গরমে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের

গরমে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের
যশোর সংবাদদাতা

প্রচণ্ড গরমে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের। মূলত তৃষ্ণা মেটাতেই এই ফলটি খেয়ে থাকেন সাধারণ মানুষ।
যশোরের বেনাপোল রেল স্টেশন রোড এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ভ্যানগাড়িতে করে তালশাঁস বিক্রি করছেন কয়েকজন বিক্রেতা। শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও পথচারীরা গরম থেকে স্বস্তি পেতে তাদের কাছ থেকে তালশাঁস কিনছেন। চলমান তীব্র তাপদাহে বিক্রিও বেড়েছে কয়েকগুণ। এছাড়া, ডিহি, লক্ষণপুর, নিজামপুর, বাজার সংলগ্ন এলাকায় তালশাঁস বিক্রি করতে দেখা গেছে। কেউ ভ্যানে, কেউবা রাস্তার পাশে অস্থায়ী দোকানে এই ফল বিক্রি করছেন।
বিক্রেতা রেজাউল করিম বলেন, সব বয়সী মানুষই ফলটি খেতে পছন্দ করেন। গরমের সময় তালশাঁসের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। ছোট-বড় সব বয়সের মানুষ এটা খেতে পছন্দ করেন। প্রতিদিন আমি প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ পিস তালশাঁস বিক্রি করি। এবার গরম বেশি হওয়ায় বিক্রিও বাড়ছে। প্রতি পিস তালশাঁস ১৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।
শার্শা এলাকায় কাজের ফাঁকে তালশাঁস খেতে দেখা যায় নির্মাণ শ্রমিক মোহাম্মদ আলীকে। তিনি বলেন, সারাদিন রোদের মধ্যে কাজ করতে হয়। গরমে শরীর খুব ক্লান্ত হয়ে যায়। তালশাঁস খেলে শরীর ঠান্ডা লাগে এবং কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, নাভারণ বাজারে কেনাকাটা করতে এসে তালশাঁস খাচ্ছিলেন আকিজ কলেজের শিক্ষার্থী রাইয়ান। তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরমে তালশাঁস খুবই আরাম দেয়। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীরের জন্যও উপকারী। তাই সুযোগ পেলেই তালশাঁস খাই।
চিকিৎসকদের মতে, তালশাঁসে প্রচুর পানি ও প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান থাকায় এটি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
ক্রেতা অহিদুল ইসলাম বলেন, তালশ্বাস গ্রীষ্মের অন্যতম জনপ্রিয় ফল। এর শাঁস ও রস খুবই সুস্বাদু। তাই পরিবারের জন্য নিয়মিত কিনি।
উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা বলেন, তালশাঁস সুস্বাদুই নয়, এটি ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর ফল। গরমে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে তালশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রচণ্ড গরমে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের। মূলত তৃষ্ণা মেটাতেই এই ফলটি খেয়ে থাকেন সাধারণ মানুষ।
যশোরের বেনাপোল রেল স্টেশন রোড এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ভ্যানগাড়িতে করে তালশাঁস বিক্রি করছেন কয়েকজন বিক্রেতা। শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও পথচারীরা গরম থেকে স্বস্তি পেতে তাদের কাছ থেকে তালশাঁস কিনছেন। চলমান তীব্র তাপদাহে বিক্রিও বেড়েছে কয়েকগুণ। এছাড়া, ডিহি, লক্ষণপুর, নিজামপুর, বাজার সংলগ্ন এলাকায় তালশাঁস বিক্রি করতে দেখা গেছে। কেউ ভ্যানে, কেউবা রাস্তার পাশে অস্থায়ী দোকানে এই ফল বিক্রি করছেন।
বিক্রেতা রেজাউল করিম বলেন, সব বয়সী মানুষই ফলটি খেতে পছন্দ করেন। গরমের সময় তালশাঁসের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। ছোট-বড় সব বয়সের মানুষ এটা খেতে পছন্দ করেন। প্রতিদিন আমি প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ পিস তালশাঁস বিক্রি করি। এবার গরম বেশি হওয়ায় বিক্রিও বাড়ছে। প্রতি পিস তালশাঁস ১৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।
শার্শা এলাকায় কাজের ফাঁকে তালশাঁস খেতে দেখা যায় নির্মাণ শ্রমিক মোহাম্মদ আলীকে। তিনি বলেন, সারাদিন রোদের মধ্যে কাজ করতে হয়। গরমে শরীর খুব ক্লান্ত হয়ে যায়। তালশাঁস খেলে শরীর ঠান্ডা লাগে এবং কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, নাভারণ বাজারে কেনাকাটা করতে এসে তালশাঁস খাচ্ছিলেন আকিজ কলেজের শিক্ষার্থী রাইয়ান। তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরমে তালশাঁস খুবই আরাম দেয়। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীরের জন্যও উপকারী। তাই সুযোগ পেলেই তালশাঁস খাই।
চিকিৎসকদের মতে, তালশাঁসে প্রচুর পানি ও প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান থাকায় এটি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
ক্রেতা অহিদুল ইসলাম বলেন, তালশ্বাস গ্রীষ্মের অন্যতম জনপ্রিয় ফল। এর শাঁস ও রস খুবই সুস্বাদু। তাই পরিবারের জন্য নিয়মিত কিনি।
উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা বলেন, তালশাঁস সুস্বাদুই নয়, এটি ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর ফল। গরমে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে তালশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

