সালমানের মৃত্যুর তিন দশক পর নতুন বিতর্ক, যা বললেন শাবনূর

সালমানের মৃত্যুর তিন দশক পর নতুন বিতর্ক, যা বললেন শাবনূর
বিনোদন ডেস্ক

চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর তার আত্মহত্যার জন্য শাবনূরকে দায়ী করেছেন রিজভী আহমেদ নামের এক ব্যক্তি। তিনি দাবি করেন, শাবনূর নাকি সালমান শাহকে ‘ব্ল্যাকমেল’ করতেন। এতোদিন নীরব থাকলেও এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন শাবনূর। তিনি বলেন, ‘সালমান শাহ তার প্রিয় সহশিল্পী ও বড় ভাইয়ের মতো ছিলেন। তার মৃত্যুর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক ছিল না।’
সম্প্রতি দুটি পৃথক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী রিজভী আহমেদ দাবি করেন, শাবনূরকে মনে মনে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। আরেক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ২০১৬ সালে নাকি তাদের বিয়েই হয়েছিল।
তবে সালমান শাহর মৃত্যুর পর রিজভীর নাম প্রথম শুনেছেন বলে জানান শাবনূর। তার প্রশ্ন, কীভাবে এবং কোন ভিত্তিতে রিজভী দাবি করছেন যে তিনি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেল করতেন? পাশাপাশি প্রেম ও বিয়েসংক্রান্ত দাবি নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।
শাবনূরের ভাষ্য, ‘১৯৯৯ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী ওই লোককে তিনি কখনো সামনাসামনি দেখিইনি। এমনকি ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তিনি যুক্তরাজ্যেও যাননি। অথচ সে দাবি করছে, ওই সময় নাকি তাদের বিয়ে হয়েছে।
অভিনেত্রী মজা করে বলেন, আমার সঙ্গে তার বাস্তবে কোনো বিয়ে হয়নি। হয়তো শুধু ‘স্বপ্নের বাসর’ হয়েছিল।
সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় ১৯৯৭ সালে রাজসাক্ষী হয়েছিলেন রিজভী আহমেদ। তবে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন। এজন্য সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী ও শাবনূরকে দায়ী করেন তিনি।
রিজভীর এসব বক্তব্যের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শাবনূর। তিনি বলেন, ‘একই ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন কথা বলছে। কখনো বলছে সে রাজসাক্ষী, কখনো বলছে সালমান আত্মহত্যা করেছে, আবার কখনো আমার সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলছে। কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে বা কারও প্ররোচনায় পড়ে সে এসব মিথ্যা কথা ছড়াচ্ছে।
শাবনূর বলেন, ‘সালমান শাহ আমার প্রিয় সহশিল্পী ছিলেন, বড় ভাইয়ের মতো ছিলেন। তার মৃত্যুর সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক ছিল না। এত বছর পর একজন মানুষ একেক সময় একেক কথা বলে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা গল্প ছড়াবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।’
বিষয়টি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন শাবনূর। সেখানে রিজভীর বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন। এতে অনেক অনুরাগী তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে সালমান শাহর। মাত্র সাড়ে তিন বছরে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু নিয়ে ৩০ বছর ধরে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।

চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর তার আত্মহত্যার জন্য শাবনূরকে দায়ী করেছেন রিজভী আহমেদ নামের এক ব্যক্তি। তিনি দাবি করেন, শাবনূর নাকি সালমান শাহকে ‘ব্ল্যাকমেল’ করতেন। এতোদিন নীরব থাকলেও এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন শাবনূর। তিনি বলেন, ‘সালমান শাহ তার প্রিয় সহশিল্পী ও বড় ভাইয়ের মতো ছিলেন। তার মৃত্যুর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক ছিল না।’
সম্প্রতি দুটি পৃথক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী রিজভী আহমেদ দাবি করেন, শাবনূরকে মনে মনে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। আরেক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ২০১৬ সালে নাকি তাদের বিয়েই হয়েছিল।
তবে সালমান শাহর মৃত্যুর পর রিজভীর নাম প্রথম শুনেছেন বলে জানান শাবনূর। তার প্রশ্ন, কীভাবে এবং কোন ভিত্তিতে রিজভী দাবি করছেন যে তিনি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেল করতেন? পাশাপাশি প্রেম ও বিয়েসংক্রান্ত দাবি নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।
শাবনূরের ভাষ্য, ‘১৯৯৯ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী ওই লোককে তিনি কখনো সামনাসামনি দেখিইনি। এমনকি ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তিনি যুক্তরাজ্যেও যাননি। অথচ সে দাবি করছে, ওই সময় নাকি তাদের বিয়ে হয়েছে।
অভিনেত্রী মজা করে বলেন, আমার সঙ্গে তার বাস্তবে কোনো বিয়ে হয়নি। হয়তো শুধু ‘স্বপ্নের বাসর’ হয়েছিল।
সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় ১৯৯৭ সালে রাজসাক্ষী হয়েছিলেন রিজভী আহমেদ। তবে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন। এজন্য সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী ও শাবনূরকে দায়ী করেন তিনি।
রিজভীর এসব বক্তব্যের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শাবনূর। তিনি বলেন, ‘একই ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন কথা বলছে। কখনো বলছে সে রাজসাক্ষী, কখনো বলছে সালমান আত্মহত্যা করেছে, আবার কখনো আমার সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলছে। কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে বা কারও প্ররোচনায় পড়ে সে এসব মিথ্যা কথা ছড়াচ্ছে।
শাবনূর বলেন, ‘সালমান শাহ আমার প্রিয় সহশিল্পী ছিলেন, বড় ভাইয়ের মতো ছিলেন। তার মৃত্যুর সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক ছিল না। এত বছর পর একজন মানুষ একেক সময় একেক কথা বলে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা গল্প ছড়াবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।’
বিষয়টি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন শাবনূর। সেখানে রিজভীর বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন। এতে অনেক অনুরাগী তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে সালমান শাহর। মাত্র সাড়ে তিন বছরে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু নিয়ে ৩০ বছর ধরে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।

সালমানের মৃত্যুর তিন দশক পর নতুন বিতর্ক, যা বললেন শাবনূর
বিনোদন ডেস্ক

চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর তার আত্মহত্যার জন্য শাবনূরকে দায়ী করেছেন রিজভী আহমেদ নামের এক ব্যক্তি। তিনি দাবি করেন, শাবনূর নাকি সালমান শাহকে ‘ব্ল্যাকমেল’ করতেন। এতোদিন নীরব থাকলেও এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন শাবনূর। তিনি বলেন, ‘সালমান শাহ তার প্রিয় সহশিল্পী ও বড় ভাইয়ের মতো ছিলেন। তার মৃত্যুর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক ছিল না।’
সম্প্রতি দুটি পৃথক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী রিজভী আহমেদ দাবি করেন, শাবনূরকে মনে মনে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। আরেক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ২০১৬ সালে নাকি তাদের বিয়েই হয়েছিল।
তবে সালমান শাহর মৃত্যুর পর রিজভীর নাম প্রথম শুনেছেন বলে জানান শাবনূর। তার প্রশ্ন, কীভাবে এবং কোন ভিত্তিতে রিজভী দাবি করছেন যে তিনি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেল করতেন? পাশাপাশি প্রেম ও বিয়েসংক্রান্ত দাবি নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।
শাবনূরের ভাষ্য, ‘১৯৯৯ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী ওই লোককে তিনি কখনো সামনাসামনি দেখিইনি। এমনকি ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তিনি যুক্তরাজ্যেও যাননি। অথচ সে দাবি করছে, ওই সময় নাকি তাদের বিয়ে হয়েছে।
অভিনেত্রী মজা করে বলেন, আমার সঙ্গে তার বাস্তবে কোনো বিয়ে হয়নি। হয়তো শুধু ‘স্বপ্নের বাসর’ হয়েছিল।
সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় ১৯৯৭ সালে রাজসাক্ষী হয়েছিলেন রিজভী আহমেদ। তবে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন। এজন্য সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী ও শাবনূরকে দায়ী করেন তিনি।
রিজভীর এসব বক্তব্যের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শাবনূর। তিনি বলেন, ‘একই ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন কথা বলছে। কখনো বলছে সে রাজসাক্ষী, কখনো বলছে সালমান আত্মহত্যা করেছে, আবার কখনো আমার সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলছে। কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে বা কারও প্ররোচনায় পড়ে সে এসব মিথ্যা কথা ছড়াচ্ছে।
শাবনূর বলেন, ‘সালমান শাহ আমার প্রিয় সহশিল্পী ছিলেন, বড় ভাইয়ের মতো ছিলেন। তার মৃত্যুর সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক ছিল না। এত বছর পর একজন মানুষ একেক সময় একেক কথা বলে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা গল্প ছড়াবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।’
বিষয়টি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন শাবনূর। সেখানে রিজভীর বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন। এতে অনেক অনুরাগী তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে সালমান শাহর। মাত্র সাড়ে তিন বছরে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু নিয়ে ৩০ বছর ধরে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।

আমি কখনো বলিনি আর অভিনয় করবো না: হাসান মাসুদ







