই যোদ্ধা। হ্যাঁ আমি জুলাই যোদ্ধা। আমি অবশ্যই জুলাইতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। তারা বলেছে যে তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। আমাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে এবং সেগুলো ভিডিও করেছে। তারা লাইভ করছিল।
ভিডিওতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘আমি ভেনিস উৎসবে যে সিনেমাটি নিয়ে এসেছি, সেটির পরিচালক রুবাইয়াত হাসানের বাবা আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ছিলেন। আমি তার সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের পরেও কাজ করছি। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত ছিল। আপনারা এভাবে নিজেদের ফেরাতে পারবেন না।’
আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে। আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বলিষ্ঠ কণ্ঠে অভিনেত্রী বলেন, ‘একজন আজমেরী হক বাঁধনকে দমানো এত সহজ হবে না। আপনারা আজ সারাবিশ্বের মানুষকে দেখালেন, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী একজন অভিনেত্রীকে হেনস্তা করা হলো।’
এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কোনও রাজনৈতিক দলের অংশ হওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভিডিওবার্তায় বিষয়টি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে জানানোর অনুরোধও করেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ও ভেনিসে আছেন। আশা করি আপনার তার কাছে বিষয়টি পৌঁছে দেবেন।’
এদিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আরও কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছেন বাঁধন। সেসব ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে হেনস্তার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

ঢাকাই সিনেমা ও টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন তিনি। সম্প্রতি ইতালির মেস্ট্রেতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে তাকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে আঘাত করার অভিযোগ করেছেন এই অভিনেত্রী।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় এ অভিযোগ করেন তিনি।
তার অভিযোগ হেনস্তার পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা রয়েছেন। মারধরের একটি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। যারা এই হামলা করছিলেন, তাদের এক কর্মী বাঁধনকে দেখিয়ে ভিডিওতে বলছিলেন, সে একজন ‘জুলাই জঙ্গী’। সে এখন ভেনিসে, আমরা ভেনিস ছাত্রলীগ এই দেশদ্রোহী ‘জঙ্গি’কে ধরেছি।
‘দেশকে ধ্বংস করেছে’- এমন অপবাদ-আখ্যা দিয়ে তাকে হেনস্তা করেন তারা। এরপর বাঁধনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সঙ্গে থাকা তার ভাই।
এ ঘটনার পর বাঁধনের চোখে মুখে ব্যাপক আতঙ্ক; আঘাতে মুখ ফুলে লাল।
বাঁধন বলেন, ‘আমি আমার ভাইয়ের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে অনেক বাঙালি ভাইয়েরা এসে আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে। আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে। আমি একদম ভিজে গেছি। সঙ্গে আমার ভাইয়ের ছোট বাচ্চাটাও ছিল। তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে। আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে। সো এগুলো তারা করেছে।’
বাঁধন বলেন, তারা বলেছে যে আমি জুলাই যোদ্ধা। হ্যাঁ আমি জুলাই যোদ্ধা। আমি অবশ্যই জুলাইতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। তারা বলেছে যে তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। আমাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে এবং সেগুলো ভিডিও করেছে। তারা লাইভ করছিল।
ভিডিওতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘আমি ভেনিস উৎসবে যে সিনেমাটি নিয়ে এসেছি, সেটির পরিচালক রুবাইয়াত হাসানের বাবা আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ছিলেন। আমি তার সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের পরেও কাজ করছি। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত ছিল। আপনারা এভাবে নিজেদের ফেরাতে পারবেন না।’
আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে। আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বলিষ্ঠ কণ্ঠে অভিনেত্রী বলেন, ‘একজন আজমেরী হক বাঁধনকে দমানো এত সহজ হবে না। আপনারা আজ সারাবিশ্বের মানুষকে দেখালেন, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী একজন অভিনেত্রীকে হেনস্তা করা হলো।’
এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কোনও রাজনৈতিক দলের অংশ হওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভিডিওবার্তায় বিষয়টি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে জানানোর অনুরোধও করেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ও ভেনিসে আছেন। আশা করি আপনার তার কাছে বিষয়টি পৌঁছে দেবেন।’
এদিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আরও কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছেন বাঁধন। সেসব ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে হেনস্তার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে: ইতালিতে হেনস্তার শিকার বাঁধন
বিনোদন ডেস্ক

ঢাকাই সিনেমা ও টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন তিনি। সম্প্রতি ইতালির মেস্ট্রেতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে তাকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে আঘাত করার অভিযোগ করেছেন এই অভিনেত্রী।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় এ অভিযোগ করেন তিনি।
তার অভিযোগ হেনস্তার পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা রয়েছেন। মারধরের একটি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। যারা এই হামলা করছিলেন, তাদের এক কর্মী বাঁধনকে দেখিয়ে ভিডিওতে বলছিলেন, সে একজন ‘জুলাই জঙ্গী’। সে এখন ভেনিসে, আমরা ভেনিস ছাত্রলীগ এই দেশদ্রোহী ‘জঙ্গি’কে ধরেছি।
‘দেশকে ধ্বংস করেছে’- এমন অপবাদ-আখ্যা দিয়ে তাকে হেনস্তা করেন তারা। এরপর বাঁধনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সঙ্গে থাকা তার ভাই।
এ ঘটনার পর বাঁধনের চোখে মুখে ব্যাপক আতঙ্ক; আঘাতে মুখ ফুলে লাল।
বাঁধন বলেন, ‘আমি আমার ভাইয়ের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে অনেক বাঙালি ভাইয়েরা এসে আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে। আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে। আমি একদম ভিজে গেছি। সঙ্গে আমার ভাইয়ের ছোট বাচ্চাটাও ছিল। তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে। আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে। সো এগুলো তারা করেছে।’
বাঁধন বলেন, তারা বলেছে যে আমি জুলাই যোদ্ধা। হ্যাঁ আমি জুলাই যোদ্ধা। আমি অবশ্যই জুলাইতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। তারা বলেছে যে তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। আমাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে এবং সেগুলো ভিডিও করেছে। তারা লাইভ করছিল।
ভিডিওতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘আমি ভেনিস উৎসবে যে সিনেমাটি নিয়ে এসেছি, সেটির পরিচালক রুবাইয়াত হাসানের বাবা আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ছিলেন। আমি তার সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের পরেও কাজ করছি। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত ছিল। আপনারা এভাবে নিজেদের ফেরাতে পারবেন না।’
আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে। আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বলিষ্ঠ কণ্ঠে অভিনেত্রী বলেন, ‘একজন আজমেরী হক বাঁধনকে দমানো এত সহজ হবে না। আপনারা আজ সারাবিশ্বের মানুষকে দেখালেন, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী একজন অভিনেত্রীকে হেনস্তা করা হলো।’
এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কোনও রাজনৈতিক দলের অংশ হওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভিডিওবার্তায় বিষয়টি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে জানানোর অনুরোধও করেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ও ভেনিসে আছেন। আশা করি আপনার তার কাছে বিষয়টি পৌঁছে দেবেন।’
এদিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আরও কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছেন বাঁধন। সেসব ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে হেনস্তার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

৫ আগস্ট আমার জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিন: বাঁধন



-CznNewsLab-37ecd8-256x144.webp)



