আনুশকাকে ছাপিয়ে সামান্থার রেকর্ড

আনুশকাকে ছাপিয়ে সামান্থার রেকর্ড
বিনোদন ডেস্ক

তেলুগু সিনেমার ইতিহাসে নতুন মাইলফলক গড়েছেন সামান্থা রুথ প্রভু। প্রায় ১৫ বছর ধরে আনুশকা শেঠি অভিনীত ‘অরুন্ধতী’ (২০০৯) যে রেকর্ড ধরে রেখেছিল, সেটি ভেঙে দিয়েছেন তিনি।
সামান্থা অভিনীত নতুন ছবি ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ মুক্তির মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ৭৮ কোটির বেশি রুপি আয় করেছে। এর মধ্য দিয়ে ছবিটি ‘অরুন্ধতী’র ৭০ কোটি রুপির আয়কে ছাড়িয়ে তেলুগু সিনেমার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ
আয় করা নারীপ্রধান ছবির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। তবে এই তালিকার শীর্ষস্থান এখনও ধরে রেখেছে ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কীর্তি সুরেশ অভিনীত ‘মহনতি’। ছবিটির মোট আয় ছিল ৮৩ কোটি রুপি।
বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা, বর্তমান গতিধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ‘মা ইন্তি
বাঙ্গারাম’ ‘মহনতি’সিনেমার রেকর্ডও ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়তে পারে।
তেলুগু চলচ্চিত্রে যেখানে দীর্ঘদিন ধরে পুরুষকেন্দ্রিক গল্পই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে, সেখানে নারীপ্রধান একটি ছবির এমন বাণিজ্যিক সাফল্যকে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ১৯ জুন বি. ভি. নন্দিনী রেড্ডি পরিচালিত ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। ছবিতে সামান্থা রুথ প্রভুর পাশাপাশি অভিনয় করেছেন গুলশান দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, চৈতন্য কৃষ্ণ ও শ্রীমুখিসহ আরও অনেকে।

তেলুগু সিনেমার ইতিহাসে নতুন মাইলফলক গড়েছেন সামান্থা রুথ প্রভু। প্রায় ১৫ বছর ধরে আনুশকা শেঠি অভিনীত ‘অরুন্ধতী’ (২০০৯) যে রেকর্ড ধরে রেখেছিল, সেটি ভেঙে দিয়েছেন তিনি।
সামান্থা অভিনীত নতুন ছবি ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ মুক্তির মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ৭৮ কোটির বেশি রুপি আয় করেছে। এর মধ্য দিয়ে ছবিটি ‘অরুন্ধতী’র ৭০ কোটি রুপির আয়কে ছাড়িয়ে তেলুগু সিনেমার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ
আয় করা নারীপ্রধান ছবির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। তবে এই তালিকার শীর্ষস্থান এখনও ধরে রেখেছে ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কীর্তি সুরেশ অভিনীত ‘মহনতি’। ছবিটির মোট আয় ছিল ৮৩ কোটি রুপি।
বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা, বর্তমান গতিধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ‘মা ইন্তি
বাঙ্গারাম’ ‘মহনতি’সিনেমার রেকর্ডও ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়তে পারে।
তেলুগু চলচ্চিত্রে যেখানে দীর্ঘদিন ধরে পুরুষকেন্দ্রিক গল্পই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে, সেখানে নারীপ্রধান একটি ছবির এমন বাণিজ্যিক সাফল্যকে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ১৯ জুন বি. ভি. নন্দিনী রেড্ডি পরিচালিত ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। ছবিতে সামান্থা রুথ প্রভুর পাশাপাশি অভিনয় করেছেন গুলশান দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, চৈতন্য কৃষ্ণ ও শ্রীমুখিসহ আরও অনেকে।

আনুশকাকে ছাপিয়ে সামান্থার রেকর্ড
বিনোদন ডেস্ক

তেলুগু সিনেমার ইতিহাসে নতুন মাইলফলক গড়েছেন সামান্থা রুথ প্রভু। প্রায় ১৫ বছর ধরে আনুশকা শেঠি অভিনীত ‘অরুন্ধতী’ (২০০৯) যে রেকর্ড ধরে রেখেছিল, সেটি ভেঙে দিয়েছেন তিনি।
সামান্থা অভিনীত নতুন ছবি ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ মুক্তির মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ৭৮ কোটির বেশি রুপি আয় করেছে। এর মধ্য দিয়ে ছবিটি ‘অরুন্ধতী’র ৭০ কোটি রুপির আয়কে ছাড়িয়ে তেলুগু সিনেমার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ
আয় করা নারীপ্রধান ছবির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। তবে এই তালিকার শীর্ষস্থান এখনও ধরে রেখেছে ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কীর্তি সুরেশ অভিনীত ‘মহনতি’। ছবিটির মোট আয় ছিল ৮৩ কোটি রুপি।
বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা, বর্তমান গতিধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ‘মা ইন্তি
বাঙ্গারাম’ ‘মহনতি’সিনেমার রেকর্ডও ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়তে পারে।
তেলুগু চলচ্চিত্রে যেখানে দীর্ঘদিন ধরে পুরুষকেন্দ্রিক গল্পই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে, সেখানে নারীপ্রধান একটি ছবির এমন বাণিজ্যিক সাফল্যকে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ১৯ জুন বি. ভি. নন্দিনী রেড্ডি পরিচালিত ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। ছবিতে সামান্থা রুথ প্রভুর পাশাপাশি অভিনয় করেছেন গুলশান দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, চৈতন্য কৃষ্ণ ও শ্রীমুখিসহ আরও অনেকে।

কলেজ নয়, মধ্যবয়সের গল্প নিয়ে ফিরছে ‘থ্রি ইডিয়টস’



