পাহাড়ে বিদেশি পর্যটকের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের সমাধান দরকার

পাহাড়ে বিদেশি পর্যটকের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের সমাধান দরকার
রাঙামাটি সংবাদদাতা

সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, বিদেশি পর্যটকদের পার্বত্য চট্টগ্রামে আসতে যে বিধিনিষেধ আছে, সেগুলো পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সমাধান করা দরকার।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের হলরুমে ‘সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল, পরিবেশ ও নারীবান্ধব পর্যটন’ বিষয়ক আলোচনা সভায় সাবেক পার্বত্যবিষয়ক মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমি পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রীকে এখানে নিয়ে আসব, তিনি দেখবেন। সংকটগুলোর সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের স্বার্থে আমরা কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখানকার জীববৈচিত্র্য ও সংস্কৃতিকে পর্যটকদেরও সম্মান করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক।’
উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী ও টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অ্যাডভোকেট সুস্মিতা চাকমার সভাপতিত্বে এবং উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের সদস্য নুকু চাকমার সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন চাকমা সার্কেল চিফ রাজা দেবাশীষ রায়, ট্যুরিস্ট পুলিশ রাঙামাটি অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. খাইরুল আলম, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান।
সভায় মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য দেন রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা, জেলা মহিলাদলের সভাপতি নূর জাহান পারুল, রাঙামাটি রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তনয় দেওয়ান।
সভায় বক্তারা বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটনে যেমন সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি পর্যটনের কারণে অনেক সময় স্থানীয় অধিবাসীরা কিছু সংকটে পড়েন। বিশেষত স্থানীয় সংস্কৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নারীবান্ধব পর্যটনশিল্প গড়ে না ওঠায় নারী-শিশুদের বিভিন্ন সময়ে অস্বস্তিকর পরিবেশে পড়তে হয়।’

সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, বিদেশি পর্যটকদের পার্বত্য চট্টগ্রামে আসতে যে বিধিনিষেধ আছে, সেগুলো পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সমাধান করা দরকার।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের হলরুমে ‘সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল, পরিবেশ ও নারীবান্ধব পর্যটন’ বিষয়ক আলোচনা সভায় সাবেক পার্বত্যবিষয়ক মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমি পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রীকে এখানে নিয়ে আসব, তিনি দেখবেন। সংকটগুলোর সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের স্বার্থে আমরা কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখানকার জীববৈচিত্র্য ও সংস্কৃতিকে পর্যটকদেরও সম্মান করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক।’
উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী ও টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অ্যাডভোকেট সুস্মিতা চাকমার সভাপতিত্বে এবং উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের সদস্য নুকু চাকমার সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন চাকমা সার্কেল চিফ রাজা দেবাশীষ রায়, ট্যুরিস্ট পুলিশ রাঙামাটি অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. খাইরুল আলম, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান।
সভায় মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য দেন রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা, জেলা মহিলাদলের সভাপতি নূর জাহান পারুল, রাঙামাটি রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তনয় দেওয়ান।
সভায় বক্তারা বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটনে যেমন সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি পর্যটনের কারণে অনেক সময় স্থানীয় অধিবাসীরা কিছু সংকটে পড়েন। বিশেষত স্থানীয় সংস্কৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নারীবান্ধব পর্যটনশিল্প গড়ে না ওঠায় নারী-শিশুদের বিভিন্ন সময়ে অস্বস্তিকর পরিবেশে পড়তে হয়।’

পাহাড়ে বিদেশি পর্যটকের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের সমাধান দরকার
রাঙামাটি সংবাদদাতা

সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, বিদেশি পর্যটকদের পার্বত্য চট্টগ্রামে আসতে যে বিধিনিষেধ আছে, সেগুলো পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সমাধান করা দরকার।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের হলরুমে ‘সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল, পরিবেশ ও নারীবান্ধব পর্যটন’ বিষয়ক আলোচনা সভায় সাবেক পার্বত্যবিষয়ক মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমি পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রীকে এখানে নিয়ে আসব, তিনি দেখবেন। সংকটগুলোর সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের স্বার্থে আমরা কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখানকার জীববৈচিত্র্য ও সংস্কৃতিকে পর্যটকদেরও সম্মান করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক।’
উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী ও টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অ্যাডভোকেট সুস্মিতা চাকমার সভাপতিত্বে এবং উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের সদস্য নুকু চাকমার সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন চাকমা সার্কেল চিফ রাজা দেবাশীষ রায়, ট্যুরিস্ট পুলিশ রাঙামাটি অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. খাইরুল আলম, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান।
সভায় মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য দেন রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা, জেলা মহিলাদলের সভাপতি নূর জাহান পারুল, রাঙামাটি রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তনয় দেওয়ান।
সভায় বক্তারা বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটনে যেমন সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি পর্যটনের কারণে অনেক সময় স্থানীয় অধিবাসীরা কিছু সংকটে পড়েন। বিশেষত স্থানীয় সংস্কৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নারীবান্ধব পর্যটনশিল্প গড়ে না ওঠায় নারী-শিশুদের বিভিন্ন সময়ে অস্বস্তিকর পরিবেশে পড়তে হয়।’









