অর্থনীতির প্রাণ এমএসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী

অর্থনীতির প্রাণ এমএসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অর্থনীতির প্রাণ হচ্ছে এসএমই ও এমএসএমই খাত। বাংলাদেশের মোট অর্থনীতির বড় অংশই অনানুষ্ঠানিক খাতে এবং এর মধ্যে এসএমই খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি এসএমই খাতের উন্নয়নে ৩০০ কোটি টাকার ক্রেডিট হোলসেলিং কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যা প্রায় ১৫টি ব্যাংক ও ৪টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এ বরাদ্দ আরও বাড়িয়ে ২০০০ কোটিতে উন্নীত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এসএমই খাতের বিকাশের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনা এবং আরও বেশি মানুষকে এ খাতে সম্পৃক্ত করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং উৎসবের প্রাণকে একত্রিত করে এক অনন্য অভিজ্ঞতা উপহার দিতে এবং নতুন বছরের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে পরিবার, বন্ধু এবং প্রিয়জনদের সাথে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩ আয়োজন করা হয়েছে।
সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা (পহেলা বৈশাখ সকাল ৮টা থেকে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু হবে)।
মেলায় ১৩ এপ্রিল (সোমবার) বিশেষ আকর্ষণ শান্তা মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ ও কুদ্দুস বয়াতির পরিবেশনা। ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) থাকবে সোহান আলী, প্রজন্ম (নৃত্য পরিবেশনা) ওশান মিউজিক ক্রু, নৃত্যছায়া ও বাউল সংগীত।
মেলায় দর্শনার্থীদের জন্য নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী ও বিনোদনমূলক আয়োজনের মধ্যে থাকছে নাগরদোলা, ফেস পেইন্টিং, টিয়া পাখির মাধ্যমে ভাগ্য গণনা, বানর খেলা, কিডস জোন, বেলুন শুটিং, রণপা, আদিবাসী ও লোকজ নৃত্য (গম্ভীরা, মনিপুরি), লাইভ টি-শার্ট পেইন্টিং, ও ঢাক-ঢোলের পরিবেশনা। মেলায় একটি ব্যতিক্রমধর্মী আকর্ষণ হিসেবে থাকছে টোকাই গ্রুপ, যারা পুরো মেলা জুড়ে লাইভ স্ট্রিট পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সরাসরি সম্পৃক্ত করবে।
মেলার টিকিট মূল্য ৩০ টাকা এবং এক্সপ্রেস টিকিট (৭ দিন): ২০০ টাকা (পার্কিং ফ্রি সুবিধাসহ)।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০% শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে, দেশের প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৯৯% কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই)। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫% সিএমএসএমই খাতে।
এই খাতে ৩ কোটির বেশি জনবল কর্মরত আছেন।
২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা এসএমই ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির সুবিধাভোগী প্রায় ২১ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, যাদের ৬০%-ই নারী-উদ্যোক্তা।