গরমে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের
যশোর সংবাদদাতা

প্রচণ্ড গরমে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের। মূলত তৃষ্ণা মেটাতেই এই ফলটি খেয়ে থাকেন সাধারণ মানুষ।
যশোরের বেনাপোল রেল স্টেশন রোড এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ভ্যানগাড়িতে করে তালশাঁস বিক্রি করছেন কয়েকজন বিক্রেতা। শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও পথচারীরা গরম থেকে স্বস্তি পেতে তাদের কাছ থেকে তালশাঁস কিনছেন। চলমান তীব্র তাপদাহে বিক্রিও বেড়েছে কয়েকগুণ। এছাড়া, ডিহি, লক্ষণপুর, নিজামপুর, বাজার সংলগ্ন এলাকায় তালশাঁস বিক্রি করতে দেখা গেছে। কেউ ভ্যানে, কেউবা রাস্তার পাশে অস্থায়ী দোকানে এই ফল বিক্রি করছেন।
বিক্রেতা রেজাউল করিম বলেন, সব বয়সী মানুষই ফলটি খেতে পছন্দ করেন। গরমের সময় তালশাঁসের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। ছোট-বড় সব বয়সের মানুষ এটা খেতে পছন্দ করেন। প্রতিদিন আমি প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ পিস তালশাঁস বিক্রি করি। এবার গরম বেশি হওয়ায় বিক্রিও বাড়ছে। প্রতি পিস তালশাঁস ১৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।
শার্শা এলাকায় কাজের ফাঁকে তালশাঁস খেতে দেখা যায় নির্মাণ শ্রমিক মোহাম্মদ আলীকে। তিনি বলেন, সারাদিন রোদের মধ্যে কাজ করতে হয়। গরমে শরীর খুব ক্লান্ত হয়ে যায়। তালশাঁস খেলে শরীর ঠান্ডা লাগে এবং কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, নাভারণ বাজারে কেনাকাটা করতে এসে তালশাঁস খাচ্ছিলেন আকিজ কলেজের শিক্ষার্থী রাইয়ান। তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরমে তালশাঁস খুবই আরাম দেয়। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীরের জন্যও উপকারী। তাই সুযোগ পেলেই তালশাঁস খাই।
চিকিৎসকদের মতে, তালশাঁসে প্রচুর পানি ও প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান থাকায় এটি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
ক্রেতা অহিদুল ইসলাম বলেন, তালশ্বাস গ্রীষ্মের অন্যতম জনপ্রিয় ফল। এর শাঁস ও রস খুবই সুস্বাদু। তাই পরিবারের জন্য নিয়মিত কিনি।
উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা বলেন, তালশাঁস সুস্বাদুই নয়, এটি ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর ফল। গরমে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে তালশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।




