শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগ করার দায়িত্ব তারেক রহমানের: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগ করার দায়িত্ব তারেক রহমানের: শিক্ষামন্ত্রী
বগুড়া সংবাদদাতা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা চালু করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।তিনি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেননি। বিগত সরকার ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতাকে ৫০ শতাংশ করেছেন। এবার এ ভাতা শতভাগ করার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলী উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে বগুড়াকে আমরা একটি মডেল জেলায় পরিণত করব। এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সঠিকভাবে পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক ও অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের মর্যাদা ও প্রণোদনা বাড়াতে কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী। তিনি যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। আজ কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই প্রতিশ্রুতিরই আরেকটি প্রমাণ মিলেছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কৃষকদের এই কার্ড দিয়ে নতুন হালখাতা খুললেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে সরকার। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রণোদনা, ভর্তুকি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা সহজেই তাদের কাছে পৌঁছে যাবে, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। একই সঙ্গে প্রতিটি উপজেলায় মাল্টিপারপাস হল নির্মাণ করা হবে, যেখানে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এসএম আমানুল্লাহ, বগুড়া আরডিএ’র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ এবং জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা চালু করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।তিনি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেননি। বিগত সরকার ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতাকে ৫০ শতাংশ করেছেন। এবার এ ভাতা শতভাগ করার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলী উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে বগুড়াকে আমরা একটি মডেল জেলায় পরিণত করব। এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সঠিকভাবে পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক ও অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের মর্যাদা ও প্রণোদনা বাড়াতে কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী। তিনি যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। আজ কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই প্রতিশ্রুতিরই আরেকটি প্রমাণ মিলেছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কৃষকদের এই কার্ড দিয়ে নতুন হালখাতা খুললেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে সরকার। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রণোদনা, ভর্তুকি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা সহজেই তাদের কাছে পৌঁছে যাবে, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। একই সঙ্গে প্রতিটি উপজেলায় মাল্টিপারপাস হল নির্মাণ করা হবে, যেখানে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এসএম আমানুল্লাহ, বগুড়া আরডিএ’র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ এবং জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।

শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগ করার দায়িত্ব তারেক রহমানের: শিক্ষামন্ত্রী
বগুড়া সংবাদদাতা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা চালু করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।তিনি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেননি। বিগত সরকার ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতাকে ৫০ শতাংশ করেছেন। এবার এ ভাতা শতভাগ করার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলী উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে বগুড়াকে আমরা একটি মডেল জেলায় পরিণত করব। এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সঠিকভাবে পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক ও অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের মর্যাদা ও প্রণোদনা বাড়াতে কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী। তিনি যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। আজ কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই প্রতিশ্রুতিরই আরেকটি প্রমাণ মিলেছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কৃষকদের এই কার্ড দিয়ে নতুন হালখাতা খুললেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে সরকার। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রণোদনা, ভর্তুকি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা সহজেই তাদের কাছে পৌঁছে যাবে, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। একই সঙ্গে প্রতিটি উপজেলায় মাল্টিপারপাস হল নির্মাণ করা হবে, যেখানে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এসএম আমানুল্লাহ, বগুড়া আরডিএ’র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ এবং জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।




