আগামী বিশ্বকাপে ইনশাআল্লাহ: সাফা কবির

আগামী বিশ্বকাপে ইনশাআল্লাহ: সাফা কবির
বিনোদন ডেস্ক

শেষ ষোলতে নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিঁটকে পড়েছে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রিয় দলের এমন বিদায়ে শোকাহত বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থক। সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি এই ধাক্কা ছুঁয়ে গেছে বাংলাদেশের বিনোদন জগতের তারকাদেরও মনেও। সেই তালিকায় রয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবির।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি ম্যাচটি উপভোগ করেন অভিনেত্রী। ব্রাজিলের পরাজয় ও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর সামাজিকমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। সেখানে তাকে ব্রাজিলের জার্সির ওপর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কাঁধে জড়িয়ে হেঁটে যেতে দেখা যায়। বিষণ্ণ মনে ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এই মুহূর্তে মন ভালো নেই, দুঃখজনক। তবে আগামী বিশ্বকাপে ইনশাআল্লাহ, আগামী বিশ্বকাপে আমরা আসব।’
এই পোস্টের ক্যাপশনে একটি ভাঙা হৃদয়ের ইমোজি দিয়ে তিনি লেখেন, ‘ইনশাআল্লাহ নেক্সট টাইম’ (আগামীবার)।
প্রিয় দলের বিদায়ের আগে একটি ভিডিওতে নিজের দেশকে নিয়েও এক বড় স্বপ্নের কথা বলেছেন সাফা। ব্রাজিলের জার্সি পরে স্টেডিয়াম থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‘আজ আমি ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬-এ ব্রাজিলকে সমর্থন করতে এসেছি। কিন্তু আমার হৃদয়ের গভীরে আরেকটা স্বপ্ন আছে– একদিন বাংলাদেশও এই মঞ্চে খেলবে, আর আমি এখানে দাঁড়িয়ে গর্বের সঙ্গে আমার নিজের দেশকে সমর্থন করব।’
সবশেষ নেইমার জুনিয়র ও আর্লিং হল্যান্ডের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। ক্যাপশনে লেখেন, ‘আমি নেইমার জুনিয়র এবং হালান্ডকে এক ফ্রেমে ধারণ করেছি। আমি এখনও এটা বিশ্বাস করতে পারছি না। কী এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। এই বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের এত কাছ থেকে দেখতে পেয়ে আমি নিজেকে অবিশ্বাস্যভাবে ভাগ্যবান মনে করছি।’
হালান্ড ছিলেন অসাধারণ। ‘আর ব্রাজিল হৃদয়, আবেগ ও গর্ব নিয়ে খেলেছে। কিন্তু ফলাফলের ঊর্ধ্বে, যা আমার মনে সবচেয়ে বেশি গেঁথে আছে তা হলো, দুই দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে মাঠে তাদের সর্বস্ব দিয়ে খেলতে দেখা।’
সাফা লেখেন, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটা দেশের সাহস, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রত্যেক খেলোয়াড়ের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা। এই ধরনের মুহূর্তগুলোই আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কেন ফুটবলকে সুন্দর খেলা বলা হয়।’
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘আমি আশা করি একদিন বিশ্বের আরও সেরা খেলোয়াড়দের খেলা দেখার সুযোগ পাব। ততদিন পর্যন্ত, এই অসাধারণ অভিজ্ঞতা আমি চিরকাল লালন করব।’

শেষ ষোলতে নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিঁটকে পড়েছে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রিয় দলের এমন বিদায়ে শোকাহত বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থক। সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি এই ধাক্কা ছুঁয়ে গেছে বাংলাদেশের বিনোদন জগতের তারকাদেরও মনেও। সেই তালিকায় রয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবির।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি ম্যাচটি উপভোগ করেন অভিনেত্রী। ব্রাজিলের পরাজয় ও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর সামাজিকমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। সেখানে তাকে ব্রাজিলের জার্সির ওপর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কাঁধে জড়িয়ে হেঁটে যেতে দেখা যায়। বিষণ্ণ মনে ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এই মুহূর্তে মন ভালো নেই, দুঃখজনক। তবে আগামী বিশ্বকাপে ইনশাআল্লাহ, আগামী বিশ্বকাপে আমরা আসব।’
এই পোস্টের ক্যাপশনে একটি ভাঙা হৃদয়ের ইমোজি দিয়ে তিনি লেখেন, ‘ইনশাআল্লাহ নেক্সট টাইম’ (আগামীবার)।
প্রিয় দলের বিদায়ের আগে একটি ভিডিওতে নিজের দেশকে নিয়েও এক বড় স্বপ্নের কথা বলেছেন সাফা। ব্রাজিলের জার্সি পরে স্টেডিয়াম থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‘আজ আমি ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬-এ ব্রাজিলকে সমর্থন করতে এসেছি। কিন্তু আমার হৃদয়ের গভীরে আরেকটা স্বপ্ন আছে– একদিন বাংলাদেশও এই মঞ্চে খেলবে, আর আমি এখানে দাঁড়িয়ে গর্বের সঙ্গে আমার নিজের দেশকে সমর্থন করব।’
সবশেষ নেইমার জুনিয়র ও আর্লিং হল্যান্ডের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। ক্যাপশনে লেখেন, ‘আমি নেইমার জুনিয়র এবং হালান্ডকে এক ফ্রেমে ধারণ করেছি। আমি এখনও এটা বিশ্বাস করতে পারছি না। কী এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। এই বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের এত কাছ থেকে দেখতে পেয়ে আমি নিজেকে অবিশ্বাস্যভাবে ভাগ্যবান মনে করছি।’
হালান্ড ছিলেন অসাধারণ। ‘আর ব্রাজিল হৃদয়, আবেগ ও গর্ব নিয়ে খেলেছে। কিন্তু ফলাফলের ঊর্ধ্বে, যা আমার মনে সবচেয়ে বেশি গেঁথে আছে তা হলো, দুই দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে মাঠে তাদের সর্বস্ব দিয়ে খেলতে দেখা।’
সাফা লেখেন, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটা দেশের সাহস, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রত্যেক খেলোয়াড়ের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা। এই ধরনের মুহূর্তগুলোই আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কেন ফুটবলকে সুন্দর খেলা বলা হয়।’
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘আমি আশা করি একদিন বিশ্বের আরও সেরা খেলোয়াড়দের খেলা দেখার সুযোগ পাব। ততদিন পর্যন্ত, এই অসাধারণ অভিজ্ঞতা আমি চিরকাল লালন করব।’

আগামী বিশ্বকাপে ইনশাআল্লাহ: সাফা কবির
বিনোদন ডেস্ক

শেষ ষোলতে নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিঁটকে পড়েছে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রিয় দলের এমন বিদায়ে শোকাহত বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থক। সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি এই ধাক্কা ছুঁয়ে গেছে বাংলাদেশের বিনোদন জগতের তারকাদেরও মনেও। সেই তালিকায় রয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবির।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি ম্যাচটি উপভোগ করেন অভিনেত্রী। ব্রাজিলের পরাজয় ও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর সামাজিকমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। সেখানে তাকে ব্রাজিলের জার্সির ওপর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কাঁধে জড়িয়ে হেঁটে যেতে দেখা যায়। বিষণ্ণ মনে ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এই মুহূর্তে মন ভালো নেই, দুঃখজনক। তবে আগামী বিশ্বকাপে ইনশাআল্লাহ, আগামী বিশ্বকাপে আমরা আসব।’
এই পোস্টের ক্যাপশনে একটি ভাঙা হৃদয়ের ইমোজি দিয়ে তিনি লেখেন, ‘ইনশাআল্লাহ নেক্সট টাইম’ (আগামীবার)।
প্রিয় দলের বিদায়ের আগে একটি ভিডিওতে নিজের দেশকে নিয়েও এক বড় স্বপ্নের কথা বলেছেন সাফা। ব্রাজিলের জার্সি পরে স্টেডিয়াম থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‘আজ আমি ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬-এ ব্রাজিলকে সমর্থন করতে এসেছি। কিন্তু আমার হৃদয়ের গভীরে আরেকটা স্বপ্ন আছে– একদিন বাংলাদেশও এই মঞ্চে খেলবে, আর আমি এখানে দাঁড়িয়ে গর্বের সঙ্গে আমার নিজের দেশকে সমর্থন করব।’
সবশেষ নেইমার জুনিয়র ও আর্লিং হল্যান্ডের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। ক্যাপশনে লেখেন, ‘আমি নেইমার জুনিয়র এবং হালান্ডকে এক ফ্রেমে ধারণ করেছি। আমি এখনও এটা বিশ্বাস করতে পারছি না। কী এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। এই বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের এত কাছ থেকে দেখতে পেয়ে আমি নিজেকে অবিশ্বাস্যভাবে ভাগ্যবান মনে করছি।’
হালান্ড ছিলেন অসাধারণ। ‘আর ব্রাজিল হৃদয়, আবেগ ও গর্ব নিয়ে খেলেছে। কিন্তু ফলাফলের ঊর্ধ্বে, যা আমার মনে সবচেয়ে বেশি গেঁথে আছে তা হলো, দুই দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে মাঠে তাদের সর্বস্ব দিয়ে খেলতে দেখা।’
সাফা লেখেন, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটা দেশের সাহস, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রত্যেক খেলোয়াড়ের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা। এই ধরনের মুহূর্তগুলোই আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কেন ফুটবলকে সুন্দর খেলা বলা হয়।’
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘আমি আশা করি একদিন বিশ্বের আরও সেরা খেলোয়াড়দের খেলা দেখার সুযোগ পাব। ততদিন পর্যন্ত, এই অসাধারণ অভিজ্ঞতা আমি চিরকাল লালন করব।’

ব্রাজিলের বিদায়ে তটিনীর আবেগঘন পোস্ট
ব্রাজিলের বিদায়ে মেহজাবীনের উচ্ছ্বাস
