দিনভর বৃষ্টিতে শেষ সময়ের বেচাকেনায় ধস

দিনভর বৃষ্টিতে শেষ সময়ের বেচাকেনায় ধস
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে এবার পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হয়েছে। সাধারণত রোজা একটা বাড়তি হলে মার্কেট এবং ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা একদিন বেশি সময় পান তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য। তবে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) রমজানের শেষ দিনে বেচাকেনায় ধস নামে। এর মূল কারণ বৈরী আবহাওয়া এবং দিনভর বৃষ্টি।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকেই বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানায়, রাজধানীতে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। তবে দুপুর ১২টার পরে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়ে।
বৃষ্টির সময় নিউমার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা অলস সময় পার করছেন। রমজানের শেষ দিন অনেকেই গ্রামের বাড়ি যাওয়ার আগে কেনাকাটা করেন। তবে সকাল থেকেই বৃষ্টি থাকায় তেমন লোক নেই মার্কেটে।
সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত ফুটপাতে ব্যবসায়ীরা পড়েছেন আরও বিপদে। বৃষ্টির কারণে ব্যবসায়ীদের অনেককে তাদের পণ্য পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে দেখা যায়। ফুটপাতে পোশাক ব্যবসায়ী রতন বলেন, ‘রোজা ৩০টি হলে বেচাকেনাতে একদিন সময় বেশি পাওয়া যায়। এবার বৃষ্টিতে উল্টো মনে হচ্ছে লস হবে। ইফতারের পর আবহাওয়া ভালো থাকলে বেচাকেনা বাড়তে পারে।’
সাধারণত এসব এলাকায় চাঁদরাতে মার্কেট খোলা থাকে গভীর রাত পর্যন্ত। তবে আবহাওয়া খারাপ থাকলে আজ আগেই দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরবেন বলে জানান কয়েকজন ব্যবসায়ী।
এদিকে সদরঘাট এলাকায় অবস্থিত গ্রেট ওয়াল শপিং সেন্টারে ঈদের শেষ মুহূর্তের কেনাবেচার আমেজ নেই। হারুন নামের এক ক্রেতা জানান, বেচাকেনা নেই দেখে শেষ মুহূর্তে দোকানদাররা সস্তায় পোশাক দিচ্ছেন।
মতিঝিল এলাকায় ফুটপাত, গুলিস্তান এলাকার পোশাক মার্কেট সরগরম থাকে ঈদের আগের দিন। নিম্ন আয়ের মানুষরা ঈদের আগে কেনন পোশাক, জুতা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সামগ্রী। তবে এবার শেষ দিনে ব্যবসায়ীরা আশানুরূপ ব্যবসা করতে পারেনি।

