অবশেষে হরমুজ পাড়ি দিলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’

অবশেষে হরমুজ পাড়ি দিলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা সংঘাত ও উত্তেজনার পর অবশেষে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমণ করেছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৩টার দিকে জাহাজটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ পাড়ি দেয়। বর্তমানে এটি জ্বালানি সংগ্রহের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে যাচ্ছে।
ইরান যুদ্ধের কারণে প্রায় ১১৫ দিন পারস্য উপসাগরে আটকে ছিল জাহাজটি। সোমবার ইরানের বাহিনীর অনুমতি পাওয়ার পরই জাহাজটি হরমুজ অতিক্রম করেছে। জাহাজটিতে থাকা ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিকের সবাই সুস্থ ও নিরাপদ আছে বলে জানা গেছে।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা মেরিন ট্রাফিকের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৮টার দিকে বাংলার জয়যাত্রা জাহাজটি হরমুজ অতিক্রম করার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে যাচ্ছে। এর গতি ছিল ৭ নটিক্যাল মাইল।
বিএসসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে বাংলার জয়যাত্রা। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়। এর পরদিনই ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সংঘাত শুরু হলে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে পারস্য উপসাগরেই আটকা পড়ে জাহাজটি।
যুদ্ধ শুরুর পর অন্তত তিনবার হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করে জাহাজটি। তবে সফল হওয়া যায়নি। দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হলো।

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা সংঘাত ও উত্তেজনার পর অবশেষে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমণ করেছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৩টার দিকে জাহাজটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ পাড়ি দেয়। বর্তমানে এটি জ্বালানি সংগ্রহের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে যাচ্ছে।
ইরান যুদ্ধের কারণে প্রায় ১১৫ দিন পারস্য উপসাগরে আটকে ছিল জাহাজটি। সোমবার ইরানের বাহিনীর অনুমতি পাওয়ার পরই জাহাজটি হরমুজ অতিক্রম করেছে। জাহাজটিতে থাকা ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিকের সবাই সুস্থ ও নিরাপদ আছে বলে জানা গেছে।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা মেরিন ট্রাফিকের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৮টার দিকে বাংলার জয়যাত্রা জাহাজটি হরমুজ অতিক্রম করার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে যাচ্ছে। এর গতি ছিল ৭ নটিক্যাল মাইল।
বিএসসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে বাংলার জয়যাত্রা। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়। এর পরদিনই ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সংঘাত শুরু হলে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে পারস্য উপসাগরেই আটকা পড়ে জাহাজটি।
যুদ্ধ শুরুর পর অন্তত তিনবার হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করে জাহাজটি। তবে সফল হওয়া যায়নি। দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হলো।

অবশেষে হরমুজ পাড়ি দিলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা সংঘাত ও উত্তেজনার পর অবশেষে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমণ করেছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৩টার দিকে জাহাজটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ পাড়ি দেয়। বর্তমানে এটি জ্বালানি সংগ্রহের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে যাচ্ছে।
ইরান যুদ্ধের কারণে প্রায় ১১৫ দিন পারস্য উপসাগরে আটকে ছিল জাহাজটি। সোমবার ইরানের বাহিনীর অনুমতি পাওয়ার পরই জাহাজটি হরমুজ অতিক্রম করেছে। জাহাজটিতে থাকা ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিকের সবাই সুস্থ ও নিরাপদ আছে বলে জানা গেছে।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা মেরিন ট্রাফিকের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৮টার দিকে বাংলার জয়যাত্রা জাহাজটি হরমুজ অতিক্রম করার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে যাচ্ছে। এর গতি ছিল ৭ নটিক্যাল মাইল।
বিএসসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে বাংলার জয়যাত্রা। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়। এর পরদিনই ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সংঘাত শুরু হলে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে পারস্য উপসাগরেই আটকা পড়ে জাহাজটি।
যুদ্ধ শুরুর পর অন্তত তিনবার হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করে জাহাজটি। তবে সফল হওয়া যায়নি। দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হলো।

হরমুজে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে কয়েক মাস লাগবে


