ঢাবি নিয়ে দেওয়া আপত্তিকর মন্তব্য প্রত্যাহার করলেন ববি হাজ্জাজ

ঢাবি নিয়ে দেওয়া আপত্তিকর মন্তব্য প্রত্যাহার করলেন ববি হাজ্জাজ
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) নিয়ে দেওয়া সাম্প্রতিক মন্তব্য সমালোচনার মুখে প্রত্যাহার করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। শুক্রবার (২৯ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বলেন, তার মন্তব্যের কিছু অংশ ভুলভাবে বোঝানো হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে দেওয়া তার কিছু মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘এগুলো ছিল সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত মতামত, যা কোনোভাবেই সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নয়।তিনি দাবি করেন, আমি মূলত বলতে চেয়েছি যে, সময় এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও বেশি বিশ্বমানের একটি গবেষণামুখী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার। আমার বক্তব্যের উদ্দেশ্য কখনোই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, মর্যাদা বা অবদানকে খাটো করা ছিল না; বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরা ছিল।’
ওই পোস্টে তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমরা এমন একটি একাডেমিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই যেখানে সততা, মেধা, গবেষণার মান এবং বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা সর্বোচ্চ মূল্যবোধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে, যেখানে প্লেজারিজম বা অন্য কোনো অনৈতিক একাডেমিক চর্চার কোনো স্থান থাকবে না। সেটিই হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের প্রতি প্রকৃত সম্মান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়িত্ব। তারপরও আমার আংশিক বক্তব্যটি যেহেতু কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করেছে, অনেকেই অসন্তুষ্ট হয়েছেন, আমার অনেক প্রিয়জন ও শুভাকাঙ্ক্ষী মর্মাহত হয়েছেন সেজন্য আমার এই বক্তব্যটি আমি সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নিচ্ছি এবং আশা করি এরপর এ বিষয়ে আর কোনো বিতর্ক ও ভুল বোঝাবুঝি থাকবে না।’
উল্লেখ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) ‘কোচিং সেন্টার’-এর সঙ্গে তুলনা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’।
শুক্রবার (২৯ মে) সাদা দলের আহ্বায়ক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আবদুস সালাম এবং ড. মো. আবুল কালাম সরকার স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) নিয়ে দেওয়া সাম্প্রতিক মন্তব্য সমালোচনার মুখে প্রত্যাহার করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। শুক্রবার (২৯ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বলেন, তার মন্তব্যের কিছু অংশ ভুলভাবে বোঝানো হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে দেওয়া তার কিছু মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘এগুলো ছিল সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত মতামত, যা কোনোভাবেই সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নয়।তিনি দাবি করেন, আমি মূলত বলতে চেয়েছি যে, সময় এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও বেশি বিশ্বমানের একটি গবেষণামুখী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার। আমার বক্তব্যের উদ্দেশ্য কখনোই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, মর্যাদা বা অবদানকে খাটো করা ছিল না; বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরা ছিল।’
ওই পোস্টে তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমরা এমন একটি একাডেমিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই যেখানে সততা, মেধা, গবেষণার মান এবং বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা সর্বোচ্চ মূল্যবোধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে, যেখানে প্লেজারিজম বা অন্য কোনো অনৈতিক একাডেমিক চর্চার কোনো স্থান থাকবে না। সেটিই হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের প্রতি প্রকৃত সম্মান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়িত্ব। তারপরও আমার আংশিক বক্তব্যটি যেহেতু কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করেছে, অনেকেই অসন্তুষ্ট হয়েছেন, আমার অনেক প্রিয়জন ও শুভাকাঙ্ক্ষী মর্মাহত হয়েছেন সেজন্য আমার এই বক্তব্যটি আমি সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নিচ্ছি এবং আশা করি এরপর এ বিষয়ে আর কোনো বিতর্ক ও ভুল বোঝাবুঝি থাকবে না।’
উল্লেখ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) ‘কোচিং সেন্টার’-এর সঙ্গে তুলনা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’।
শুক্রবার (২৯ মে) সাদা দলের আহ্বায়ক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আবদুস সালাম এবং ড. মো. আবুল কালাম সরকার স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।

ঢাবি নিয়ে দেওয়া আপত্তিকর মন্তব্য প্রত্যাহার করলেন ববি হাজ্জাজ
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) নিয়ে দেওয়া সাম্প্রতিক মন্তব্য সমালোচনার মুখে প্রত্যাহার করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। শুক্রবার (২৯ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বলেন, তার মন্তব্যের কিছু অংশ ভুলভাবে বোঝানো হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে দেওয়া তার কিছু মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘এগুলো ছিল সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত মতামত, যা কোনোভাবেই সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নয়।তিনি দাবি করেন, আমি মূলত বলতে চেয়েছি যে, সময় এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও বেশি বিশ্বমানের একটি গবেষণামুখী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার। আমার বক্তব্যের উদ্দেশ্য কখনোই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, মর্যাদা বা অবদানকে খাটো করা ছিল না; বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরা ছিল।’
ওই পোস্টে তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমরা এমন একটি একাডেমিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই যেখানে সততা, মেধা, গবেষণার মান এবং বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা সর্বোচ্চ মূল্যবোধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে, যেখানে প্লেজারিজম বা অন্য কোনো অনৈতিক একাডেমিক চর্চার কোনো স্থান থাকবে না। সেটিই হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের প্রতি প্রকৃত সম্মান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়িত্ব। তারপরও আমার আংশিক বক্তব্যটি যেহেতু কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করেছে, অনেকেই অসন্তুষ্ট হয়েছেন, আমার অনেক প্রিয়জন ও শুভাকাঙ্ক্ষী মর্মাহত হয়েছেন সেজন্য আমার এই বক্তব্যটি আমি সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নিচ্ছি এবং আশা করি এরপর এ বিষয়ে আর কোনো বিতর্ক ও ভুল বোঝাবুঝি থাকবে না।’
উল্লেখ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) ‘কোচিং সেন্টার’-এর সঙ্গে তুলনা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’।
শুক্রবার (২৯ মে) সাদা দলের আহ্বায়ক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আবদুস সালাম এবং ড. মো. আবুল কালাম সরকার স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।




