শিক্ষকদের মেধাবী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষকদের মেধাবী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষকদের মেধাবী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। বিগত দিনে কোনো অনিয়ম হলে তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়( হাবিপ্রবি) আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা তোমাদের সঙ্গে থাকবো, তবে ভালো রেজাল্ট করতে হবে।
তিনি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা জনগণের টাকায় লেখাপড়া করে। প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বছরে ৮ লাখ টাকা ব্যয় করে। এ কারণে জনগণের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি নতুন প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীদের বলতে চাই তোমাদের অভিভাবকেরা তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছেন।’ তাই আজ থেকে, যতদিন তোমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে প্রতিটি মুহূর্ত লেখা-পড়ার কাজে লাগাতে হবে। মনে রাখতে হবে তোমাদের পরিশ্রমই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ গড়ে দেবে।
হাবিপ্রবি-বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যার সভাপতিত্বে আগত শিক্ষার্থীদের নবীণ বরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর কবির প্রমুখ।

শিক্ষকদের মেধাবী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। বিগত দিনে কোনো অনিয়ম হলে তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়( হাবিপ্রবি) আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা তোমাদের সঙ্গে থাকবো, তবে ভালো রেজাল্ট করতে হবে।
তিনি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা জনগণের টাকায় লেখাপড়া করে। প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বছরে ৮ লাখ টাকা ব্যয় করে। এ কারণে জনগণের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি নতুন প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীদের বলতে চাই তোমাদের অভিভাবকেরা তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছেন।’ তাই আজ থেকে, যতদিন তোমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে প্রতিটি মুহূর্ত লেখা-পড়ার কাজে লাগাতে হবে। মনে রাখতে হবে তোমাদের পরিশ্রমই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ গড়ে দেবে।
হাবিপ্রবি-বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যার সভাপতিত্বে আগত শিক্ষার্থীদের নবীণ বরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর কবির প্রমুখ।

শিক্ষকদের মেধাবী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষকদের মেধাবী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। বিগত দিনে কোনো অনিয়ম হলে তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়( হাবিপ্রবি) আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা তোমাদের সঙ্গে থাকবো, তবে ভালো রেজাল্ট করতে হবে।
তিনি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা জনগণের টাকায় লেখাপড়া করে। প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বছরে ৮ লাখ টাকা ব্যয় করে। এ কারণে জনগণের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি নতুন প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীদের বলতে চাই তোমাদের অভিভাবকেরা তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছেন।’ তাই আজ থেকে, যতদিন তোমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে প্রতিটি মুহূর্ত লেখা-পড়ার কাজে লাগাতে হবে। মনে রাখতে হবে তোমাদের পরিশ্রমই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ গড়ে দেবে।
হাবিপ্রবি-বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যার সভাপতিত্বে আগত শিক্ষার্থীদের নবীণ বরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর কবির প্রমুখ।




