দগ্ধ বাবা ও ৩ সন্তানের পর এবার চলে গেলেন মা

দগ্ধ বাবা ও ৩ সন্তানের পর এবার চলে গেলেন মা
নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচ জন দগ্ধের ঘটনায় একে একে স্বামী ও তিন সন্তানের পর এবার মারা গেলেন গৃহবধূ সায়মা আক্তার (৩২)। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল নয়টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মারা যান তিনি।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তার ছেলে মুন্না (১২), দুপুরে মেয়ে মুন্নি (৭) মারা যায়। আর বুধবার মৃত্যু হয় তার আরেক মেয়ে কথা (৪) ও সোমবার মারা যান তার স্বামী আবুল কালাম (৩৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি বলে, ‘সায়মার শ্বাসনালীসহ শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানেই আজ সকালে তার মৃত্যু হয়। এতে ঘটনাটিতে দগ্ধ পরিবারের ৫ জনই মারা গেলেন।’
প্রসঙ্গত, গত ১০ মে সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার গ্রাম বাংলা টাওয়ার সংলগ্ন একটি বাসায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন ঘরের ভেতর আগুন জ্বলছে। পরে দগ্ধ অবস্থায় পরিবারের পাঁচ সদস্যকে উদ্ধার করে দ্রুত বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, ঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকেই এ বিস্ফোরণের সূত্রপাত।
উল্লেখ্য, তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বালুকদিয়া গ্রামে। জীবিকার প্রয়োজনে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করছিল পরিবারটি।
নিহত সায়মা আক্তার ছোট ভাই মো. আরমান জানান, সায়মাদের বাড়ি বরিশাল বাবুগঞ্জ পশ্চিম ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে। ঘটনার দিন নিহত সবজি বিক্রেতা আবুল কালাম আড়তে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খাবার খাওয়ার জন্য নিজেই আগের দিনের রান্না করা তরকারি গ্যাসের চুলায় গরম করতে যান। রান্নাঘরে দিয়াশলাই জ্বালাতেই বিস্ফোরণ হয়। তাদের ধারণা, গ্যাস লিকেজের কারণে রান্না ঘরে গ্যাস জমে ছিল।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচ জন দগ্ধের ঘটনায় একে একে স্বামী ও তিন সন্তানের পর এবার মারা গেলেন গৃহবধূ সায়মা আক্তার (৩২)। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল নয়টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মারা যান তিনি।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তার ছেলে মুন্না (১২), দুপুরে মেয়ে মুন্নি (৭) মারা যায়। আর বুধবার মৃত্যু হয় তার আরেক মেয়ে কথা (৪) ও সোমবার মারা যান তার স্বামী আবুল কালাম (৩৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি বলে, ‘সায়মার শ্বাসনালীসহ শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানেই আজ সকালে তার মৃত্যু হয়। এতে ঘটনাটিতে দগ্ধ পরিবারের ৫ জনই মারা গেলেন।’
প্রসঙ্গত, গত ১০ মে সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার গ্রাম বাংলা টাওয়ার সংলগ্ন একটি বাসায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন ঘরের ভেতর আগুন জ্বলছে। পরে দগ্ধ অবস্থায় পরিবারের পাঁচ সদস্যকে উদ্ধার করে দ্রুত বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, ঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকেই এ বিস্ফোরণের সূত্রপাত।
উল্লেখ্য, তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বালুকদিয়া গ্রামে। জীবিকার প্রয়োজনে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করছিল পরিবারটি।
নিহত সায়মা আক্তার ছোট ভাই মো. আরমান জানান, সায়মাদের বাড়ি বরিশাল বাবুগঞ্জ পশ্চিম ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে। ঘটনার দিন নিহত সবজি বিক্রেতা আবুল কালাম আড়তে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খাবার খাওয়ার জন্য নিজেই আগের দিনের রান্না করা তরকারি গ্যাসের চুলায় গরম করতে যান। রান্নাঘরে দিয়াশলাই জ্বালাতেই বিস্ফোরণ হয়। তাদের ধারণা, গ্যাস লিকেজের কারণে রান্না ঘরে গ্যাস জমে ছিল।

দগ্ধ বাবা ও ৩ সন্তানের পর এবার চলে গেলেন মা
নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচ জন দগ্ধের ঘটনায় একে একে স্বামী ও তিন সন্তানের পর এবার মারা গেলেন গৃহবধূ সায়মা আক্তার (৩২)। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল নয়টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মারা যান তিনি।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তার ছেলে মুন্না (১২), দুপুরে মেয়ে মুন্নি (৭) মারা যায়। আর বুধবার মৃত্যু হয় তার আরেক মেয়ে কথা (৪) ও সোমবার মারা যান তার স্বামী আবুল কালাম (৩৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি বলে, ‘সায়মার শ্বাসনালীসহ শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানেই আজ সকালে তার মৃত্যু হয়। এতে ঘটনাটিতে দগ্ধ পরিবারের ৫ জনই মারা গেলেন।’
প্রসঙ্গত, গত ১০ মে সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার গ্রাম বাংলা টাওয়ার সংলগ্ন একটি বাসায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন ঘরের ভেতর আগুন জ্বলছে। পরে দগ্ধ অবস্থায় পরিবারের পাঁচ সদস্যকে উদ্ধার করে দ্রুত বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, ঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকেই এ বিস্ফোরণের সূত্রপাত।
উল্লেখ্য, তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বালুকদিয়া গ্রামে। জীবিকার প্রয়োজনে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করছিল পরিবারটি।
নিহত সায়মা আক্তার ছোট ভাই মো. আরমান জানান, সায়মাদের বাড়ি বরিশাল বাবুগঞ্জ পশ্চিম ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে। ঘটনার দিন নিহত সবজি বিক্রেতা আবুল কালাম আড়তে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খাবার খাওয়ার জন্য নিজেই আগের দিনের রান্না করা তরকারি গ্যাসের চুলায় গরম করতে যান। রান্নাঘরে দিয়াশলাই জ্বালাতেই বিস্ফোরণ হয়। তাদের ধারণা, গ্যাস লিকেজের কারণে রান্না ঘরে গ্যাস জমে ছিল।

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে পরিবারের ৫ সদস্য দগ্ধ


