তনু হত্যার ১০ বছর, বিচারের অপেক্ষায় পরিবার

তনু হত্যার ১০ বছর, বিচারের অপেক্ষায় পরিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

সোহাগী জাহান তনু হত্যার ১০ বছর পূর্ণ হলো আজ শুক্রবার (২০ মার্চ)। এক দশক পেরিয়ে গেলেও মামলাটি এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার এতো বছর পরও এখনো বিচার প্রত্যাশায় অপেক্ষা করছে তনুর পরিবার।
হত্যা মামলাটিতে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। হয়নি কেউ গ্রেপ্তার, শুরু হয়নি বিচার কার্যক্রম। পুলিশ সদর দপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে (পিবিআই) মামলাটির তদন্ত করছে।
কুমিল্লা সদর আদালতের (আমলি আদালত -১) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক পরবর্তী তারিখে তদন্ত কর্মকর্তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে মামলার অগ্রগতির প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ জানান, আগামী ৬ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এরইমধ্যে শুনানির ৭৮টি তারিখ পার হয়েছে এবং চারটি ভিন্ন সংস্থার ছয়জন তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটির তদন্ত পরিচালনা করেছেন।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুকে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইবার ময়নাতদন্ত করা হলেও মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ করা যায়নি। তবে সিআইডি ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করে যে, তনুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছিল।
তার পোশাকে তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তির শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়া গেলেও তদন্তকারীরা এখনো কোনো সন্দেহভাজনের সঙ্গে তা মেলাতে পারেননি। এ ঘটনা দেশে তীব্র আন্দোলনের সৃষ্টি করে।
শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে রাজপথে নেমে আসে। সে সময় সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিলেও, সেই আশ্বাস বাস্তবায়নে কার্যকর অগ্রগতি দেখা যায়নি।

সোহাগী জাহান তনু হত্যার ১০ বছর পূর্ণ হলো আজ শুক্রবার (২০ মার্চ)। এক দশক পেরিয়ে গেলেও মামলাটি এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার এতো বছর পরও এখনো বিচার প্রত্যাশায় অপেক্ষা করছে তনুর পরিবার।
হত্যা মামলাটিতে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। হয়নি কেউ গ্রেপ্তার, শুরু হয়নি বিচার কার্যক্রম। পুলিশ সদর দপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে (পিবিআই) মামলাটির তদন্ত করছে।
কুমিল্লা সদর আদালতের (আমলি আদালত -১) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক পরবর্তী তারিখে তদন্ত কর্মকর্তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে মামলার অগ্রগতির প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ জানান, আগামী ৬ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এরইমধ্যে শুনানির ৭৮টি তারিখ পার হয়েছে এবং চারটি ভিন্ন সংস্থার ছয়জন তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটির তদন্ত পরিচালনা করেছেন।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুকে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইবার ময়নাতদন্ত করা হলেও মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ করা যায়নি। তবে সিআইডি ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করে যে, তনুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছিল।
তার পোশাকে তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তির শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়া গেলেও তদন্তকারীরা এখনো কোনো সন্দেহভাজনের সঙ্গে তা মেলাতে পারেননি। এ ঘটনা দেশে তীব্র আন্দোলনের সৃষ্টি করে।
শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে রাজপথে নেমে আসে। সে সময় সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিলেও, সেই আশ্বাস বাস্তবায়নে কার্যকর অগ্রগতি দেখা যায়নি।

তনু হত্যার ১০ বছর, বিচারের অপেক্ষায় পরিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

সোহাগী জাহান তনু হত্যার ১০ বছর পূর্ণ হলো আজ শুক্রবার (২০ মার্চ)। এক দশক পেরিয়ে গেলেও মামলাটি এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার এতো বছর পরও এখনো বিচার প্রত্যাশায় অপেক্ষা করছে তনুর পরিবার।
হত্যা মামলাটিতে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। হয়নি কেউ গ্রেপ্তার, শুরু হয়নি বিচার কার্যক্রম। পুলিশ সদর দপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে (পিবিআই) মামলাটির তদন্ত করছে।
কুমিল্লা সদর আদালতের (আমলি আদালত -১) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক পরবর্তী তারিখে তদন্ত কর্মকর্তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে মামলার অগ্রগতির প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ জানান, আগামী ৬ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এরইমধ্যে শুনানির ৭৮টি তারিখ পার হয়েছে এবং চারটি ভিন্ন সংস্থার ছয়জন তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটির তদন্ত পরিচালনা করেছেন।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুকে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইবার ময়নাতদন্ত করা হলেও মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ করা যায়নি। তবে সিআইডি ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করে যে, তনুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছিল।
তার পোশাকে তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তির শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়া গেলেও তদন্তকারীরা এখনো কোনো সন্দেহভাজনের সঙ্গে তা মেলাতে পারেননি। এ ঘটনা দেশে তীব্র আন্দোলনের সৃষ্টি করে।
শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে রাজপথে নেমে আসে। সে সময় সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিলেও, সেই আশ্বাস বাস্তবায়নে কার্যকর অগ্রগতি দেখা যায়নি।




