শিরোনাম

জীবনে সবচেয়ে বড় পুরস্কার ‘বিয়ে’: অপরাজিতা

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
জীবনে সবচেয়ে বড় পুরস্কার ‘বিয়ে’: অপরাজিতা
স্বামী অতনু হাজরার সঙ্গে অপরাজিতা আঢ্য

পশ্চিমবঙ্গের ছোট ও বড় পর্দার পরিচিত মুখ অপরাজিতা আঢ্য। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে নিজের দক্ষতা ও স্বতন্ত্র অভিনয়শৈলীর মাধ্যমে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, বাংলাদেশের দর্শকদের কাছেও তৈরি করেছেন আলাদা জনপ্রিয়তা। অতনু হাজরার সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের ২৯ বছর পেরিয়ে ৩০ বছরে পদার্পণ করেছেন অপরাজিতা। বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে স্বামীকে উদ্দেশ্য করে এই অভিনেত্রী বলেন, জীবনে যখনই কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করেছে-তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় পুরস্কার কী? আমি এক মুহূর্ত না ভেবেই বলেছি, বিয়ে।

শনিবার (৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোষ্টে এ কথা বলেন তিনি।

পোষ্টে অপরাজিতা আঢ্য লিখেন, ২৯টা বছর পেরিয়ে আজ আমরা পা দিলাম ৩০তম বছরে। জীবনে যখনই কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করেছে-‘তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় পুরস্কার কী?’ আমি এক মুহূর্ত না ভেবেই বলেছি, আমার বিয়ে। কারণ ছোটবেলা থেকে জীবনের নানা সময়ে, নানা পরিস্থিতিতে আমাকে বহুবার বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে। আমার ভুল খোঁজা হয়েছে, আমাকে বোঝার আগে বিচার করা হয়েছে, কখনও বা শাস্তি দেওয়ারও চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু আমার শ্বশুরবাড়ি ছিল জীবনের সেই একমাত্র আশ্রয়, যেখানে আমাকে কখনও কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়নি। আমি ভুল করলেও তারা কখনও শুধু ভুলটুকু দেখেননি। বরং বিশ্বাস করেছেন, এর পেছনেও নিশ্চয়ই কোনও কারণ আছে, কোনও ভালো উদ্দেশ্য আছে। আমার অসম্পূর্ণতার মধ্যেও তারা ভালোটা খুঁজে নিয়েছেন, আমাকে গ্রহণ করেছেন ঠিক আমি যেমন।

তিনি লিখেন, নিঃশর্ত গ্রহণযোগ্যতাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি, সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। গুরুর আশীর্বাদে, গুরু-কৃপায়, বাকি পথটুকুও যেন আমরা এমনই সহজে, ভালোবাসায়, বিশ্বাসে আর একে অপরের হাত ধরে পার করে দিতে পারি।

এই অভিনেত্রী লিখেন, সংসারের যাত্রাপথে যারা পাশে ছিলেন, শুভকামনা ও ভালোবাসায়; তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যে হাত এতদিন ধরে রেখেছি, সেই হাত ধরেই যেন বাকি পথটুকুও হেঁটে যেতে পারি।

বিবাহবার্ষিকীর দিনে ভারতের একটি গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমার প্রথম সিনেমার পরিচালক জগন্নাথ গুহর কারণেই আমি আজ এ অবস্থানে। এমনকি জীবনসঙ্গী অতনুর সঙ্গে পরিচয়ের সুত্রটাও সেই পরিচালকের মাধ্যমে। তাই বিয়ের দিনে প্রয়াত সে নির্মাতার প্রতিও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তিনি।

/এসবি/