গরু লুটে বাধা দেওয়ায় পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসব

গরু লুটে বাধা দেওয়ায় পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসব
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

গরু লুটের সময় বাধা দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর পেটে লাথি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। লাথির পর পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হলে কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত কন্যা সন্তান প্রসব করেন ওই নারী।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের হাটনাইয়া আলীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূর নাম রোকেয়া আক্তার (৩৮)। তিনি ওই গ্রামের ওলিউল্লাহর স্ত্রী। আগামী ১৫ এপ্রিল রোকেয়ার স্বাভাবিক ডেলিভারি হওয়ার কথা ছিল বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ওলিউল্লার ভাতিজা আবুল বাশার বাদী হয়ে মোহনগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় একই গ্রামের আংগুর মিয়া (৩২), রফিকুল ইসলাম (৩৩), তরিকুল মিয়া (৩৫), আনসার মিয়া (২২) ও মজিবর মিয়াসহ (৫০) ৯ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
জানা গেছে, গত ১৪ মার্চ ওলিউল্লাহর ভাগ্নের হাঁস নেমে আংগুর মিয়ার ডোবার পানি ঘোলা করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। সংঘর্ষর সময় আংগুর মিয়ার লোকজন হাঁস লুট করে নিয়ে যায়। পরে আংগুর মিয়ার পক্ষ থেকে করা মামলায় ওলিউল্লাহসহ তার পরিবার ও আত্মীয়দের আসামি করা হয়। এরপর থেকে ওলিউল্লাহর পরিবারের সব পুরুষ মানুষ পুলিশের ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে থাকেন।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ওলিউল্লাহর বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। তবে কাউকে না পেয়ে চলে আসে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে আংগুর মিয়াসহ ১৫-২০ জন ওলিউল্লাহর বাড়িতে হামলা চালায় এবং গরু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকায় ওলিউল্লাহর ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রোকেয়া তাদের বাধা দেয়। এসময় আংগুর মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে রোকেয়ার পেটে লাথি মারে। অন্যরাও তাকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করে। এক পর্যায়ে পেটের তীব্র ব্যথায় চিৎকার শুরু করেন রোকেয়া। এতে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এর কয়েক ঘণ্টা পর মৃত সন্তান প্রসব করেন রোকেয়া। পরে মা ও নবজাতককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন। রোকেয়াকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ওলিউল্লাহ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। আমি এর বিচার চাই। এর আগে ওরা আমাদের হাঁস লুট করেছে। পিটিয়ে জখম করে উল্টো মিথ্যা মামলায় আসামি করেছে। আমাদের পালিয়ে থাকার সুযোগে গভীর রাতে বাড়িতে গিয়ে হামলা করে গোয়ালের গরুগুলো লুট করতে গেছে। বাধা দেওয়ায় আমার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তানকে হত্যা করেছে।
রোকেয়ার বড় বোন রুয়েলা আক্তার বলেন, লাথি দেওয়ায় রোকেয়ার পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। এত রাতে মহিলারা আর তাকে হাসাপাতালে নিয়ে যেতে পারিনি, গাড়িও পাইনি। ভোরে প্রতিবেশী একজন ধাত্রীকে নিয়ে আসি। সকালে মৃত বাচ্চা প্রসব হয়। পরে মা ও নবজাতককে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। আগামী এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখ স্বাভাবিক ডেলিভারি হওয়ার কথা ছিল রোকেয়ার। আমরা এর বিচার চাই।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুন মিয়া বলেন, আংগুর মিয়ার লোকজন বলছে ঘটনা মিথ্যা। আর ওলিউল্লাহর লোকজন বলছে ঘটনা সত্য। এই বিষয়টা নিয়ে এলাকায় দুটি পক্ষ তৈরি হয়েছে। তাই প্রকৃত ঘটনা বোঝা যাচ্ছে না। পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করবে বলে আশা করছি।
অভিযুক্ত আংগুর মিয়া বলেন, আগের একটি ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ায় এলাকায় থাকি না। আগের ঘটনা ধামাচাপা দিতে এটি একটি সাজানো নাটক। আমাদেরকে ফাঁসাতেই এই নাটক সাজানো হচ্ছে।