বাংলাদেশে এবার পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হয়েছে। সাধারণত রোজা একটা বাড়তি হলে মার্কেট এবং ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা একদিন বেশি সময় পান তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য। তবে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) রমজানের শেষ দিনে বেচাকেনায় ধস নামে। এর মূল কারণ বৈরী আবহাওয়া এবং দিনভর বৃষ্টি।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকেই বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানায়, রাজধানীতে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। তবে দুপুর ১২টার পরে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়ে।
বৃষ্টির সময় নিউমার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা অলস সময় পার করছেন। রমজানের শেষ দিন অনেকেই গ্রামের বাড়ি যাওয়ার আগে কেনাকাটা করেন। তবে সকাল থেকেই বৃষ্টি থাকায় তেমন লোক নেই মার্কেটে।
সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত ফুটপাতে ব্যবসায়ীরা পড়েছেন আরও বিপদে। বৃষ্টির কারণে ব্যবসায়ীদের অনেককে তাদের পণ্য পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে দেখা যায়। ফুটপাতে পোশাক ব্যবসায়ী রতন বলেন, ‘রোজা ৩০টি হলে বেচাকেনাতে একদিন সময় বেশি পাওয়া যায়। এবার বৃষ্টিতে উল্টো মনে হচ্ছে লস হবে। ইফতারের পর আবহাওয়া ভালো থাকলে বেচাকেনা বাড়তে পারে।’
সাধারণত এসব এলাকায় চাঁদরাতে মার্কেট খোলা থাকে গভীর রাত পর্যন্ত। তবে আবহাওয়া খারাপ থাকলে আজ আগেই দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরবেন বলে জানান কয়েকজন ব্যবসায়ী।
এদিকে সদরঘাট এলাকায় অবস্থিত গ্রেট ওয়াল শপিং সেন্টারে ঈদের শেষ মুহূর্তের কেনাবেচার আমেজ নেই। হারুন নামের এক ক্রেতা জানান, বেচাকেনা নেই দেখে শেষ মুহূর্তে দোকানদাররা সস্তায় পোশাক দিচ্ছেন।
মতিঝিল এলাকায় ফুটপাত, গুলিস্তান এলাকার পোশাক মার্কেট সরগরম থাকে ঈদের আগের দিন। নিম্ন আয়ের মানুষরা ঈদের আগে কেনন পোশাক, জুতা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সামগ্রী। তবে এবার শেষ দিনে ব্যবসায়ীরা আশানুরূপ ব্যবসা করতে পারেনি।

দিনভর বৃষ্টিতে শেষ সময়ের বেচাকেনায় ধস
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে এবার পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হয়েছে। সাধারণত রোজা একটা বাড়তি হলে মার্কেট এবং ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা একদিন বেশি সময় পান তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য। তবে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) রমজানের শেষ দিনে বেচাকেনায় ধস নামে। এর মূল কারণ বৈরী আবহাওয়া এবং দিনভর বৃষ্টি।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকেই বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানায়, রাজধানীতে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। তবে দুপুর ১২টার পরে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়ে।
বৃষ্টির সময় নিউমার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা অলস সময় পার করছেন। রমজানের শেষ দিন অনেকেই গ্রামের বাড়ি যাওয়ার আগে কেনাকাটা করেন। তবে সকাল থেকেই বৃষ্টি থাকায় তেমন লোক নেই মার্কেটে।
সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত ফুটপাতে ব্যবসায়ীরা পড়েছেন আরও বিপদে। বৃষ্টির কারণে ব্যবসায়ীদের অনেককে তাদের পণ্য পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে দেখা যায়। ফুটপাতে পোশাক ব্যবসায়ী রতন বলেন, ‘রোজা ৩০টি হলে বেচাকেনাতে একদিন সময় বেশি পাওয়া যায়। এবার বৃষ্টিতে উল্টো মনে হচ্ছে লস হবে। ইফতারের পর আবহাওয়া ভালো থাকলে বেচাকেনা বাড়তে পারে।’
সাধারণত এসব এলাকায় চাঁদরাতে মার্কেট খোলা থাকে গভীর রাত পর্যন্ত। তবে আবহাওয়া খারাপ থাকলে আজ আগেই দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরবেন বলে জানান কয়েকজন ব্যবসায়ী।
এদিকে সদরঘাট এলাকায় অবস্থিত গ্রেট ওয়াল শপিং সেন্টারে ঈদের শেষ মুহূর্তের কেনাবেচার আমেজ নেই। হারুন নামের এক ক্রেতা জানান, বেচাকেনা নেই দেখে শেষ মুহূর্তে দোকানদাররা সস্তায় পোশাক দিচ্ছেন।
মতিঝিল এলাকায় ফুটপাত, গুলিস্তান এলাকার পোশাক মার্কেট সরগরম থাকে ঈদের আগের দিন। নিম্ন আয়ের মানুষরা ঈদের আগে কেনন পোশাক, জুতা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সামগ্রী। তবে এবার শেষ দিনে ব্যবসায়ীরা আশানুরূপ ব্যবসা করতে পারেনি।




