সন্ধ্যায় রিকশা নিয়ে বের হন ফজলু, সকালে মিললো মরদেহ

সন্ধ্যায় রিকশা নিয়ে বের হন ফজলু, সকালে মিললো মরদেহ
পাবনা সংবাদদাতা

পাবনার বেড়া উপজেলায় ফজলুর রহমান নামের এক রিকশাচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে বেড়া পৌর এলাকার বড়শিলা মহল্লার এক ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি নিতাই চন্দ্র।
নিহত ফজলুর রহমান বেড়া পৌরসভার হাতিগাড়া মহল্লার মৃত আব্দুল মুন্নাফের ছেলে। তিনি উপজেলার ক্যানেল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন ফজলুর রহমান। এরপর আর ফিরেননি।সকালে বড়শিলা মহল্লার রাস্তার পাশে ধানক্ষেতে ফজলুর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দিলে তার মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলের পাশেই তার রিকশা ছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, রাতে তাকে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। কিন্তু হত্যার কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ।
এ ব্যাপারে বেড়া মডেল থানার ওসি নিতাই চন্দ্র বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পাবনার বেড়া উপজেলায় ফজলুর রহমান নামের এক রিকশাচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে বেড়া পৌর এলাকার বড়শিলা মহল্লার এক ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি নিতাই চন্দ্র।
নিহত ফজলুর রহমান বেড়া পৌরসভার হাতিগাড়া মহল্লার মৃত আব্দুল মুন্নাফের ছেলে। তিনি উপজেলার ক্যানেল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন ফজলুর রহমান। এরপর আর ফিরেননি।সকালে বড়শিলা মহল্লার রাস্তার পাশে ধানক্ষেতে ফজলুর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দিলে তার মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলের পাশেই তার রিকশা ছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, রাতে তাকে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। কিন্তু হত্যার কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ।
এ ব্যাপারে বেড়া মডেল থানার ওসি নিতাই চন্দ্র বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সন্ধ্যায় রিকশা নিয়ে বের হন ফজলু, সকালে মিললো মরদেহ
পাবনা সংবাদদাতা

পাবনার বেড়া উপজেলায় ফজলুর রহমান নামের এক রিকশাচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে বেড়া পৌর এলাকার বড়শিলা মহল্লার এক ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি নিতাই চন্দ্র।
নিহত ফজলুর রহমান বেড়া পৌরসভার হাতিগাড়া মহল্লার মৃত আব্দুল মুন্নাফের ছেলে। তিনি উপজেলার ক্যানেল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন ফজলুর রহমান। এরপর আর ফিরেননি।সকালে বড়শিলা মহল্লার রাস্তার পাশে ধানক্ষেতে ফজলুর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দিলে তার মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলের পাশেই তার রিকশা ছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, রাতে তাকে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। কিন্তু হত্যার কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ।
এ ব্যাপারে বেড়া মডেল থানার ওসি নিতাই চন্দ্র বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।