গরু লুটের সময় বাধা দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর পেটে লাথি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। লাথির পর পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হলে কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত কন্যা সন্তান প্রসব করেন ওই নারী।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের হাটনাইয়া আলীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূর নাম রোকেয়া আক্তার (৩৮)। তিনি ওই গ্রামের ওলিউল্লাহর স্ত্রী। আগামী ১৫ এপ্রিল রোকেয়ার স্বাভাবিক ডেলিভারি হওয়ার কথা ছিল বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ওলিউল্লার ভাতিজা আবুল বাশার বাদী হয়ে মোহনগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় একই গ্রামের আংগুর মিয়া (৩২), রফিকুল ইসলাম (৩৩), তরিকুল মিয়া (৩৫), আনসার মিয়া (২২) ও মজিবর মিয়াসহ (৫০) ৯ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
জানা গেছে, গত ১৪ মার্চ ওলিউল্লাহর ভাগ্নের হাঁস নেমে আংগুর মিয়ার ডোবার পানি ঘোলা করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। সংঘর্ষর সময় আংগুর মিয়ার লোকজন হাঁস লুট করে নিয়ে যায়। পরে আংগুর মিয়ার পক্ষ থেকে করা মামলায় ওলিউল্লাহসহ তার পরিবার ও আত্মীয়দের আসামি করা হয়। এরপর থেকে ওলিউল্লাহর পরিবারের সব পুরুষ মানুষ পুলিশের ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে থাকেন।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ওলিউল্লাহর বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। তবে কাউকে না পেয়ে চলে আসে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে আংগুর মিয়াসহ ১৫-২০ জন ওলিউল্লাহর বাড়িতে হামলা চালায় এবং গরু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকায় ওলিউল্লাহর ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রোকেয়া তাদের বাধা দেয়। এসময় আংগুর মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে রোকেয়ার পেটে লাথি মারে। অন্যরাও তাকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করে। এক পর্যায়ে পেটের তীব্র ব্যথায় চিৎকার শুরু করেন রোকেয়া। এতে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এর কয়েক ঘণ্টা পর মৃত সন্তান প্রসব করেন রোকেয়া। পরে মা ও নবজাতককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন। রোকেয়াকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ওলিউল্লাহ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। আমি এর বিচার চাই। এর আগে ওরা আমাদের হাঁস লুট করেছে। পিটিয়ে জখম করে উল্টো মিথ্যা মামলায় আসামি করেছে। আমাদের পালিয়ে থাকার সুযোগে গভীর রাতে বাড়িতে গিয়ে হামলা করে গোয়ালের গরুগুলো লুট করতে গেছে। বাধা দেওয়ায় আমার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তানকে হত্যা করেছে।
রোকেয়ার বড় বোন রুয়েলা আক্তার বলেন, লাথি দেওয়ায় রোকেয়ার পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। এত রাতে মহিলারা আর তাকে হাসাপাতালে নিয়ে যেতে পারিনি, গাড়িও পাইনি। ভোরে প্রতিবেশী একজন ধাত্রীকে নিয়ে আসি। সকালে মৃত বাচ্চা প্রসব হয়। পরে মা ও নবজাতককে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। আগামী এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখ স্বাভাবিক ডেলিভারি হওয়ার কথা ছিল রোকেয়ার। আমরা এর বিচার চাই।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুন মিয়া বলেন, আংগুর মিয়ার লোকজন বলছে ঘটনা মিথ্যা। আর ওলিউল্লাহর লোকজন বলছে ঘটনা সত্য। এই বিষয়টা নিয়ে এলাকায় দুটি পক্ষ তৈরি হয়েছে। তাই প্রকৃত ঘটনা বোঝা যাচ্ছে না। পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করবে বলে আশা করছি।
অভিযুক্ত আংগুর মিয়া বলেন, আগের একটি ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ায় এলাকায় থাকি না। আগের ঘটনা ধামাচাপা দিতে এটি একটি সাজানো নাটক। আমাদেরকে ফাঁসাতেই এই নাটক সাজানো হচ্ছে।

