নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর নির্ভর করছে চুক্তির সফলতা

নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর নির্ভর করছে চুক্তির সফলতা
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও উত্তেজনা অবসানে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর অনেকটাই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর নির্ভর করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ এবং ঝুঁকি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারেস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি হামদি বলেছেন, বর্তমান চুক্তির সাফল্য সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করছে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন কি-না তার উপর।
তিনি বলেন, ‘গতবার যখন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়, তার জবাবে ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করে, তবে লেবাননের ওপর হামলা বাড়িয়ে দেয়।’
হামদি বলেন, ‘যখন পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জোর দিয়েছিল, তখন ট্রাম্প লেবাননকে বাদ দিয়ে চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করেন বলে মনে হয়েছিল। উদ্বেগের বিষয় হলো, ট্রাম্প আবার একই কাজ করবেন কিনা।’
তিনি আরও বলেন, তেহরানের সঙ্গে বর্তমান চুক্তির ঘোর বিরোধী ইসরায়েলিরা এখনও রয়েছে এবং আজ সকালে চুক্তিটি বানচাল করতে নেতানিয়াহু লেবাননে একটি হামলা চালিয়েছেন।
হামদি বলেন, তার উদ্বেগ হলো, ‘ট্রাম্প আবার চুক্তিটি পরিবর্তন করবেন কিনা। যাতে তিনি ইসরায়েলকে লেবাননে হামলা চালানো থেকে বিরত রাখলেও দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের জন্য তাদের ওপর চাপ দিতে অস্বীকার করতে পারেন। এটা পুরো চুক্তিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।’
সূত্র: আল জাজিরা

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও উত্তেজনা অবসানে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর অনেকটাই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর নির্ভর করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ এবং ঝুঁকি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারেস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি হামদি বলেছেন, বর্তমান চুক্তির সাফল্য সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করছে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন কি-না তার উপর।
তিনি বলেন, ‘গতবার যখন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়, তার জবাবে ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করে, তবে লেবাননের ওপর হামলা বাড়িয়ে দেয়।’
হামদি বলেন, ‘যখন পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জোর দিয়েছিল, তখন ট্রাম্প লেবাননকে বাদ দিয়ে চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করেন বলে মনে হয়েছিল। উদ্বেগের বিষয় হলো, ট্রাম্প আবার একই কাজ করবেন কিনা।’
তিনি আরও বলেন, তেহরানের সঙ্গে বর্তমান চুক্তির ঘোর বিরোধী ইসরায়েলিরা এখনও রয়েছে এবং আজ সকালে চুক্তিটি বানচাল করতে নেতানিয়াহু লেবাননে একটি হামলা চালিয়েছেন।
হামদি বলেন, তার উদ্বেগ হলো, ‘ট্রাম্প আবার চুক্তিটি পরিবর্তন করবেন কিনা। যাতে তিনি ইসরায়েলকে লেবাননে হামলা চালানো থেকে বিরত রাখলেও দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের জন্য তাদের ওপর চাপ দিতে অস্বীকার করতে পারেন। এটা পুরো চুক্তিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।’
সূত্র: আল জাজিরা

নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর নির্ভর করছে চুক্তির সফলতা
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘ তিন মাসের অধিক সময় ধরে চলা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও উত্তেজনা অবসানে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর অনেকটাই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর নির্ভর করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ এবং ঝুঁকি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারেস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি হামদি বলেছেন, বর্তমান চুক্তির সাফল্য সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করছে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন কি-না তার উপর।
তিনি বলেন, ‘গতবার যখন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়, তার জবাবে ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করে, তবে লেবাননের ওপর হামলা বাড়িয়ে দেয়।’
হামদি বলেন, ‘যখন পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জোর দিয়েছিল, তখন ট্রাম্প লেবাননকে বাদ দিয়ে চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করেন বলে মনে হয়েছিল। উদ্বেগের বিষয় হলো, ট্রাম্প আবার একই কাজ করবেন কিনা।’
তিনি আরও বলেন, তেহরানের সঙ্গে বর্তমান চুক্তির ঘোর বিরোধী ইসরায়েলিরা এখনও রয়েছে এবং আজ সকালে চুক্তিটি বানচাল করতে নেতানিয়াহু লেবাননে একটি হামলা চালিয়েছেন।
হামদি বলেন, তার উদ্বেগ হলো, ‘ট্রাম্প আবার চুক্তিটি পরিবর্তন করবেন কিনা। যাতে তিনি ইসরায়েলকে লেবাননে হামলা চালানো থেকে বিরত রাখলেও দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের জন্য তাদের ওপর চাপ দিতে অস্বীকার করতে পারেন। এটা পুরো চুক্তিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।’
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের ৪ দেশ

