বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে যাওয়ায় দুই ভারতীয় আটক, বৈঠকে হস্তান্তর

বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে যাওয়ায় দুই ভারতীয় আটক, বৈঠকে হস্তান্তর
মেহেরপুর সংবাদদাতা

মেহেরপুর সদর উপজেলা সীমান্ত থেকে বিএসএফ এক বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায়। এর জেরে সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামের লোকজন দুই ভারতীয়কে আটক করে বিজিবির কাছে দেয়। পরে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ইছাখালী সীমান্তের শূন্যরেখায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনীর প্রতিনিধিরা পতাকা বৈঠক করেন।
সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিকাল ৩টার দিকে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি কৃষক আব্দুল মান্নানকে ফিরিয়ে দেয়। বিজিবি দুই ভারতীয়কে তাদের দেশে ফেরত পাঠায়।
ফিরে যাওয়া দুই ভারতীয় হলেন- নদীয়া জেলার তেহট্টা থানার লালবাজার গ্রামের সচিন কর্মকার এবং একই এলাকার নারায়ণ দেব।
বিজিবি-৬ চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়েছে। দুই বাহিনী সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আটকদের হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বাংলাদেশি কৃষক আব্দুল মান্নানের নাতি ইব্রাহিম বলেন, সকাল ৮টার দিকে বাড়ির পাশে মরিচ খেতে দাদা কীটনাশক দিতে যান। এ সময় ১২৪/৪-এস সীমান্ত পিলার এলাকার কাছ থেকে বিএসএফ সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে যায়।
আব্দুল মান্নানকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবরে এলাকার লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়। কিছুক্ষণ পর তারা ১২৩/৩-এস সীমান্ত পিলার এলাকা থেকে ভারতের লালবাজার গ্রামের দুই নাগরিককে ধরে নিয়ে আসেন এবং ইছাখালী বিজিবি ক্যাম্পে হস্তান্তর করেন।
এ ঘটনার পর দুই দেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনীর প্রতিনিধিরা শূন্যরেখায় পতাকা বৈঠক বসেন। বৈঠকে নবচন্দ্রপুর বিএসএফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার রাজিব কুমার এবং ইছাখালি বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার আবু হানিফ প্রতিনিধিত্ব করেন।

মেহেরপুর সদর উপজেলা সীমান্ত থেকে বিএসএফ এক বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায়। এর জেরে সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামের লোকজন দুই ভারতীয়কে আটক করে বিজিবির কাছে দেয়। পরে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ইছাখালী সীমান্তের শূন্যরেখায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনীর প্রতিনিধিরা পতাকা বৈঠক করেন।
সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিকাল ৩টার দিকে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি কৃষক আব্দুল মান্নানকে ফিরিয়ে দেয়। বিজিবি দুই ভারতীয়কে তাদের দেশে ফেরত পাঠায়।
ফিরে যাওয়া দুই ভারতীয় হলেন- নদীয়া জেলার তেহট্টা থানার লালবাজার গ্রামের সচিন কর্মকার এবং একই এলাকার নারায়ণ দেব।
বিজিবি-৬ চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়েছে। দুই বাহিনী সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আটকদের হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বাংলাদেশি কৃষক আব্দুল মান্নানের নাতি ইব্রাহিম বলেন, সকাল ৮টার দিকে বাড়ির পাশে মরিচ খেতে দাদা কীটনাশক দিতে যান। এ সময় ১২৪/৪-এস সীমান্ত পিলার এলাকার কাছ থেকে বিএসএফ সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে যায়।
আব্দুল মান্নানকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবরে এলাকার লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়। কিছুক্ষণ পর তারা ১২৩/৩-এস সীমান্ত পিলার এলাকা থেকে ভারতের লালবাজার গ্রামের দুই নাগরিককে ধরে নিয়ে আসেন এবং ইছাখালী বিজিবি ক্যাম্পে হস্তান্তর করেন।
এ ঘটনার পর দুই দেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনীর প্রতিনিধিরা শূন্যরেখায় পতাকা বৈঠক বসেন। বৈঠকে নবচন্দ্রপুর বিএসএফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার রাজিব কুমার এবং ইছাখালি বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার আবু হানিফ প্রতিনিধিত্ব করেন।

বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে যাওয়ায় দুই ভারতীয় আটক, বৈঠকে হস্তান্তর
মেহেরপুর সংবাদদাতা

মেহেরপুর সদর উপজেলা সীমান্ত থেকে বিএসএফ এক বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায়। এর জেরে সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামের লোকজন দুই ভারতীয়কে আটক করে বিজিবির কাছে দেয়। পরে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ইছাখালী সীমান্তের শূন্যরেখায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনীর প্রতিনিধিরা পতাকা বৈঠক করেন।
সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিকাল ৩টার দিকে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি কৃষক আব্দুল মান্নানকে ফিরিয়ে দেয়। বিজিবি দুই ভারতীয়কে তাদের দেশে ফেরত পাঠায়।
ফিরে যাওয়া দুই ভারতীয় হলেন- নদীয়া জেলার তেহট্টা থানার লালবাজার গ্রামের সচিন কর্মকার এবং একই এলাকার নারায়ণ দেব।
বিজিবি-৬ চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়েছে। দুই বাহিনী সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আটকদের হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বাংলাদেশি কৃষক আব্দুল মান্নানের নাতি ইব্রাহিম বলেন, সকাল ৮টার দিকে বাড়ির পাশে মরিচ খেতে দাদা কীটনাশক দিতে যান। এ সময় ১২৪/৪-এস সীমান্ত পিলার এলাকার কাছ থেকে বিএসএফ সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে যায়।
আব্দুল মান্নানকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবরে এলাকার লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়। কিছুক্ষণ পর তারা ১২৩/৩-এস সীমান্ত পিলার এলাকা থেকে ভারতের লালবাজার গ্রামের দুই নাগরিককে ধরে নিয়ে আসেন এবং ইছাখালী বিজিবি ক্যাম্পে হস্তান্তর করেন।
এ ঘটনার পর দুই দেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনীর প্রতিনিধিরা শূন্যরেখায় পতাকা বৈঠক বসেন। বৈঠকে নবচন্দ্রপুর বিএসএফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার রাজিব কুমার এবং ইছাখালি বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার আবু হানিফ প্রতিনিধিত্ব করেন।