গরু লুটে বাধা দেওয়ায় পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসব
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

গরু লুটের সময় বাধা দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর পেটে লাথি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। লাথির পর পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হলে কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত কন্যা সন্তান প্রসব করেন ওই নারী।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের হাটনাইয়া আলীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূর নাম রোকেয়া আক্তার (৩৮)। তিনি ওই গ্রামের ওলিউল্লাহর স্ত্রী। আগামী ১৫ এপ্রিল রোকেয়ার স্বাভাবিক ডেলিভারি হওয়ার কথা ছিল বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ওলিউল্লার ভাতিজা আবুল বাশার বাদী হয়ে মোহনগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় একই গ্রামের আংগুর মিয়া (৩২), রফিকুল ইসলাম (৩৩), তরিকুল মিয়া (৩৫), আনসার মিয়া (২২) ও মজিবর মিয়াসহ (৫০) ৯ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
জানা গেছে, গত ১৪ মার্চ ওলিউল্লাহর ভাগ্নের হাঁস নেমে আংগুর মিয়ার ডোবার পানি ঘোলা করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। সংঘর্ষর সময় আংগুর মিয়ার লোকজন হাঁস লুট করে নিয়ে যায়। পরে আংগুর মিয়ার পক্ষ থেকে করা মামলায় ওলিউল্লাহসহ তার পরিবার ও আত্মীয়দের আসামি করা হয়। এরপর থেকে ওলিউল্লাহর পরিবারের সব পুরুষ মানুষ পুলিশের ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে থাকেন।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ওলিউল্লাহর বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। তবে কাউকে না পেয়ে চলে আসে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে আংগুর মিয়াসহ ১৫-২০ জন ওলিউল্লাহর বাড়িতে হামলা চালায় এবং গরু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকায় ওলিউল্লাহর ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রোকেয়া তাদের বাধা দেয়। এসময় আংগুর মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে রোকেয়ার পেটে লাথি মারে। অন্যরাও তাকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করে। এক পর্যায়ে পেটের তীব্র ব্যথায় চিৎকার শুরু করেন রোকেয়া। এতে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এর কয়েক ঘণ্টা পর মৃত সন্তান প্রসব করেন রোকেয়া। পরে মা ও নবজাতককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন। রোকেয়াকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ওলিউল্লাহ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। আমি এর বিচার চাই। এর আগে ওরা আমাদের হাঁস লুট করেছে। পিটিয়ে জখম করে উল্টো মিথ্যা মামলায় আসামি করেছে। আমাদের পালিয়ে থাকার সুযোগে গভীর রাতে বাড়িতে গিয়ে হামলা করে গোয়ালের গরুগুলো লুট করতে গেছে। বাধা দেওয়ায় আমার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তানকে হত্যা করেছে।
রোকেয়ার বড় বোন রুয়েলা আক্তার বলেন, লাথি দেওয়ায় রোকেয়ার পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। এত রাতে মহিলারা আর তাকে হাসাপাতালে নিয়ে যেতে পারিনি, গাড়িও পাইনি। ভোরে প্রতিবেশী একজন ধাত্রীকে নিয়ে আসি। সকালে মৃত বাচ্চা প্রসব হয়। পরে মা ও নবজাতককে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। আগামী এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখ স্বাভাবিক ডেলিভারি হওয়ার কথা ছিল রোকেয়ার। আমরা এর বিচার চাই।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুন মিয়া বলেন, আংগুর মিয়ার লোকজন বলছে ঘটনা মিথ্যা। আর ওলিউল্লাহর লোকজন বলছে ঘটনা সত্য। এই বিষয়টা নিয়ে এলাকায় দুটি পক্ষ তৈরি হয়েছে। তাই প্রকৃত ঘটনা বোঝা যাচ্ছে না। পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করবে বলে আশা করছি।
অভিযুক্ত আংগুর মিয়া বলেন, আগের একটি ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ায় এলাকায় থাকি না। আগের ঘটনা ধামাচাপা দিতে এটি একটি সাজানো নাটক। আমাদেরকে ফাঁসাতেই এই নাটক সাজানো হচ্ছে।




