শিরোনাম

যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৩ নেতাকর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট

রাজশাহী সংবাদদাতা
যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৩ নেতাকর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট
যুবলীগ নেতা সোহেল রানার বাড়িতে ভাঙচুর। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তিন নেতা-কর্মীর বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে দুটি বাড়িতে প্রায় সব আসবাব ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। লুট করা হয়েছে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার।

ঈদের দিন (শনিবার) রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বাগমারার তাহেরপুর পৌরসভার নূরপুর মহল্লায় বাড়ি তিনটিতে এমন তাণ্ডব চালানো হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ছাত্রদল, কৃষক দলসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন তাহেরপুর পৌরসভ যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা এবং ছাত্রলীগকর্মী শামীম ওসমান ও ফরিদ ইসলাম। একই মহল্লায় অবস্থিত তিনটি বাড়ির মধ্যে সোহেল রানা ও ফরিদের বাড়িতে হামলাকারীরা ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। খাট, আলমারি, টেবিল, টেলিভিশন, ফ্রিজ ও এসিসহ প্রায় সব আসবাবপত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় বাড়িতে লুটপাটও চালানো হয়। তবে শামীম ওসমানের বাড়িতে প্রবেশ করতে না পেরে বাইরে থেকেই ভাঙচুর করে তারা।

উল্লেখ্য, ২০২৪’র গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে সোহেল রানা আত্মগোপনে আছেন। তার বিরুদ্ধে থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। শামীম ওসমান ও ফরিদ এলাকায় আছেন। সোহেল রানার ছোট ভাই শিহাব আল সবুজ ছাত্রলীগের সমর্থক। অনার্স পরীক্ষার জন্য তিনি তাহেরপুর কলেজে ফরম পূরণ করতে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ তার বড় ভাই সোহেল রানার।

সোহেল রানা দাবি করেছেন, তাদের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫৫ হাজার টাকা লুট করা হয়েছে। এ ছাড়া ফরিদের বাড়িতে ঈদের আগে গরু বিক্রি করা ২ লাখ টাকা ছিল। সেটিও লুট করা হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন বাগমারা থানার ওসি সাইদুল আলম। এসআই জাহাঙ্গীর আলমের ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং অভিযোগ না নিয়ে থানা থেকে ডিউটি অফিসারের ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে জানালে ওসি বলেন, ‘যদি আসে কথা বলে ব্যবস্থা নেব।’

/টিই/