দেশের অর্থনীতির প্রাণ হচ্ছে এসএমই ও এমএসএমই খাত। বাংলাদেশের মোট অর্থনীতির বড় অংশই অনানুষ্ঠানিক খাতে এবং এর মধ্যে এসএমই খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি এসএমই খাতের উন্নয়নে ৩০০ কোটি টাকার ক্রেডিট হোলসেলিং কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যা প্রায় ১৫টি ব্যাংক ও ৪টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এ বরাদ্দ আরও বাড়িয়ে ২০০০ কোটিতে উন্নীত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এসএমই খাতের বিকাশের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনা এবং আরও বেশি মানুষকে এ খাতে সম্পৃক্ত করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং উৎসবের প্রাণকে একত্রিত করে এক অনন্য অভিজ্ঞতা উপহার দিতে এবং নতুন বছরের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে পরিবার, বন্ধু এবং প্রিয়জনদের সাথে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩ আয়োজন করা হয়েছে।
সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা (পহেলা বৈশাখ সকাল ৮টা থেকে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু হবে)।
মেলায় ১৩ এপ্রিল (সোমবার) বিশেষ আকর্ষণ শান্তা মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ ও কুদ্দুস বয়াতির পরিবেশনা। ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) থাকবে সোহান আলী, প্রজন্ম (নৃত্য পরিবেশনা) ওশান মিউজিক ক্রু, নৃত্যছায়া ও বাউল সংগীত।
মেলায় দর্শনার্থীদের জন্য নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী ও বিনোদনমূলক আয়োজনের মধ্যে থাকছে নাগরদোলা, ফেস পেইন্টিং, টিয়া পাখির মাধ্যমে ভাগ্য গণনা, বানর খেলা, কিডস জোন, বেলুন শুটিং, রণপা, আদিবাসী ও লোকজ নৃত্য (গম্ভীরা, মনিপুরি), লাইভ টি-শার্ট পেইন্টিং, ও ঢাক-ঢোলের পরিবেশনা। মেলায় একটি ব্যতিক্রমধর্মী আকর্ষণ হিসেবে থাকছে টোকাই গ্রুপ, যারা পুরো মেলা জুড়ে লাইভ স্ট্রিট পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সরাসরি সম্পৃক্ত করবে।
মেলার টিকিট মূল্য ৩০ টাকা এবং এক্সপ্রেস টিকিট (৭ দিন): ২০০ টাকা (পার্কিং ফ্রি সুবিধাসহ)।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০% শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে, দেশের প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৯৯% কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই)। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫% সিএমএসএমই খাতে।
এই খাতে ৩ কোটির বেশি জনবল কর্মরত আছেন।
২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা এসএমই ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির সুবিধাভোগী প্রায় ২১ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, যাদের ৬০%-ই নারী-উদ্যোক্তা।

অর্থনীতির প্রাণ এমএসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অর্থনীতির প্রাণ হচ্ছে এসএমই ও এমএসএমই খাত। বাংলাদেশের মোট অর্থনীতির বড় অংশই অনানুষ্ঠানিক খাতে এবং এর মধ্যে এসএমই খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি এসএমই খাতের উন্নয়নে ৩০০ কোটি টাকার ক্রেডিট হোলসেলিং কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যা প্রায় ১৫টি ব্যাংক ও ৪টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এ বরাদ্দ আরও বাড়িয়ে ২০০০ কোটিতে উন্নীত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এসএমই খাতের বিকাশের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনা এবং আরও বেশি মানুষকে এ খাতে সম্পৃক্ত করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং উৎসবের প্রাণকে একত্রিত করে এক অনন্য অভিজ্ঞতা উপহার দিতে এবং নতুন বছরের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে পরিবার, বন্ধু এবং প্রিয়জনদের সাথে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩ আয়োজন করা হয়েছে।
সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা (পহেলা বৈশাখ সকাল ৮টা থেকে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু হবে)।
মেলায় ১৩ এপ্রিল (সোমবার) বিশেষ আকর্ষণ শান্তা মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ ও কুদ্দুস বয়াতির পরিবেশনা। ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) থাকবে সোহান আলী, প্রজন্ম (নৃত্য পরিবেশনা) ওশান মিউজিক ক্রু, নৃত্যছায়া ও বাউল সংগীত।
মেলায় দর্শনার্থীদের জন্য নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী ও বিনোদনমূলক আয়োজনের মধ্যে থাকছে নাগরদোলা, ফেস পেইন্টিং, টিয়া পাখির মাধ্যমে ভাগ্য গণনা, বানর খেলা, কিডস জোন, বেলুন শুটিং, রণপা, আদিবাসী ও লোকজ নৃত্য (গম্ভীরা, মনিপুরি), লাইভ টি-শার্ট পেইন্টিং, ও ঢাক-ঢোলের পরিবেশনা। মেলায় একটি ব্যতিক্রমধর্মী আকর্ষণ হিসেবে থাকছে টোকাই গ্রুপ, যারা পুরো মেলা জুড়ে লাইভ স্ট্রিট পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সরাসরি সম্পৃক্ত করবে।
মেলার টিকিট মূল্য ৩০ টাকা এবং এক্সপ্রেস টিকিট (৭ দিন): ২০০ টাকা (পার্কিং ফ্রি সুবিধাসহ)।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০% শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে, দেশের প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৯৯% কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই)। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫% সিএমএসএমই খাতে।
এই খাতে ৩ কোটির বেশি জনবল কর্মরত আছেন।
২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা এসএমই ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির সুবিধাভোগী প্রায় ২১ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, যাদের ৬০%-ই নারী-উদ্যোক্তা।




