কোন দিকে যাচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি

কোন দিকে যাচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে কয়েকদিন ধরে চলমান টানা বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েকদিনও দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী, কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (১১ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। পাঁচ দিনের পূর্বাভাসেও দেশের আট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টির ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকতে পারে। তবে সপ্তাহের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে ফেনী অঞ্চলও বন্যার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বর্তমানে বান্দরবান ও চট্টগ্রামের দোহাজারীতে সাঙ্গু নদী, হবিগঞ্জে খোয়াই নদী, মৌলভীবাজারে মনু নদী এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, দেশের কিছু এলাকায় ধীরে ধীরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও রংপুর অঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ভারতের মেঘালয়, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে আগামী এক থেকে দুই দিনে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এসব অঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। একই সময়ে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নিচু এলাকাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহের কিছু নিম্নাঞ্চলেও আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। সিলেট ও সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন এলাকার বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার পাশাপাশি সুরমা নদীর তীরবর্তী এলাকাও প্লাবিত হতে পারে। তবে বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের কয়েকটি এলাকায় ধীরে ধীরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
এদিকে, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি কমে বিপদসীমার নিচে নেমে এলেও গঙ্গা নদীর পানি বাড়ছে এবং পদ্মা স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী দুই দিন গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেও পরে পানি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র। একই সঙ্গে তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই ও দুধকুমার নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজধানী ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, ধলেশ্বরী ও টঙ্গীখালের পানিও বাড়ছে, যদিও আপাতত সেগুলো বিপদসীমার নিচেই রয়েছে।
টানা বর্ষণের কারণে পার্বত্য অঞ্চলে দুর্যোগ আরও তীব্র হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ধসে পড়েছে। এতে দুটি জেলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলায় অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরেই আটজন রয়েছেন। রাঙামাটিতে অন্তত ৩৭টি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রমে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে কয়েকদিন ধরে চলমান টানা বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েকদিনও দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী, কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (১১ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। পাঁচ দিনের পূর্বাভাসেও দেশের আট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টির ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকতে পারে। তবে সপ্তাহের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে ফেনী অঞ্চলও বন্যার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বর্তমানে বান্দরবান ও চট্টগ্রামের দোহাজারীতে সাঙ্গু নদী, হবিগঞ্জে খোয়াই নদী, মৌলভীবাজারে মনু নদী এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, দেশের কিছু এলাকায় ধীরে ধীরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও রংপুর অঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ভারতের মেঘালয়, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে আগামী এক থেকে দুই দিনে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এসব অঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। একই সময়ে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নিচু এলাকাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহের কিছু নিম্নাঞ্চলেও আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। সিলেট ও সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন এলাকার বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার পাশাপাশি সুরমা নদীর তীরবর্তী এলাকাও প্লাবিত হতে পারে। তবে বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের কয়েকটি এলাকায় ধীরে ধীরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
এদিকে, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি কমে বিপদসীমার নিচে নেমে এলেও গঙ্গা নদীর পানি বাড়ছে এবং পদ্মা স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী দুই দিন গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেও পরে পানি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র। একই সঙ্গে তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই ও দুধকুমার নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজধানী ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, ধলেশ্বরী ও টঙ্গীখালের পানিও বাড়ছে, যদিও আপাতত সেগুলো বিপদসীমার নিচেই রয়েছে।
টানা বর্ষণের কারণে পার্বত্য অঞ্চলে দুর্যোগ আরও তীব্র হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ধসে পড়েছে। এতে দুটি জেলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলায় অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরেই আটজন রয়েছেন। রাঙামাটিতে অন্তত ৩৭টি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রমে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কোন দিকে যাচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে কয়েকদিন ধরে চলমান টানা বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েকদিনও দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী, কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (১১ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। পাঁচ দিনের পূর্বাভাসেও দেশের আট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টির ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকতে পারে। তবে সপ্তাহের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে ফেনী অঞ্চলও বন্যার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বর্তমানে বান্দরবান ও চট্টগ্রামের দোহাজারীতে সাঙ্গু নদী, হবিগঞ্জে খোয়াই নদী, মৌলভীবাজারে মনু নদী এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, দেশের কিছু এলাকায় ধীরে ধীরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও রংপুর অঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ভারতের মেঘালয়, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে আগামী এক থেকে দুই দিনে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এসব অঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। একই সময়ে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নিচু এলাকাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহের কিছু নিম্নাঞ্চলেও আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। সিলেট ও সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন এলাকার বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার পাশাপাশি সুরমা নদীর তীরবর্তী এলাকাও প্লাবিত হতে পারে। তবে বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের কয়েকটি এলাকায় ধীরে ধীরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
এদিকে, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি কমে বিপদসীমার নিচে নেমে এলেও গঙ্গা নদীর পানি বাড়ছে এবং পদ্মা স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী দুই দিন গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেও পরে পানি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র। একই সঙ্গে তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই ও দুধকুমার নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজধানী ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, ধলেশ্বরী ও টঙ্গীখালের পানিও বাড়ছে, যদিও আপাতত সেগুলো বিপদসীমার নিচেই রয়েছে।
টানা বর্ষণের কারণে পার্বত্য অঞ্চলে দুর্যোগ আরও তীব্র হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ধসে পড়েছে। এতে দুটি জেলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলায় অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরেই আটজন রয়েছেন। রাঙামাটিতে অন্তত ৩৭টি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রমে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে কমছে বন্যার পানি, ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা


